লক্ষ্মীপুরে এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়াই একই পরিবারের চার সদস্য বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল সালেহীন এ আদেশ দেন। এ সময় জরিমানা করেন ২০ হাজার টাকা। সেইসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিও।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি ডা. সাইফুল ইসলাম শরীফ বলেন, এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়া কেউ নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিতে পারে না। তারা নামের আগেও ডা. লিখতে পারবে না। অভিযুক্তরা যেসব রোগে চিকিৎসা দিয়ে এসেছেন, তা তারা করতে পারবেন না। কারণ তাদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই।
লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আহমেদ কবির বলেন, শর্ম্মা মেডিকেল হলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তাই অভিযান চালিয়ে সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা যেন প্রতিষ্ঠানটি চালু করতে না পারেন, সেদিকে নজরদারি থাকবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল সালেহীন সিরাজুল সালেহীন জানান, শর্ম্মা মেডিকেল হলে অভিযুক্ত চারজন নিজেদের চিকিৎসক দাবি করে অর্শ, গেজ, ওরিশ ও ভগন্দরসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা করে আসছেন।
তিনি আরো জানান, রায়পুরের নতুন বাজার এলাকায় তাদের আরো একটি চেম্বার রয়েছে। তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি ও সনদ নেই। কিন্তু তারা বিভিন্ন সময় রোগীদের অপারেশনও করিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে র্যাব-১১ ও প্রশাসনের যৌথ অভিযানে একই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে আবারো প্রতিষ্ঠান চালু করে ভুয়া ওই চার চিকিৎসক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।