ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
জীবনবোধ ও জীবনদর্শন
Published : Wednesday, 24 August, 2022 at 12:00 AM
জীবনবোধ ও জীবনদর্শনজুলফিকার নিউটন ।।

পূর্বে প্রকাশের পর২৮
মানুষ মানুষের মধ্যে থাকতে ভালোবাসে। সে সঙ্গীদের মধ্যে আশ্বস্ত থাকতে চায়। কেউ কেউ হয়তো এর ব্যতিক্রম থাকতে পারে যারা একাকী থাকতে চায়, কিন্তু আমরা স্কুল এবং কলেজ জীবনে সকলের মধ্যে একটি কোলাহল-বিচিত্রিত সময়ে বাস করতে ভালোবাসতাম। আমরা মানুষ হিসাবে মানুষকে ভালোবাসি বলেই মানুষের সঙ্গ কামনা করি কিনা, সে দার্শনিক বিশ্লেষণ তখন আমাদের মধ্যে জাগে নি। কিন্তু কলেজে যাবার জন্য ব্যাকুল হতাম, বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলে অস্থির লাগতো। তখন সংসার ধর্ম ছিল , সুতরাং সংসারের কোনো কর্তব্য কর্মও আমাদের ছিল না। শুধু ছিল পাঠচর্চা আর অবসর সময়ে বন্ধুদের সঙ্গ। বড় হয়ে ভেবেছি, মানুষের প্রতি আমাদের কর্তব্য আছে। কিন্তু ছাত্রজীবনে কর্তব্যের কথা ভাবি নি, সম্মিলিত জীবনের আনন্দের অর্ঘ্যের কথা ভেবেছি। এই সম্মিলিত জীবনের মধ্যে হিন্দু ছিল, মুসলমান ছিল। আমাদের দৃষ্টিতে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে কোনো ব্যবধান ছিল না।
শৈশবে এবং কৈশোরে পিতা-মাতা এবং পরিবার পরিজনবর্গের ধর্মীয় পরিমণ্ডলের মধ্যে মানুষ হয়েছিলাম। ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ইতিহাস আমাদের শৈশব এবং কৈশোর জীবনকে পরিশুদ্ধ রেখেছিল এবং আমরা মানুষকে মানুষ হিসাবে বিবেচনা করতে শিখেছিলাম। আমাদের গৃহে হিন্দুদের আগমন ছিল অবাধ, বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে কয়েকজন ছিলেন হিন্দু ব্রাহ্মণ। এরা আমাদের বাড়িতে খাদ্যগ্রহণ করেছেন। আচরণের দিক থেকে মানুষে মানুষে যত পার্থক্যই থাকুক বিশ্বাসের একটি নিবেদনের মধ্যে হিন্দু-মুসলমানের ব্যবধান দূর হয়ে গিয়েছিল।
আমরা আমাদের শৈশব থেকেই নজরুল ইসলামের কবিতার বলিষ্ঠ উচ্চারণ শুনেছি। বাংলা সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের প্রবল অধিকার থাকা সত্ত্বেও নজরুল ইসলামকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল বলে সহজেই ভাবতে পেরেছিলাম। তাছাড়া নজরুল ইসলাম এসেছিলেন আমাদের বিশ্বাসের অঙ্গন থেকে। তাই তাকে সহজেই আপন করে নেয়া আমাদের পক্ষে অসুবিধা ছিল না।
বিধাতার অস্তিত্বে কখনও সংশয় জাগে নি। প্রকৃতির মধ্যে আমি বিশ্বাসকে খুঁজে পেয়েছিলাম। দৃষ্টির আনন্দের মধ্যে যেমন বিস্ময়ের উন্মোচন ঘটে, তেমনি বিশ্বাসের। সেজন্যই ইয়েটস লিখেছিলেন, বুদ্ধি ও যুক্তিবাদীরা কোন কিছুই জানে না-জানে না যা আছে তাকে অথবা যা ঘটতে যাচ্ছে এবং যে জানে তাকেও তারা জানে না এবং জানে না। জানবার সামগ্রিকে সুতরাং ইয়েটস বিশ্বাসকে অবলম্বন করেছিলেন ‘আমার তৃপ্তি উৎসকে অনুসরণ করার মধ্যে/সকল ঘটনার উৎস তা সে কর্মের হোক/অথবা বুদ্ধির/ভাগ্যকে মেনে নেই, আপন ভাগ্যকে ক্ষমা করি।/এবং যখন দুঃখকে উড়িয়ে দেই/আমার চিত্তে বিশ্বস্ত প্রশান্তি বয়ে যায়-আমাদের উচিত হেসে ওঠা এবং গান গেয়ে ওঠা।/সমস্ত কিছুই আমাদের জন্য আশীর্বচনের মতো/সমস্ত কিছুই আমাদের দৃষ্টিতে পবিত্র শুদ্ধ।
