
কুমিল্লার লাকসামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের অগ্নিকান্ডে বসতঘর, নগদ টাকা, স্বর্নালংকার, আসবাবপত্র পুড়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
অগ্নিকান্ডে বসতঘর ও আসবাপত্র পুড়ে যাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন ওই পরিবারটি।
ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার গভির রাতে উপজেলার মুদাফ্ফরগন্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামে। অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে স্থানীয় কয়েক জন যুবক আহত হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, লাকসাম উপজেলার মুদাফ্ফরগন্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত জহিরুল হকের ছেলে মানিক হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন,সাহাবুদ্দিন ও বোন জরিনা বেগম একই ঘরে পৃথক ভাবে বসবাস করতেন।
গত বুধবার প্রায় সোয়া ১২টার দিকে পাকের ঘরের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়ে সারা ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষনা শুনে এলাকার যুবকরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন উথান্ডুর নেতৃত্বে কয়েশ লোক জড়ো হয়ে বালতি, কলসি হাতে নিয়ে পুকুর ও জলাশয় থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আগুন নেবাতে গিয়ে ওই এলাকার বাবুল, বাশার, শাহজান, ইসমাইল, কাউছার,মালেক, খালেক, মমিন, পারভেজসহ বেশ কয়েকজন যুবক আহত হয়।
অগ্নিকান্ডে মানিক হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন, সাহাবুদ্দিন ও বোন জরিনা বেগমের বসতঘর, নগদ টাকা, স্বর্নালংকার, আসবাপত্র পুড়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। অগ্নিকান্ডে বসতঘর ও আসবাপত্র পুড়ে যাওয়ায় ওই পরিবারটি মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
ক্ষতিগ্রস্থ্যদের খাবার ও পুর্নবাসন সহায়তার জন্য আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন উথান্ডুর নেতৃত্বে সরকারি-বেসরকারী ও এলাকার ভিত্তবানদের নিকট সহায়তার আহবান জানানো হয়েছে।
অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে মুদাফ্ফরগন্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ সওদাগর, প্যানেল চেয়ারম্যান ইউনুছ মিয়া ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবুল হোসেন স্বপন ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।
এলাকাবাসী জানায় ঈদ উপলক্ষ্যে ছুটিতে আসা লোকজন বাড়ীঘর ও দোকানপাটে থাকায় কয়েশ লোক জড়ো হয়ে বালতি, কলসি হাতে নিয়ে পুকুর ও জলাশয় থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রনে না আনলে পুরা বাড়ী আগুনে পুড়ে যেত। আগুন নেবাতে গিয়ে আমাদের এলাকার বাবুল, বাশার, শাহজান, ইসমাইল, কাউছার, মালেক, খালেক,মমিন, পারভেজসহ বেশ কয়েকজন যুবক আহত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন উথান্ডু জানায় অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষনা শুনে এলাকার যুবকদের সাথে নিয়ে নিজেও আগুন নেবাতে নেমে পড়ি।
মুদাফ্ফরগন্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ সওদাগর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অগ্নিকান্ডের স্থান পরির্দশন করেছি।