সালাহকে হারিয়ে আফ্রিকার বর্ষসেরা মানে
Published : Saturday, 23 July, 2022 at 12:00 AM
তাদের ‘লড়াই’ আফ্রিকান বর্ষসেরার মঞ্চকে করে তুলেছিল আরও আকর্ষণীয়। চূড়ান্ত লড়াইয়ে তিনজন থাকলেও সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহই এগিয়ে ছিলেন পুরস্কারটির দৌড়ে। তাদের মধ্যে কে জিতবেন আফ্রিকার সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব, সেটি জানার আগ্রহ ছিল চরমে। মরক্কোর রাজধানী রাবাতের জমকালো অনুষ্ঠানে জানা গেলো বিজয়ীর নাম। সালাহ ও জাতীয় দল সেনেগালের সতীর্থ গোলকিপার এদুয়ার্দ মেন্দিকে হারিয়ে আফ্রিকার সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন মানে।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বার পুরস্কারটি জিতলেন বায়ার্ন মিউনিখ ফরোয়ার্ড। ২০১৯ সালেও জিতেছিলেন সেরার খেতাব। করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর আফ্রিকান বর্ষসেরা দেওয়া হয়নি। সে হিসাবে টানা দ্বিতীয়বার পুরস্কারটি জিতলেন মানে।
গত মাসেই লিভারপুল ছেড়েছেন সেনেগালের এই ফরোয়ার্ড। ৪১ মিলিয়ন ইউরোতে তিন বছরের চুক্তি করেছেন তিনি বায়ার্ন মিউনিখে। লিভারপুলে থাকার সময় সালাহর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঝড় তুলেছেন তিনি। তাদের রসায়নে অ্যানফিল্ডে ফিরেছে সাফল্য। গত মৌসুমে মানে-সালাহর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এফএ কাপ ও লিগ কাপের শিরোপা জিতেছে লিভারপুল। তবে চ্যম্পিয়নস লিগ ও প্রিমিয়ার লিগ শেষ করতে হয় রানার্স-আপ হয়ে।
ক্লাবে একসঙ্গে খেললেও জাতীয় দলে তারা ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী। আফ্রিকান নেশনস কাপে সালাহর মিশরকে হারিয়েই শিরোপা জেতে মানের সেনেগাল। ফাইনালে টাইব্রেকারে মানের পেনাল্টি থেকে জয় নিশ্চিত হয় সেনেগালের। জাতীয় দলের হয়ে এই সাফল্য আফ্রিকার বর্ষসেরার লড়াইয়ে এগিয়ে রেখেছিল বায়ার্ন ফরোয়ার্ডকে। শেষ পর্যন্ত তার হাতেই উঠেছে পুরস্কারটি।
প্রাক মৌসুম প্রস্তুতিতে ওয়াশিংটনে প্রীতি ম্যাচ ছিল বায়ার্নের। ডিসি ইউনাইটেডের বিপক্ষে জার্মান ক্লাবটির ৬-২ গোলে জেতার ম্যাচে একটি লক্ষ্যভেদও করেছেন মানে। ওই ম্যাচ শেষ করে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে মানে মরক্কোর রাজধানীতে পৌঁছান বর্ষসেরার পুরস্কার নিতে। পুরস্কার হাতে তিনি বলেছেন, ‘এই পুরস্কারটি আবার হাতে নিতে পেরে আমি সম্মানিত ও আনন্দিত। আমার কোচদের, আমার ক্লাব ও জাতীয় দলের সতীর্থদের এবং যে সব বন্ধু আমাকে খারাপ সময়ে সমর্থন দিয়েছে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’