মানুষের আনন্দ বোধ হয় তখনই যখন সে রাত্রিতে একাকী তার বিশ্বাস নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে এবং বিনম্র শিথিলতায় জেগে ওঠে ঊষালগ্নের সূর্যোদয়কে দেখে। ক্রমান্বয়ে আলো ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে এবং সকল অপ্রকাশ বিশ্বাসের মাধুর্যে স্বপ্রকাশ হয়।
মানুষের জীবনে মাঝে মাঝে রহস্যময়তা নামে এবং কখনও কখনও রোমাঞ্চ তাকে স্পর্শ করতে চায়। এগুলো কখনও প্রত্যাশিত থাকে না কিন্তু যৌবনের যাত্রারম্ভে এগুলো। তৈরী হয় কখনও কল্পনায় কখনও বাস্তবে। বয়স কম বলেই হয়তো এবং অভিজ্ঞতা কম। বলেই হয়তো আমরা যৌবনের কিছু লীলা চাঞ্চল্যকে রোমাঞ্চ বলে মনে করি এবং রহস্যময়তা এসেছে বলে উফুল্ল হই। পশ্চাতের দিকে দৃষ্টিপাত করে আমি অতীতের প্রেক্ষাপটে অনেক কিছু আজ দেখছি যেগুলো এক সময় খুবই অভিনব মনে হয়েছিল। আমরা ভাষা যখন ব্যবহার করি তখন আপন অনুভূতিকে প্রকাশ করবার জন্য তা ব্যবহার করি অথবা অন্য লোকের মনোরঞ্জনের জন্য তা ব্যবহার করি অথবা কোনও ঘটনা বা অবস্থানকে বর্ণনা করবার জন্য তা ব্যবহার করি। এই তিনটি ব্যবহারের মধ্যে উচ্চারণগত এবং আঙ্গিকগত পার্থক্য আছে। আমি সর্বদাই আপন অনুভূতি প্রকাশকে গুরুত্ব দিয়েছি। আমরা প্রতিদিন সময় অতিক্রম করি দিন চলে যায় রাত্রি আসে, আবার রাত্রি চলে যায় দিন আসে। এভাবে কালস্রোতের ধারায় আমরা সময়কে হারাই। একমাত্র অনুভূতি এবং উপলব্ধির সাহায্যেই সময়ের এই পরিবর্তনটি বোধের আয়ত্তে আসে।
বৃষ্টি যেমন ভূমিকে নিষিক্ত করে, বৃষ্টি তেমনি প্রচণ্ড আবেগে একপ্রকার প্রমুক্ততায় সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। বৃষ্টি একদিকে যেমন সৃষ্টিকে সজীব এবং উৎফুল্ল করে তেমনি আবার অন্যদিকে সৃষ্টিকে ধ্বংস করে। ভূ-প্রকৃতি এই ধ্বংস এবং উজ্জীবন লীলার মধ্যে প্রাণ পায় সমৃদ্ধি পায় এবং উর্বরা শক্তিতে প্রাণদ হয়। মানুষের যৌবনকে আমি বৃষ্টির সঙ্গে তুলনা করেছি। শৈশবকালটি প্রবাহিত নদীর মত। আমার কিছু করবার ছিল না তখন আমি শুধু প্রবাহিত হয়েছি। আমার প্রবহমানতাকে রক্ষা করেছেন আমার পিতামাতা এবং আত্মীয়স্বজন। আমি চতুর্দিকে দৃষ্টিপাত করে মানুষের যাত্রা অবগাহন এবং আনন্দকে দেখেছি। সে সময় আমি দর্শকমাত্র। কিন্তু যৌবন যখন এল এবং যখন পিতা মাতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আপন ভূপৃষ্ঠে দণ্ডায়মান হলাম তখন সময় একটি বৃষ্টির তাৎপর্যে নিষিক্ত করল। আমি এখানে সে সময়ের কথাই বললাম। এ সময় আমার জীবনে প্রেম এসেছিল, অভিমান এসেছিল, বিশৃংখলায় বিলুপ্ত হবার সম্ভাবনা এসেছিল আবার বিশ্বাসের চৈতন্যে আত্মস্থ হবার শক্তি এসেছিল। বহুদিন পর কল্লোলিত সে অতীতের