
জমজমাট
বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফট হয়ে গেলো। প্লেয়ার ড্রাফট থেকে ৬টি ফ্রাঞ্চাইজি
তাদের দল চূড়ান্ত করেছে। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির তিনজন ক্রিকেটারকে
একসঙ্গে দলে নিয়েছে ঢাকা। অটো চয়েজ হিসেবে তারা নিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ
রিয়াদকে। ড্রাফট থেকে নিলো তামিম ইকবাল এবং মাশরাফি বিন মর্তুজাকে।
‘এ’
ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ৭০ লাখ টাকা করে। ঢাকার এই তিন
ক্রিকেটারের পেছনেই ব্যয় করেছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। সে হিসাবে এবারের
বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফটে সবচেয়ে বেশি খরুচে দল হওয়ার কথা ছিল ঢাকার।
কিন্তু
ড্রাফট শেষে দেখা গেলো সবচেয়ে বেশি খরুচে দল গঠন করেছে বরিশাল ফরচুন। সব
মিলিয়ে তারা দল গঠন করতে খরচ করেছে ৪ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বিদেশি
ক্রিকেটার কিনতেই তাদের খরচ হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। দেশি
খেলোয়াড় কিনতে খরচ হয়েছে ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
খরচের দিক থেকে কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্স রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। তারা মোট ৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়
করেছে খেলোয়াড় কেনার জন্য। বিদেশি খেলোয়াড় কিনতে তারা খরচ করেছে ৮৫ লাখ
টাকা। দেশি খেলোয়াড় কিনতে খরচ করেছে ৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
ঢাকা রয়েছে তিন
নম্বরে। তারা খরচ করেছে ৪ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিদেশি ক্রিকেটার
কিনতে খরচ করেছে ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দেশি ক্রিকেটার কিনতে খরচ করেছে ৩
কোটি ৫১ লাখ টাকা। দেশি ক্রিকেটারের পেছনেই সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে তারা।
এরপর
চার নম্বরে রয়েছে সিলেট সানরাইজার্স। তারা খরচ করেছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ২৫
হাজার টাকা। বিদেশি কিনতে খরচ করেছে ১ কোটি ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। দেশি
কিনতে খরচ করেছে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। চিটাগাং চ্যালেঞ্জার্স খরচ করেছে ৩
কোটি ৬ লাখ টাকা। বিদেশি কিনতে তারা খরচ করেছে ৬৮ লাখ টাকা এবং দেশি
ক্রিকেটার কিনতে খরচ করেছে ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
টাকা খরচের দিক থেকে
সবচেয়ে কৃপণতার পরিচয় দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। তারা মোট খরচ করেছে ২ কোটি ৮২
লাখ টাকা। বিদেশি ক্রিকেটার কিনতে তারা খরচ করেছে ৫১ লাখ টাকা এবং দেশি
ক্রিকেটার কিনতে খরচ করেছে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
বিপিএলে ছয় দল সম্মিলিতভাবে খেলোয়াড় কিনতে ব্যয় করেছে ২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা।