সোমবার ১৭ জুন ২০২৪
৩ আষাঢ় ১৪৩১
রবিবাসরীয়...
প্রকাশ: রোববার, ২৬ মে, ২০২৪, ১২:০০ এএম |

 রবিবাসরীয়...







গল্প--------
চুলের কলপ
রবিবাসরীয়...কাজী মোহাম্মদ আলমগীর ।।
অভিসন্দর্ভটি লিখে শেষ করেছে জাহিদ। বিষয় চুলের কলপ। তার গাইড ছিল ড.ইবনে দাউদ ইউসুফ। একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি নতুন প্রডাক্ট চুলের কলপ আনতে উন্মুখ হয়ে আছে। কিন্তু জাহেদ লিখেছে কালের অপ্রচলিত ইতিহাস। তিন হাজার বছরের প্রচলিত ঘটনার কোন কিছুই স্পর্শ করেনি সে । উপযুক্ত সময় এবং সত্যতার অভাবে অভিসন্দর্ভটি বাতিল হয়ে গেছে। আজকাল কোন কোন কোম্পনি অনুদান দেয়ার মাধ্যমে, বিশ্ববিদ্যালয়ের  গবেষণা দ্বারা পণ্য বিক্রয়ের পথ খোলা রাখে।
সালোম, ভালো নাম সালেম, অভিসন্দর্ভটি পড়ার জন্য নিয়ে গেছে। সালেমদের চুল সম্পর্কে  ভিন্ন রকম রীতি ও সংস্কৃতি রয়েছে।
জাহিদ লিখেছে, এমন বাক্য দিয়ে, চুলের কলপ ব্যবহারের মাঝে ক্ষয়ে যাওয়া সৌন্দির্য এবং বয়স লোকানোর মনোবৃত্তি বা অভিসন্ধি থাকে।
সালোম অবাক।নিজেরে চুল ঝাঁকিয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করে সালোম। কেন প্রাচিন মিশরের ক্লিওপেট্রার ইতিহাস থেকে শুরু করতে পারলো না জাহিদ। ক্লিওপেট্্রা চুলে নানা রকম রং ব্যবহার করতেন। গ্রীক ইতিহাসবিদ সিকুলাস, এবং সেল্টিক লোকেরা চুলকে স্বর্ণ রং করতে পারতো। এসব সে লিখেনি।
জাহিদ লিখেছে,অধিকমাত্রায় চলন্ত ছবি ( ভিডিও) , স্টিল ছবি, নানা কারণে ব্যবহারের আধিক্যে, লোকজনের দৃষ্টি ওইসব ছবিতে পতিত হয়,ব্যক্তি নিজে  কল্পিত লজ্জা থেকে মুক্তি পেতে কলপ দেয়া শুরু করে। সমাজেও হয়তো এমন একটি পরিস্থিতি তৈয়ার হয়ে রয়েছে। সম্ভবতো কলপ থেতে কল্প। লজ্জা থেকে মজ্জা। আসলে মুক্তি।
একটি স্বাভাবিক বিষয় এই যে, চুল কালো থেকে সাদা হওয়া বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রাকৃতিক ব্যাপার।
দু’চারজন ব্যতিক্রম ছিল বা আছে।কারো চুল পাকে বয়সের সঙ্গে তাল না মিলিয়ে। একে  ধন্বন্তরি বিদ্যায় বলা হয়, ‘ বায়ুচরা’ রোগ। মেজাজ খিটখিটে  প্রচ- রাগী লোকদের চুল পাকে দ্রুত।।
দেশের রাজা  ঘোষণা করলেন, কেউ চুলে কলপ দিতে পারবে না। নিরাপত্তকদের বলা হলো, কলপ দেয়া লোক পেলে ধরে নিয়ে আসতে হবে।
এখন থেকে রাজ্যের নিরাপত্তায় নিয়োজিতরা জনগণের মাথায় হাত দিয়ে চুল পরখ করবে। তবে কারোর বিরক্তির কারণ হবে না।
লোকে বলে নিরাপত্তকরা মানুষের মাথায় হাত দিয়ে আদর ¯েœহ করছে, তারা কতো ভালো, সংসারের খবরও নিচ্ছে। মাথায় হাত দিলে এমনিতে কতো কথা মাথা থেকে মাথায় চলে যায়। যে আগুনে গুণ নিরাপত্তাকর্মীগণের স্বভাবের  ভিতর লুকায়িত আছে, সুযোগ পেয়ে মানবিক হয়ে ওঠছে, সরল হয়ে যাচ্ছে।
রাজা হাঁক দিয়ে বলেন, কেউ কি এখন চুলে কলপ দেয় না? অকালে চুল পেকে কারো প্রেমে পতিত হয় না? নকি আমার কঠিন নিরাপত্তকর্মীরা আপোষ করে বসে আছে?
রাজার নতুন ঘোষণায় সকলে অস্থির। গম্ভির।  শুধু কম চুল- সিকি চুল- নাই চুল মাথার লোকেরা  আনন্দিত। তারা বলে, ... আমাদের চুল নাই, কলপ নাই, ঝামেলা নাই, প্রেম নাই,  ঘাম নাই চিন্তা নাই।  আবার জিবে কামড় দিয়ে বলে, কতো হ্যান্ডস্যাম টেকো মাথা প্রেম করছে নির্দ্বিধায়। কলপের চিন্তা নাই।  