বর্ণনায় আমি বর্ণনার ধারাক্রম রক্ষা করতে পারি নি। বিক্ষিপ্তভাবে এবং বিচ্ছিন্নভাবে যে দৃশ্যগুলো আমার চোখের সামনে উঘাটিত হয়েছে তাকেই আমি বর্ণনা করেছি। অনেকের কথা বাদ পড়েছে যারা আমার জীবনে পর্যাপ্ত আনন্দ এনেছিল। কিন্তু যেহেতু আমার নিজস্ব বিশ্বাসের পরিমণ্ডল নির্মাণের ক্ষেত্রে তাদেরকে আমার প্রয়োজন হয়নি তাই হয়ত তাদের কথা বাদ পড়েছে। আমি যদি মিডিয়া জগতের উচ্ছলতার মধ্যে নিজেকে পুরোপুরি নিঃশেষ করতাম তাহলে সে রাজ্যে আমার একটি অধিগম্যতা নির্মিত হত। কিন্তু যেহেতু সে রাজ্যকে আমি পশ্চাতে ফেলে রেখে এসেছিলাম তাই সেখানকার জীবন আমার পরবর্তী জীবনের সঙ্গে সাযুজ্য আর রক্ষা করে নি।
জীবনে যারা আসে এবং জীবনে যারা যায় তারা সকলেই যে চিহ্নিত থাকে তা নয়। লোকালয়ে অজস্র মানুষ থাকে, সকলের মধ্য দিয়েই আমরা যাত্রা করি। কিন্তু সকলকেই ছুঁয়ে যাই একথা বলতে পারি না। জীবনে কারও সঙ্গে হয়ত বেশি সময় কাটিয়েছি আবার কারও সঙ্গে কম। কিন্তু যার সঙ্গে বেশি সময় কাটালাম সে হয়তো আমাকে একেবারেই প্রভাবিত করলো না, আবার যার সঙ্গে কম সময় কাটালাম সে হয়তো বেশিই প্রভাবিত করলো। স্মৃতি নিজস্ব প্রথায় তার নিজের কাজ করে যায়-যাকে ধরে রাখার ধরে রাখে, যাকে ভুলে যাবার তাকে হারিয়ে ফেলে। আমার জীবনে বহু লোক এসেছে, আমার স্মৃতি কিছু লোকের কথা ধারণ করে আছে। যাদের কথা ধারণ করে আছে তাদের কথাই আমি বলতে পারছি। আবার যাদের কথা স্মরণ করতে পারছি না, তাদের কথা হারিয়ে ফেলছি।
আমার জীবনে রমণী এসেছে অনেক। দূর থেকে কাউকে দেখে ভাল লেগেছে, কারও চোখের দৃষ্টি আকাক্ষিত এবং মধুর মনে হয়েছে, কারও পিছনে ফিরে চলা আমাকে হয়তো উত্ত্যক্ত করেছে, কারও কথা বলা ভাল লেগেছে, কারও নাকের হীরার দ্যুতি এখনও আমার চোখে ভাসে। ভিন্ন ভিন্নভাবে এরা কেউ আমার একান্ত প্রেয়সী ছিল না। প্রেমের কথাটি এখানে গৌণ, ভাল লাগার কথাটাই এখন মুখ্য। পাবলো নেরুদা তার একটি কবিতায় লিখেছেন, রমণী তোমার কম্পিত সুগন্ধ করতালু দিয়ে আমাকে আচ্ছাদন কর। তখন সে কোন একজন বিশেষ রমণীর কথা বলছেন এটা বলব না, তখন তিনি তাঁর জীবনের সঞ্চয় থেকে একটি অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করেছেন এরকম বলা যেতে পারে। এ সব পুরনো কথা শৃংখলাবদ্ধভাবে স্মৃতিতে জাগে না। অনেক সময় অনেক পুরনো ঘটনা পুরোপুরি সুপ্ত থাকে, সময়মত মনে পড়ে না এবং যখন মনে পড়ে বৃত্ত বর্ণনার ধারাক্রমের মধ্যে আসে না। তবুও কিছু কথা আছে যেগুলো বলা প্রয়োজন। আমি এরকম অনেক কথা বিস্মৃতিতে হারিয়ে ফেলেছি, জীবনবৃত্ত বর্ণনার ধারাক্রমের মধ্যে সেগুলোকে আনতে পারি নি। এখন সেগুলো নতুন করে মনে পড়ছে। সঙ্গতিতে না আসুক, তবুও যেহেতু এগুলো আমারই কথা এবং আমারই জীবনের পরিচিতি নির্মাণে একসময় কার্যকর ছিল তাই সেগুলোর কয়েকটি এখন বলব।
