
সবার
আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে
ইংল্যান্ড। আজ সোমবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে
শ্রীলঙ্কাকে ২৬ রানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে মরগ্যান বাহিনী।
জস
বাটলারের অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে ১৬৩ রান
সংগ্রহ করে। জবাবে ১৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানের বেশি করতে
পারেনি শ্রীলঙ্কা।
চার ম্যাচ খেলে চারটিতেই জিতে ৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে
‘এ’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। ৩ ম্যাচ থেকে ৪
পয়েন্ট করে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ও অস্ট্রেলিয়া তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
১৬৪
রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভালো হয়নি। ১০.৫ ওভারের
মাথায় ৭৬ রান তুলতেই তারা হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। এক সময় মনে হয়েছিল বড়
ব্যবধানে হারতে যাচ্ছে লঙ্কানরা। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা আশা
জাগিয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাচটি শেষ করে আসতে পারেননি।
ব্যাট হাতে
শ্রীলঙ্কার হাসারাঙ্গা ২১ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন। ২
চার ও ২ ছক্কায় ১৮ বলে ২৬ রান করেন ভানুকা রাজাপাকসে। ২৬টি রান করেন
অধিনায়ক দাসুন শানাকাও। ১৩ বলে ২১ রান করেন চারিথ আসালঙ্কা।
বল হাতে ইংল্যান্ডের মঈন আলী, ক্রিস জর্ডান ও আদিল রশিদ ২টি করে উইকেট নেন।
তার
আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি
ইংল্যান্ডের। ১০ ওভারে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৩ উইকেটে ৪৭ রান। কিন্তু শেষ ১০
ওভারে তারা তোলে ১১৬ রান। আর সেটা সম্ভব হয় জস বাটলার ও ইয়ান মরগ্যানের
ব্যাটে ভর করে। মরগান ৪০ রান করে আউট হলেও বাটলারকে আউট করতে পারেননি
শ্রীলঙ্কার বোলাররা। তিনি ৬৭ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ১০১ রানে। যা তিনি ৬টি
চার ও ৬ ছক্কায় করেন। এটা ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও আন্তর্জাতিক
টি-টোয়েন্টিতে তার প্রথম সেঞ্চুরি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম উইকেটে
জ্যাসন রয় ও জস বাটলার তোলেন ৮ বলে ১৩ রান। দ্বিতীয় উইকেটে দাওয়িদ মালান ও
বাটলার তোলেন ২২ বলে ২১ রান। তৃতীয় উইকেটে জনি বেয়ারস্টো ও বাটলার ২ বলে
তোলেন ১ রান।
এরপর ঝড় তোলেন বাটলার ও ইয়ান মরগান। চতুর্থ উইকেটে তারা
দুজন ৭৮ বলে তোলেন ১১২ রান। যার মধ্যে মরগান করেন ৪০। আর বাটলার ৬৮। শেষ ১০
বলে মঈন আলী ও বাটলার তোলেন অপরাজিত ১৬ রান। তাতে ১৬৩ রানের বড় সংগ্রহ পায়
ইংল্যান্ড।
বল হাতে শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৪ ওভারে ২১ রানের
বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন দুশমান্থে চামিরা। অনবদ্য সেঞ্চুরি
করে ম্যাচসেরা হন বাটলার।