রাজা, নিরাপত্তকদের ডেকে বলে, তোমরা ফাঁকি দিচ্ছো নিশ্চয়? রাজা নিরাপত্তকদের নিকট কলাপ করা চুলের আদ্য প্রান্ত ব্যাখ্যা করে। বলে,একটু মোটা, একটু খসখসে, একটু চকচকে, একটু ঝলমলে। তবে কখনো পুরাতন চুলের নিচের দিকে হালকা সাদা , অঙ্কুরের মতো নতুন উঁকি দেয়া চুল দেখা যায়। এর রং সাদা। রাজা বলে , যেন নুতুন সম্ভাবনা বড় গোফনে দরদি কবিতার মতো মুখ দেয়। আহ্লাদের মুখ্ একঠু বড় হলে মেরে ফেলা হবে কালো বরণের আবরনে। তখন ব্যক্তির নিবিড় সচেতনতা নাকে মুখে পিচ্ছিল রোদের মতো খেলে যায়। তোমারা শুধু তা একটু অনুবাদ করতে পারলে যথেষ্ট, আসামি তোমাদের কব্জায়।
একজন , নিরাপত্তক বলে, এসব তো একজন মনোবিজ্ঞানির কাজ। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কাজ। তারা বিষয়টি রক্ষা করবে। আমরাতো বারবার ব্যার্থই হবো। শেষে আপনার জব্দের আগুনে দগ্ধ হয়ে প্রাণও যাবে চরকি ও যাবে।
‘কী বললে, চরকি যাবে!’
জী রাজন, আমারা যে ভাবে ঘুরছি, এটাকে চাকরি না বলে চরকি বলাই উত্তম। ঘরছি কিন্তু কাজের কাজের কিছুই কিচ্ছু হচ্ছে না। আমি জানি সত্য কথা বলাতে এখন আমার চুল পাকা শুরু হবে।’
‘তোমাকে ধন্যবাদ।  তোমার চুল পাকার দরকার নেই। পাকলেও  সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য তোমাকে গণনাতে আনা হবে না।’
রাজা বিকেলের ক্লান্ত আলো মারিয়ে  গভীর চিন্তিত।
এ সংবাদ রাজ্যে ছড়িয়ে যায়। রাজা মৌনব্রত হন।
জনগণের একাংশ আনন্দে গড়াগড়িতে মত্ত। তাদের অধিকাংশ চুলে কলপ করা। তারা বলে, আহা! কী শুভসংবাদ।
আমরা বিশেষজ্ঞদের বলবো  অকালে চুল পাকা থেকে আমাদের রক্ষা করুন।
নিরাপত্তকদের বলবো লোকজনের চুলে আঙ্গুল চালিয়ে শুভ্র বর্ণের চুল খুঁজলে হয় সুসম্পর্ক, সুমম্পর্ক হয়ে যায় আদর। আপনারা পরিণত হন ভয়হীন মানবিক সত্তা। রাজ্যের আনন্দের হিল্লোল কে ধরে রাখে।
টাক মাথার লোকেরা সটান আসা যাওয়া করে। শ্রামন এবং ভিক্ষুরা অপূর্ব প্রশান্তির ভেতর ধর্মের কল্যাণ খুঁজে পায়, মনে মনে বলে মৈত্রী মৈত্রী...।
কিন্তু কিছুদিনের ভেতর এমন কিছু লোক পাওয়া যায় যার বা যাদের বয়স হয়েছে যথেষ্ট কিন্তু তাদের চুল পাকেনি। তারা চুলে কলপও দেয় না। তাদের সম্পর্কে নিরাপত্তকরা কোন সিদ্বান্ত নিতে পারে না। মনোচিকিৎসকরাও কিছু বলতে পারো না।
তাদের পক্ষ থেকে একজনকে রাজার সামনে হাজির করানো করা হয়।
রাজা বলেন, ‘আপনার বয়স কতো।’
‘সত্তর বছর।’
‘আপনার চুল পাকেনি?’
‘না আমার বাবার চুল পাকেনি। আমার একটি দাঁতও পড়েনি। মৃত্যুর সময় বাবার বয়স ছিল ৮০ বছর, বাবার একটি দাঁতও পড়েনি। আমাদের কী আপরাধ মহারাজ।
‘আপনাদের কোন অপরাধ নেই। আপনাদের চুলের স্বাভাবিক নিয়ম নেই। এটা অপরাধ না। প্রভ’ সর্ব বস্তুতে পরিণতির ব্যববস্থা করেছেন, মাঝে মধ্যে অব্যবস্থ্যাও ব্যবস্থা হয় । বিত-া যেখানে নির্বাক  । আপনি বৃদ্ধ হবেন চুল পাকবে না। একসময় আপনি কাঁচাচুল নিয়ে প্রভ’র কাছে চলে যাবেন।