জীবনে আনন্দও অবধারিত নয় বেদনাও নয়, উভয় অবস্থাই আমাদের বিশ্বাস এবং জিজ্ঞাসার প্রতিবর্ণীকরণমাত্র। অর্থাৎ আমরা চিত্তে যে অবস্থাকে লালন করতে চাই, আমাদের প্রতিদিনকার গতিবিধিতে তার চরিত্র প্রতিফলিত হয়। যদি এ সত্যকে স্বীকার করি যে আমাদের একান্ত নিভৃত ইচ্ছাতেই আমরা কখনও বেদনার্ত অথবা কখনও আনন্দিত, তাহলে বেদনা বিস্মৃতির জন্য সহানুভূতি যাচনা করব না বা আনন্দের সামাজিক বিস্তারের জন্য উচ্চকিত হব না। উভয় অবস্থায়ই আমাদের নিভৃত ইচ্ছার ফলরূপে বিদ্যমান থাকে। আমার বোনের দিকে তাকিয়ে এটাই আমার মনে হত।
সময়ের গতিবিধিতে আমরা কখনও কোনও নির্দিষ্ট বিন্দুতে বাস করি না, কিন্তু একটি অচল স্তব্ধতার মধ্যে বাস করছি ভেবে আমাদের সৃষ্টিতে সংকীর্ণ করে তুলি। নিরবধি পৃথিবীতে যে বিপুল কালের মধ্যে আমাদের সর্বস্ব প্রবাহিত সে কালের কল্পনা কি একটি কাল্পনিক খণ্ড স্তব্ধতার মধ্যে ধরা পড়ে? অনন্ত কালের অসম্ভব এবং অশেষ বিস্তারের মধ্যে। মানুষ হিসেবে আমার সাড়া তখনই অতুলনীয়, যখন আমি সমস্ত সময়ের সঙ্গে মিশ্রিত-অতীত এবং আগামীর সঙ্গে। আমার চিন্তার বর্তমান বলে কোন বস্তু নেই। একটি স্তব্ধ নিশ্চলতা কল্পনা করতে পারলে বর্তমানকে কল্পনা করা সম্ভবপর হত। কিন্তু সেখানে অলস মধ্যাহ্নে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকাও কর্মসাধনাহীন নিশ্চলতা নয় অথবা বিশ্রামের ইচ্ছায় অবসর-যাপনও কোনও সত্যিকার কর্মবিরতি নয়, সেখানে বর্তমান মুহূর্ত বলে কোনও কিছু থাকতে পারে কি? বুদ্ধিবৃত্তির শূন্যতা এবং অসহায় মানসিকতা থেকেই আমার প্রতি বিরূপতার সৃষ্টি। তবে কাল বিপুলা এবং পৃথ্বী নিরবধি। আমি বিপুলা কাল এবং নিরবধি পৃথ্বীর মধ্যে বাস করি। বর্তমান কাল আমার জন্য সর্বস্ব নয়। বর্তমানের মধ্যে আমার পদক্ষেপমাত্র। দীর্ঘ সময় যাত্রার মধ্যে অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যতকে অবলম্বন করে বেঁচে আছে।
আরও একটি বড় কথা হচ্ছে সত্যের কখনও মৃত্যু নেই। যে মানুষ শুধু বর্তমানের মধ্যে বাস করে তার কাছে সময় নেই বলেই তার এত ভয়, বিশ্বাস ও ঘৃণা। জীবনে এবং মৃত্যুতে পরিত্যক্ত হবে বলেই তারা সব ঈর্ষার মধ্যে বাস করে। আমি বিশ্বাস করি যে, জীবনের যাত্রা সুষম ও সুস্থ করতে হলে সম্পূর্ণ করতে হলে আমাদের সকলকে প্রেমে ও বৈরাগ্যে একত্রিত হয়ে পথ চলতে হবে। আমাদের জীবনে মমতার প্রয়োজন। মানুষের চরম অসহায়তা তখনই হয়, যখন সে অনুভব করে কেউ তাকে ভালবাসছে না। যে নিঃশ্বাসে আমাদের জীবন সচেতন, তা যদি প্রেমের নিঃশ্বাস না হয়, তাহলে প্রেমের অভিষেক হবে না। সর্বমুহর্তের জন্য এ প্রেমকে আমাদের গ্রহণ করতে হবে। শূন্যতায় ভীত হয়ে মমতাবোধে জীবনকে সম্পূর্ণ করতে হবে।
মানুষ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়, এক অবস্থায় কখনও অক্ষয় থাকে না। মহাত্মা গান্ধী একেই বলেছিলেন সত্যকে নিয়ে পরীক্ষা। সত্যকে আবিষ্কার করতে মানুষ জীবনে অনেক পর্যায় অতিক্রম করে। এক সময় সত্য যেভাবে প্রতিভাত হয় অন্য সময় সেভাবে নয়। আমার নিজের জীবনে এর পরিচয় আমি বহুবার পেয়েছি।
চলবে...