ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
124
দেশে মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজার
Published : Saturday, 12 June, 2021 at 12:00 AM, Update: 12.06.2021 12:52:01 AM
দেশে মৃত্যু ছাড়াল ১৩ হাজারঠিক এক মাসে আরও এক হাজার মানুষের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের মোট সংখ্যা ১৩ হাজার ছাড়িয়ে গেল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ১৩ হাজার ৩২ জনের।
সংক্রমণের বিস্তার রোধে লকডাউনের মধ্যেই গত ১১ মে দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের মোট সংখ্যা ১২ হাজার পেরিয়েছিল। তার সঙ্গে আরও এক হাজার নাম যুক্ত হতে সময় লাগল এক মাস।
মাঝে কিছুদিন দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমে এলেও জুনের শুরু থেকে তা ৩০ থেকে ৪০ এর ঘরে ঘোরাফেরা করছে। গত এক দিনে আরও ২ হাজার ৪৫৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ২২ হাজার ৮৪৯ জন হয়েছে।
সরকারি হিসাবে আক্রান্তদের মধ্যে একদিনে আরও ২ হাজার ২৮৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন; এ পর্যন্ত সুস্থ মোট হয়েছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯১৬ জন।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গতবছর ৮ মার্চ; তা সাড়ে সাত লাখ পেরিয়ে যায় গত ২৭ এপ্রিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।
প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আড়াই মাস পর গত বছরের ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়ায়।
এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ অগাস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা।
এরপর কমে আসে দৈনিক মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়ায়।
সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর ১৫ দিনেই এক হাজার কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যু ঘটে, গত ১৫ এপ্রিল মৃতের মোট সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।
এর পরের এক হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে আরও কম, মাত্র দশ দিন সময় নেয় করোনাভাইরাস; মোট মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে যায় ২৫ এপ্রিল।
তার ১৬ দিন পর ১১ মে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এক মাসের মাথায় শুক্রবার তা ১৩ হাজার ছাড়াল।
এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে সময় টানা চার দিন মৃত্যুর সংখ্যা ছিল একশর ওপরে।
বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ১৭ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষের।
গত বছর মার্চে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর সংক্রমণের প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঢাকার পরিস্থিতিই সবচেয়ে খারাপ ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার সামাজিক বিস্তার বা কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটায় রাজশাহী ও খুলনার ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, গত এক দিনে ঢাকা বিভাগে যেখানে ৪৮০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, সেখানে রাজশাহী বিভাগে পাওয়া গেছে ৬৮২ জন নতুন রোগী। খুলনায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৫৯৯ জনের মধ্যে।
একক জেলা হিসেবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৩৩৯ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এই সময়ে ঢাকা জেলায় ২৮৫ জন, খুলনা জেলায় ১৫৬ জন, চট্টগ্রাম জেলায় ১২৯ জন, যশোর জেলায় ১২৮ জন, সাতক্ষীরা জেলায় ১১১ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫১০টি ল্যাবে ১৮ হাজার ৭৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৩টি নমুনা।
২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২৯২টি; বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮১টি।
ঢাকা বিভাগে দৈনিক শনাক্তের হার ৫.৭ শতাংশে নেমে এলেও রাজশাহী বিভাগে তা বেড়ে ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ হয়েছে। খুলনা বিভাগে তা সামান্য কমে ৩৫ শতাংশ হয়েছে।
জেলাওয়ারি হিসেবে এদিন বাগেরহাটে শনাক্ত রোগীর হার ৪৩ শতাংশ, খুলনায় ৩৬ শতাংশ, যাশোরে ৩২.৪ শতাংশ, রাজশাহীতে ২০ শতাংশ, চট্টগ্রামে ১৩ শতাংশ আর আর ঢাকায় ৪ শতাংশের কিছু বেশি।
শনাক্ত রোগীর সংখ্যার মত মৃত্যুর সংখ্যাতেও শুক্রবার এগিয়ে আছে রাজশাহী বিভাগ। গত এক দিনে মারা যাওয়া ৪৩ জনের মধ্যে ১১ জনই রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। ১০ জন ছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
এছাড়া ৮ জন ঢাকা বিভাগের, ৭ জন খুলনা বিভাগের, ২ জন বরিশাল বিভাগের, ৪ জন রংপুর বিভাগের এবং ১ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।
গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৩০ জন পুরুষ আর নারী ১৩ জন। তাদের ৩৬ জন সরকারি হাসপাতালে, ৬ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বাসায় মারা গেছেন এক জন।
তাদের মধ্যে ২৪ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৪ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, ২ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং ২ জনের ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।









© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ই মেইল: [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};