‘শিশুদের কী নিয়ম মহারাজ।’
‘সেটাও নিয়ম। অপনারা চুল পাকা থেকে বঞ্চিত। আপনাকে যদি কোথাও আটকে রাখা হয়। এবং আপনি যদি জানেন সেখান থেকে আপনাকে বের করে একদিন মেরে ফেলা হবে, তাহলে আপনার অবস্থা কী হবে?’
‘মহারাজ বিনা অপরাধে মৃত্যু হলে আমার কিছু হবে না। আমার চুল চামরা দাঁত চোখ  সব ঠিক থাকবে। কিন্তু কোন আপরাধে যদি আমাকে আটক করা হয় তাহলে আমার কোন কিছুই আগের মতো পাওয়া যাবে না। আমি জীর্ণ শীর্ণ হয়ে যাবো। হয়তো মরে যাবো।’
‘আপনারা মনে হয় খুব সুখে আছেন।’
‘অসুস্থ বেদনায় আছি বলতে পারছি না। কিন্তু যে দিন আপনার নিরাপত্তকরা মাথায় হাত দিয়ে সাদা চুল খুঁজতে শুরু করে , আমি হলফ করে বলতে পারি, দেশের সব লোকের চুল কালো হয়ে গেছে। সৈনিকের এমন ভ্রাতৃপ্রতিম পরশ কে আশা করে। আপনার হুকুম তথা ভাষার চেয়ে স্পর্শ শক্তিশালী। স্পর্শের চেয়ে নীরবতা আরো বেশি শক্তিশালী।’
‘আপনি তো আমাকে অবাক কথা শোনালেন।’
‘ক্ষমা করবেন মহারাজ।’
‘ক্ষমা যেকোন রাজার শেষ আশ্রয় । লোকে রাজার মহত্ম দেখে। এতে রাজার ক্রোধও থাকে।’
গ্রহে গ্রহে ভিন্ন সময়। ঈশ্বরের ইচ্ছার বৈচিত্র। অন্য গ্রহে অপনি দ্রুত বৃদ্ধ হয়ে যাবেন। কিন্তু আমাকে দেখেতে হবে এই গ্রহের সময়। অথচ ভিন্ন গ্রহের জ্ঞান চিন্তা আমার মগজে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়েছে। ঠিক আছে আজ রাত আপনি রাজ দরবারে মেহমান হিসেবে থাকেন। কাল সকালে দেখা যাবে কলপের পক্ষে বিপক্ষে কালো চুলের দন্ধ নিরসন কিভাবে করা যায়।
রাজা তার নিরাপত্তকে বললেন, এখন তুমি যাও। যাওয়ার পূর্বে বয়সে বৃদ্ধ কালো চুলের লোকটাকে আটকে রাখো।আমি দৈবের উপর নির্ভর করবো না। তবে অদৃশ্য কোন ইঙ্গিতের উপর ভরসায় অপেক্ষায় থাকবো।
রাজা অন্দর মহলে গিয়ে থির হয়ে রাজকীয় আসনে বসে থাকেন।
রানি তার পাশে বসতে চাইলে রাজা ইঙ্গিতে অসম্মতি প্রকাশ করেন। রানি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে সামনা সামনি বসে, তীক্ষèভাবে রাজাকে লক্ষ্য করে, রানি দেখে, খুঁটে খুঁটে দেখে, রানি দেখে রাজার সৌডল কপাল বরাবর, দুটি দীপ্তিমান  মসুর লতারূপ পেঁচানো চুল সকালের সূর্যের আলোতে ঝলমল করছে। তারমানে এই চুল কেউ দেখেনি। আর নতুবা সকলে দেখছে কিন্তু কেউ ভয়ে রাজাকে বলেনি।
রানি বলে , ক্ষমতা এমন যে, পাকা চুল সাদা হয় আবার সাদা চুল পাকা হয়। রাজার চুল সাদা কালো  যা হোক তাতে কিছু  যায় আসে না।
‘কি বলতে চাও তুমি।’
‘রাজন, আপনার দুটি সাদা চুল আপনার প্রাজ্ঞতাকে স্বাগতম জানাচ্ছে। প্রভ’র নীতি আপনার ক্ষেত্রেও নিশ্চয় একই   হবে।  তিনি মহান বিচারক। তাহলে মানুষের চুল নিয়ে , চুলের কলপ নিয়ে এতো প্রপঞ্চ কেন!’
‘রাজা নিশ্চুপ’
রানি নিরাপত্তকদের ডেকে বলেন,চুলের কলপ নিয়ে, চুল নিয়ে জারি করা সকল ঘোষণা এখন থেকে বাতিল করা হলো। রাজা নতুন করে ভেবে দেখবেন এ ক্ষেত্রে প্রভ’র অভিপ্রায় কী হতে পারে। ততক্ষণ পর্যন্ত জনগণের সাধারণ ইচ্ছায় রাজার নীতি বলে গণ্য হবে।
চুলে কলপ দেয়া এবং চুলে কলপ না দেয়া যুক্তিদুটি বিশ্বাসের দরজায় মাথা কুটুক। জয় হোক মানুষের। জয় হোক প্রভ’র ইচ্ছার।

