শনিবার ২৫ মে ২০২৪
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
রেল দুর্ঘটনা বাড়ছে
প্রকাশ: সোমবার, ৬ মে, ২০২৪, ১২:৫৭ এএম |

রেল দুর্ঘটনা বাড়ছে
যাত্রী নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী পরিবহন, যাত্রীপ্রতি পরিবেশদূষণ অত্যন্ত কম হওয়াসহ নানা কারণে সারা দুনিয়ায় গণপরিবহন হিসেবে ট্রেনের কদর বাড়ছে। বাংলাদেশেও যোগাযোগব্যবস্থায় রেলপথের অবদান ক্রমেই বাড়ছে। সিঙ্গল গেজ রেলপথকে ডুয়াল গেজ করা হচ্ছে। নতুন অনেক ইঞ্জিন কেনা হয়েছে।
উন্নতমানের বগি আমদানি করা হয়েছে। পুরনো রেলপথ মেরামতের পাশাপাশি নতুন নতুন রেলপথ স্থাপিত হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া বহু স্টেশন নতুন করে চালু করা হয়েছে। লোকবল বাড়ানো হয়েছে। তার পরও রেল পরিবহনে সমস্যার অন্ত নেই।
ওদিকে গত শুক্রবার গাজীপুরে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ তিনজন আহত হওয়ার খবর এসেছে গণমাধ্যমে। অনেক সময় সংকেত জটিলতায় এবং মানুষের ভুলেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার রেললাইনে সমস্যার কারণেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে।
রেলের মান ও লাইনের অবস্থা যাচাই করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা দেশে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার রেললাইন ও রেলপথের অবস্থা খুবই খারাপ। দেশের প্রায় অর্ধেক রেললাইন ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। গত শুক্রবার গাজীপুরে তেলের কনটেইনারবাহী একটি ট্রেনের সঙ্গে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন ও পাঁচটি বগি এবং তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও চারটি বগি দুমড়েমুচড়ে লাইনচ্যুত হয়।
২০১৯-২০ অর্থবছরের দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মোট ৮০টি দুর্ঘটনার মধ্যে ৭২টিই ঘটেছে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে।
রেলওয়ে পরিবহন এখনো সেভাবে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত চার বছরে ট্রেন দুর্ঘটনায় এক হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে, অথচ জানমালের ক্ষতিপূরণ নিয়ে কথা হচ্ছে না। দেশের পরিবহনব্যবস্থায় বাস, বিমান ও নৌযান-তিন খাতেই যানের জন্য বীমার প্রচলন রয়েছে। এতে অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পান পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। কিন্তু রেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহনে কোনো ধরনের বীমার ব্যবস্থা নেই। ফলে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে রেল কর্তৃপক্ষ যেমন কোনো ক্ষতিপূরণ পায় না, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রী বা তার পরিবারও প্রায় কোনো ক্ষতিপূরণই পায় না। সরকারের বরাদ্দ করা আর্থিক তহবিলও নেই।
অনেকে মনে করতে পারেন, রেলে দুর্ঘটনা সড়কের তুলনায় কম। হতাহতের সংখ্যাও সড়কের তুলনায় অনেক কম, কিন্তু ট্রেন দুর্ঘটনা বাড়ছে।
১৮৯০ সালের আইনে রেলওয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এই আইন বর্তমানের সঙ্গে কতটা মানানসই? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রেলের আইন অনেক পুরনো হওয়ায় ক্ষতিপূরণের সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে আইনের সংশোধনও জরুরি। নতুন আইনে ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ তহবিল তৈরি করা যেতে পারে। বীমা করার বিষয়টিও এখন প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।












সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ৯ মামলার আসামি অপু গ্রেফতার
সিম কার্ড কে আবিষ্কার করেছেন?
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু রোববার
যৌতুক না দেয়ায় সন্তানসহ স্ত্রীকে তাড়িয়ে দিলেন স্বামী!
আমরা দুজনই বেহায়া, জয়কে জায়েদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
আলোচনায় বসতে শিক্ষক সমিতিকে চিঠি দিলো কুবি প্রশাসন
আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন এক কসাই
গায়ে হলুদ শেষে নদীতে গোসলে নেমে বর নিখোঁজ
কৃতী সন্তানদের ভালোভাবে সম্মান করতে হবে
সাবেক আইজিপি, সেনাপ্রধান, কাউকে বাঁচাতে যাবে না সরকার: কাদের
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: [email protected]
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২ | Developed By: i2soft