শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
স্থানীয় ভোটে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
প্রকাশ: রোববার, ৯ জুন, ২০২৪, ১২:১৫ এএম |


স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আইন সংশোধন করে দলীয় প্রতীক পরিবর্তন করার কোনো প্রয়োজন নেই। কেননা, আইনটা এমনভাবে করা হয়েছে, যে ভোট দলীয় প্রতীকে হতে পারে, আবার নির্দলীয় প্রতীকেও হতে পারে।
শনিবার (৮ জুন) ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে চ্যালেঞ্জ ও নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।  
রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) উদ্যোগে সেমিনারটি রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, প্রতীকবিহীন তো নির্বাচন হয় না। ডেমোক্রেসির সুযোগ থাকার কারণে মানুষ এ বিতর্ক করতে পারছে। বিতর্ক থাকবে না, এটা ঠিক না। আমি দলীয় প্রতীকের পক্ষে কিংবা দলীয় প্রতীকহীনের পক্ষে; আমি দু'টির কোনোটিরই পক্ষে বিপক্ষে নই।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, জেলা ও উপজেলা ইউনিয়ন একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে এমন কোনো লিগ্যাল ফ্রেম (আইনি কাঠামো) নেই। একীভূত আইন করে এক আইনের মধ্যে করতে পারি। আমাদের সময় এসেছে ভাবার, এগুলো একীভূত করা যায় কি না।
তিনি বলেন, লোকাল গর্ভমেন্ট সার্ভিস সিস্টেম (সেবা ব্যবস্থাপনা) অর্থাৎ কর্মচারীদের একসঙ্গে আনা উচিত। কেননা, অর্ধেকের বেশি পৌরসভা তাদের কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না। গ্রাম ও শহরের বিভক্তি খুব ক্ষীণ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যদি আমরা মাদার ল করি। অবশ্যই এখানে মার্কা থাকবে। একক তফসিলে একই দিনে ভোট করা সম্ভব। এতে নির্বাচনের খরচ কমবে।
তিনি আরও বলেন, আমি এককভাবে প্রতীকের পক্ষে। যারা ইলেকশন করে তারা নির্দলীয় মানুষ না। দুনিয়ার সব দল লোকাল গর্ভমেন্ট মানুষের পরামর্শ নেয়। আমাদের দলগুলো স্থানীয় সরকার উইং নেই। দেশের রাজনীতি দুর্বৃত্তরা দখল করে নিয়েছে। সমস্যা প্রতীকে নয়। সমস্যা আসলে পার্টিতে। মার্কা বাদ দিলে ভালো নির্বাচন হবে তার নিশ্চয়তা নেই। মার্কা থাকলে খারাপ নির্বাচন হবে তাও ঠিক না।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থা দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। একটা দলের সুবিধা অসুবিধার জন্য এ প্রতীক আনা হয়েছে। প্রতীকের কোনো প্রয়োজন নেই।  আগে যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকুক।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলেন, পৃথিবীর কোথাও কোথাও আদৌ কোনো নির্বাচন হয় না। যে দল আসে তারাই লোক বসিয়ে দেয়। যেমন মালেয়শিয়া। এখানে সরাসরি নির্বাচন হয় না। কোথাও আবার স্থানীয় সরকারে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়। কোনো দেশে দল প্রতীক দেয় না কিন্তু দল সমর্থন করে। কাজ করে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক, ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে হবে। জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। জনগণের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার কবিতা খাতম বলেন, উপজেলা স্তরটা শক্তিশালী করা উচিত। পরিচালনার আইন ও বিধি বিধান অস্পষ্ট ও অসঙ্গতি রয়েছে। যার ফলে প্রশাসনকে অকার্যকর করতে এ আইন যথেষ্ট।
তিনি বলেন, একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে, যা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি। প্রতীকবিহীন ভোট, এখানে ৭০ শতাংশ ব্যবসায়ী। প্রতীক না দিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ আছে। প্রতীক কিংবা প্রতীকবিহীন এটা বড় কথা নয়। রাজনৈতিক শিষ্টাচার বড় কথা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ খোকন বলেন, দলীয় প্রতীক উপজেলা নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে না, এটা প্রধানমন্ত্রীর সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত।
সেমিনারে আরএফইডি'র নেতারাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।












সর্বশেষ সংবাদ
ঈদ যাত্রা পর্যবেক্ষণে মহাসড়কে ৩৮ ম্যাজিষ্ট্র্যেট, যানজট নিরসনে মহাসড়কে ডিসি- এসপি
লালমাইয়ে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
পুলিশের গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি এলজি বন্দুকসহ গ্রেপ্তার ১
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ
সুপার এইটের পথে বাংলাদেশ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
শপথ নিলেন কুমিল্লার ৭ উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান
ছিল পার্ক, হলো ক্রিকেট স্টেডিয়াম, খেলা শেষে সেটাই আবার পার্ক
পুলিশের গাড়ি থামিয়ে ডাকাতি এলজি বন্দুকসহ গ্রেপ্তার ১
আফজল খানের সহধর্মিণী নার্গিস সুলতানার ইন্তেকাল
লালমাইয়ে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২ | Developed By: i2soft