তাসকিনও বললেন ‘ভুল বোঝাবুঝি’
Published : Wednesday, 2 February, 2022 at 12:00 AM
বিপিএল
মানেই যেন বিতর্ক আর অসংলগ্নতার ছড়াছড়ি। বরাবরের মতো এবারও মাঠের বাইরের
ইস্যু নিয়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বিপিএল। মেহেদী হাসান মিরাজের ঘটনার রেশ কাটতে
না কাটতে তাসকিন আহমেদ ইস্যুতে উত্তাপ বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। পারিশ্রমিক
নিয়ে তাসকিন ও সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বন্দ্বের পর বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে
আসে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। মিটমাট হওয়ার পর মিরাজের মতো তাসকিনও
জানালেন, সবকিছুই ‘ভুল বোঝাবুঝির’ কারণে হয়েছে।
তাসকিনকে সরাসরি
চুক্তিবদ্ধ করতে প্রথমে ৩৫ লাখ টাকা দিয়েছিল সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি। চুক্তি
অনুযায়ী, ৭০ শতাংশ টাকা আগে পরিশোধ করার নিয়ম। সেই অনুযায়ী ফ্র্যাঞ্চাইজিটি
টাকাও পরিশোধ করে। কিন্তু ৭০ ভাগ টাকা পরিশোধ করলেও তাসকিন বিপিএল
চলাকালীন পারিশ্রমিকের পুরো অর্থ চেয়ে বসেছেন। তাতেই তৈরি হয় সমস্যা।
তাসকিনের
দাবি, পেমেন্টের ‘সিস্টেম’ নাকি তার জানা ছিল না। যেহেতু সরাসরি চুক্তিতে
তাসকিনকে দলে নেওয়া হয়েছে, এ কারণে তরুণ এই পেসার ভেবেছিলেন নিয়মটা তার
জন্য ভিন্ন রকম হবে! এ প্রসঙ্গে তাসকিন বলেছেন, ‘জয় ভাইয়ের (শেখ কুদরত ই
ইবতিয়াজ জয়, সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক) সঙ্গে আমার তেমন কিছুই হয়নি। কোনও
দ্বন্দ্ব বা অন্য কিছুই না। এটা পুরোটাই ভুল বোঝাবুঝি ছিল। আমি আসলে
ভেবেছিলাম, আমার পারিশ্রমিক খেলার আগেই পরিশোধ হবে। আসলে একটা প্রক্রিয়া
আছে। এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরিশোধ হবে। এখানেই একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।
এটা আসলে কোনও দ্বন্দ্বের বিষয় না।’
যোগাযোগের ঘাটতির বিষয়টি পরিষ্কার
করতে গিয়ে তাসকিন আরও বলেছেন, ‘সত্যি কথা বলতে বায়ো বাবলের কারণে মালিকপক্ষ
অনেক সময় হোটেলে থাকেন না। জয় ভাই খুবই অমায়িক মানুষ। তার সঙ্গে আমাদের
সবার বোঝাপড়া অত্যন্ত ভালো। শুধু যোগাযোগের ঘাটতির কারণে এমনটা হয়েছে। আমি
ভাইয়াকে কয়েকবার ফোন করেছিলাম। হয়তো কোনও কারণে মিস করেছে। আমার সঙ্গে
আমাদের দলের মালিকের কোনও দ্বন্দ্ব নেই। উনি ব্যস্ত থাকায় রিপ্লাই দিতে
দেরি করেছেন। পরে আমার সঙ্গে কথা হয়েছে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী আমার
সবকিছু পরিশোধ হবে।’
একদিন আগে বিষয়টি নিয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের
সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছিলেন ‘একটা নির্দিষ্ট অঙ্কে একজন
খেলোয়াড়ের সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজির সরাসরি সাইনিং হয়েছিল। চুক্তির ৭০ ভাগ টাকা
ফ্র্যাঞ্চাইজি দিয়েও দিয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি আজ (সোমবার) আমাদের জানালো, ওই
খেলোয়াড় এখনই পুরো টাকা চাইছে। আমি নিজে মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। ৭০ ভাগ
টাকা পাওয়ার পরও ওই খেলোয়াড় চাপ দিচ্ছে। সে ফোন ধরেনি। খেলোয়াড় তাকে বলছে,
পুরো টাকা না পেলে সে খেলবে না। যদিও বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে।’