চ্যালেঞ্জটা লেমোসের ও আমাদেরও: তপু
Published : Saturday, 30 October, 2021 at 12:00 AM
দ্বিতীয়
দিনের অনুশীলন শেষে শ্রীলঙ্কার চার জাতি টুর্নামেন্ট নিয়ে নিজের ভাবনা
জানালেন তপু বর্মন। অভিজ্ঞ এই ডিফেন্ডার মনে করেন, এ সফর কেবল
অন্তর্বতীকালীন কোচ মারিও লেমোসের জন্য নয়, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পোড় খাওয়া
দলের জন্যও চ্যালেঞ্জের।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার দল
দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন সেরেছে বটে। কিন্তু বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন
(বাফুফে) এখনও কোচের হাতে পুরো দল তুলে দিতে পারেনি! সর্বশেষ সাদউদ্দিন ও
ইয়াসিন খান যোগ দেওয়ায় ক্যাম্পে ফুটবলারের সংখ্যা ১৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬
জন। এখনও বাইরে তিন জন-মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, বিপলু আহমেদ ও মাশুক মিয়া
জনি!
প্রিমিয়ার লিগ, এএফসি কাপ, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩
বাছাই-সব মিলিয়ে খেলোয়াড়রা আছে টানা খেলার মধ্যে। তবে ক্যাম্পে সবাইকে
একসঙ্গে পেলে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি আরও ভালো হতো বলে মনে করেন তপু।
তিনি
বলেন, “আজ (গতকাল) অধিকাংশ ফুটবলার ছিল। এদিকে অনুর্ধ্ব-২৩ দলে কিছু
খেলোয়াড় আছে। তারা যোগ দিলে ২২-২৩ জনের স্কোয়াড হয়ে যায়। তারা কিন্তু খেলার
মধ্যেই আছে। তবে অবশ্যই একটা টিম কোনো টুর্নামেন্ট খেলার আগে সবাই এক সাথে
অনুশীলন করলে বেনিফিট পায়, কম্বিনেশন ভাল থাকে। ওরাও খেলে আসবে আমরাও সাফ
খেলে এসে বিশ্রামে থেকে আবার যোগ দিলাম। আমি মনে করি ভালোই হবে। “একটা
টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি যদি ভালো হয়, তবে সেখানে ভালো করা
যায়। কিন্তু দেখুন, আমরা একের পর এক খেলার মধ্যেই ছিলাম। ম্যাচ খেলতে
ফিটনেস লাগে, সেটা কিন্তু আমাদের সবার মধ্যে যথেষ্ট আছে।”
মাস দেড়েকের
মধ্যে এ নিয়ে তৃতীয় কোচ পেল জাতীয় দল। জেমি ডের ‘ছুটির’ পর সাফে দায়িত্ব
পান বসুন্ধরা কিংস কোচ অস্কার ব্রুসন। এই স্প্যানিশ কোচের হাত ধরে
প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় আপাতত দায়িত্ব উঠেছে আবাহনী কোচ লেমোসের কাঁধে। এর
আগে অবশ্য জাতীয় দলের ফিটনেস কোচ ছিলেন তিনি। লেমোসের সঙ্গে মানিয়ে নিতে
তাই অসুবিধা দেখছেন না তপু।
তিনি বলেন, “মারিও যখন ফিটনেস ট্রেইনার ছিল
তখন আমি তার সাথে কাজ করেছি। আবাহনীতেও তার সাথে এক মৌসুম খেলেছি। তিনি
কিন্তু আমার পরিচিত কোচ। ওর ট্যাকটিকস এবং টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো আমরা
সবাই জানি। লিগেও লেমোস দুই-তিন বছর কাজ করছে। তার ফরমেশন, প্লেয়িং স্টাইল
সবই জানি। এর আগে সাফে অস্কারের অধীনে ছিলাম, সেও কিন্তু ক্লাবের কোচ ছিল।
তার সঙ্গে আমরা মানিয়ে নিতে পেরেছিলাম, আশা করি, মারিওর সঙ্গেও মানিয়ে নিতে
পারব।”
আবাহনী কোচ হিসেবে ফেডারেশন কাপ জিতেছেন লেমোস। এএফসি কাপের
জোনাল সেমি-ফাইনালও দলটি খেলেছে তার অধীনে। এই প্রথম জাতীয় দলের প্রধান কোচ
হয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ। তবে শ্রীলঙ্কা সফর কেবল কোচের জন্য নয়,
খেলোয়াড়দের জন্যও চ্যালেঞ্জের বলে মনে করেন তপু।