প্রাইম ব্যাংককে থামিয়ে জয়ে ফিরলো আবাহনী
Published : Monday, 14 June, 2021 at 12:00 AM
টানা
৪ জয়ের পর ঢাকা লিগে দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক। আগের
ম্যাচে মোহামেডানের বিপে হারের পর জয়ে ফিরলো আবাহনী। বৃষ্টিবিঘিœত ম্যাচে
রোববার প্রাইম ব্যাংককে ৩০ রানে হারিয়েছে শিরোপাধারীরা।
২২ গজে আবাহনীর
ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার যে ঝড় তুলেছিলেন প্রাইম ব্যাংকের তামিম ইকবাল জবাব
দিচ্ছিলেন সেভাবেই। কিন্তু মুনিম ছিলেন অনেক ভালো। তামিম মোটামুটি। তাতে
শেষ হাসিটা হেসেছে আবাহনীর মুনিম। তামিমের প্রাইম ব্যাংক পারলো না
শিরোপাধারীদের সঙ্গে লড়াইয়ে।
মুনিমের ব্যক্তিগত ও লিগের সর্বোচ্চ ৯২
রানের ইনিংসে ভর করে মিরপুরে আবাহনী ৩ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে। জবাবে
বৃষ্টিবিঘিœত ম্যাচে ১৯ ওভারে প্রাইম ব্যাংকের ল্য ১৭৪ রান। সেই রান তাড়া
করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৪৩ রানের বেশি করতে পারেনি প্রাইম ব্যাংক। তামিম ৪১
বলে করেছিলেন ৫১ রান। বৃথা যায় তার ফিফটি।
ম্যাচ হারলেও শীর্ষস্থান
অুণ্ন রেখেছে প্রাইম ব্যাংক। ৮ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা শীর্ষে।
সমান ম্যাচে সমান জয় ও পরাজয়ে আবাহনীর পয়েন্টও ১২। রান রেটে এগিয়ে প্রাইম
ব্যাংক শীর্ষে।
আবাহনীর ইনিংস একাই টেনেছেন মুনিম। ডানহাতি ওপেনার ৫০
বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় ৯২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। এ ইনিংস সাজানোর পথে
জীবন পেয়েছিলেন দুই বার। ২০ রানে তার স্টাম্পিংয়ের আবেদন নাকচ করে দেন
আম্পয়ার। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যাচ্ছিল আউট হয়েই গিয়েছিলেন তিনি। এরপর ৪৩
রানে লং অনে তার ক্যাচ ছেড়ে ছক্কা বানান নাঈম হাসান। ওই ছক্কার পরের বলে এক
রান নিয়ে ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুনিম।
ময়মনসিংহের এ
ব্যাটসম্যান লিগে দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন। ধারাবাহিক রান পাওয়ার পাশাপাশি
নিজের আগ্রাসনও দেখাচ্ছেন। তিনে নামা শান্ত ২১ বলে করেন ৩০ রান। এছাড়া নাঈম
শেখ ২৯, মুশফিক ১৪ ও আফিফ ১৩ রান করেন। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ৩৮ রানে ২
উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।
ল্য তাড়ায় তামিম শুরু থেকেই ছিলেন মারমুখী।
উইকেটের চারপাশে দারুণ শটে দ্রুত রান তোলেন তিনি। তবে আরেকপ্রান্তের
ব্যাটসম্যান আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন। রনি তালুকদার (৪), এনামুল হক বিজয়
(১১) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। তামিম হাফ সেঞ্চুরির পর আগ্রাসন বাড়াতে গিয়ে আউট
হন আরাফাত সানীর বলে। ৪১ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৫ রান করেন তিনি।
এরপর
বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচ বন্ধ থাকে দীর্ঘণ। প্রাইম ব্যাংক বৃষ্টির পর ৩ ওভারে
৫৭ রানের ল্য পায়। সেই লড়াইয়ে মিথুন খানিকটা আশার আলো দেখালেও স্কুপ করে
সাকিবের বলে বোল্ড হলে প্রাইম ব্যাংকের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ২৭ বলে ৩ চার
ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করেন তিনি। শূন্য রানে বিপ্লবের হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে
বেঁচে গিয়েছিলেন মিথুন।
আবাহনীর হয়ে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন তানজিব হাসান সাকিব ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।