Published : Thursday, 19 May, 2022 at 12:00 AM, Update: 19.05.2022 1:04:43 AM

কুবি প্রতিনিধি:
ঈদের
ছুটির পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) সংলগ্ন হোটেলগুলোতে খাবারের দাম
বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। ছুটির পর আবাসিক হলগুলোতে মিল চালু না
হওয়ায় বাধ্য হয়েই এসব হোটেলে উচ্চমূল্যে খাবার খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
তবে হোটেলগুলোতে খাবারের দাম বাড়লেও মান বাড়েনি বলে অভিযোগ করেছেন
শিক্ষার্থীরা। আবার হোটেলগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে হওয়ায় কর্তৃপক্ষেরও
কিছু করার নেই বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
হোটেলগুলোতে
ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি খাবারের দাম ঈদের আগের দাম থেকে ৫ থেকে ২০ টাকা
পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঈদের আগের পাঁচ টাকা দামের পরোটার মূল্য হয়ে
গেছে ১০ টাকা, ১৫ টাকার ডিম ভাজি ২৫ টাকা, ৪০ টাকার মুরগী ৫০ টাকা, ৩০
টাকার মাছ ৫০ থেকে ৭০ টাকা ও ৬০ টাকার গরুর মাংস (হাফ) ৮০ থেকে ৯০ টাকা
হয়েছে।
হলের ডাইনিং বন্ধ থাকায় হোটেল মালিকরা দাম বাড়িয়ে দিলেও বাধ্য
হয়েই উচ্চমূল্যে খাবার খেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া
হোটেলগুলোতে খাবারের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী
মধ্যবিত্ত পরিবারের। প্রতিদিন উচ্চমূল্যে খাবার খেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে
তাঁদের। ভোগান্তি কমাতে অতিদ্রুত হলের ডাইনিং চালু করা জরুরি।
সাইফুল
ইসলাম নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, হোটেলগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় সাত হাজার লোকজন
খাওয়া-দাওয়া করে। এদের লাগাম টেনে ধরতে প্রশাসনের উচিৎ হোটেলগুলোতে খাবারের
মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন
বলেন, সারাবিশ্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে হয়তো হোটেলেও খাবারের দাম
বৃদ্ধি পেয়েছে। হোটেলগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে হওয়ায় তাদের মূল্য
নির্ধারণ করে দেওয়ারও কোনো এখতেয়ার নেই আমাদের।