=================================                               ==================================

বসন্ত ঝরনা ছাড়া

সঞ্জয় গোস্বামী ||

সূর্যের দিকে তাকিয়ে
সংহতি,শান্তি ও ভালোবাসায়
তুমি সূর্যমুখী।

প্রতিটি শিরা উপশিরায়
জাগ্রত ঘামের বীজ,
দীর্ঘ বিবর্জিত বাসনা অব্যক্ত,
সুপ্ত বসন্ত ঝরনা।

তুমি হাসো বা কাঁদো
খুব বেশি সময় নেই।

ঝড়ো হাওয়ায় বিচ্ছিন্ন
আবেগীয় অভিবাদন,
প্রদর্শিত প্রাণবন্তভাবে।

ঐশ্বরিক ভূগর্ভস্থ স্বর্গীয় নক্ষত্রগুলি,
সহজাত প্রদর্শন,
সময়ের জন্য।

জড়ানো চাঁদের আলোয়,
প্রতিফলিত পুনর্ব্যবহৃত রশ্মি,
একটি ঘুমন্ত সূর্যের।

স্মৃতির কুয়াশাচ্ছন্ন পলকে,
প্রিয়বিহীন
আরেকটি দিনের পতন,
বিরাজিত ঘন অন্ধকার,
বসন্ত ঝরনা ছাড়া।


মিথোজীবী

আহমেদ সাব্বির ||

আজকাল অনুভূতিগুলো মিথোজীবীর মতো,
কারো হৃদয় ধরে বেড়ে ওঠে।
আশ্রয় খোঁজে নিঃশ্বাসে।
আবেগগুলো রাখতে পলিথিন চায়।

পলিথিনে মোঁড়ানো আবেগ
খেয়ে বেঁচে থাকে,
স্বপ্নাতুর পুরুষ।
একাকিত্বকে বেলাগাম ভালোবেসে,
চুমু খায় সিগারেটে।

মিথোজীবীতাও দারুণ দূরত্ব,
প্রেমিকের যাবজ্জীবন লাগে।
অজগর পেঁচিয়ে ধরে গলা,
ছটফট আকাশের দিকে ঠেলে দেয়।

তবুও নির্জন কারাবাস কাটিয়ে,
প্রেমিক প্রেমেই সত্য খোঁজে।
এক নিঃস্বার্থ নির্লজ্জের মতো।

জেলের মিলে আবেগী পোলাও,
হৃৎপি-ের কাবাব দিয়ে বোধহয়
কয়েদি নম্বর ১০৮ আগেও খায়নি।













সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায়
‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর আরাফাতের ময়দান
বেশি ভাড়া রাখায় উপকূল পরিবহনকে জরিমানা
কুমিল্লায় সড়কে ঝরলো ৫ প্রাণ
কোরবানির পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে জমজমাট বেচাকেনা
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায়
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক
বেশি ভাড়া রাখায় উপকূল পরিবহনকে জরিমানা
লালমাইয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
দাউদকান্দিতে ১০ কি.মি দীর্ঘ যানজট
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২ | Developed By: i2soft