সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
Published : Monday, 11 April, 2022 at 12:00 AM
সৈয়দ ফারুক হোসেন ||
অতি আনন্দের সংবাদ এই যে, সরকারি চাকরিজীবীদের বাইরেও দেশের নাগরিকদের পনশনব্যবস্থার আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে, আগামী এক বছরের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করা। দেশের ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী নাগরিকদের যে কেউ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ চাঁদা হিসেবে জমা দিয়ে এই পেনশন সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। সর্বনিম্ন মাসিক ফির পরিমাণ ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। মোবাইলে আর্থিক পরিষেবা (এমএফএস) ও এজেন্ট ব্যাংকিংসহ সব অনলাইন পদ্ধতিতে এই ফি পরিশোধ করা যাবে। কৌশলপত্রে অর্থ বিভাগ থেকে প্রধান তিনটি লক্ষ্যসংবলিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রবর্তনের কথা বলা হয়। প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো বৃদ্ধ বয়সে কর্মরত জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মানকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে রাখা; নিম্নআয়ের মানুষের সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করা এবং একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এনে তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা; এবং ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে একীভূত করে সেটিকে বিনিয়োগে রূপান্তর করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার মাধ্যমে মূলধন সঞ্চয়কে উৎসাহিত করা। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ৪০ মিলিয়নের ওপরে পৌঁছতে পারে। ২০২০ সালে এই বয়সী মানুষের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ মিলিয়ন। অর্থাৎ পরবর্তী তিন দশকের প্রতি দশকে ১০ মিলিয়ন মানুষ বয়স্ক নাগরিকের কাতারে নাম লেখাবেন। এর আগে আইন ও বিধি প্রণয়ন এবং তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ গঠন করবে সরকার। প্রস্তাবিত সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে, ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব কর্মক্ষম নাগরিক সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরাও এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের আপাতত নতুন জাতীয় পেনশনব্যবস্থার বাইরে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় পরিচয়পত্রকে ভিত্তি ধরে দেশের ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব নাগরিক পেনশন হিসাব খুলতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এ পদ্ধতি স্বেচ্ছাধীন থাকবে, যা পরবর্তী সময়ে বাধ্যতামূলক করা হবে। ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়া সাপেক্ষে মাসিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি আলাদা পেনশন হিসাব থাকবে। ফলে চাকরি পরিবর্তন করলেও পেনশন হিসাব অপরিবর্তিত থাকবে। সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। তবে এ ক্ষেত্রে কর্মী বা প্রতিষ্ঠানের চাঁদা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে দেবে। মাসিক সর্বনিম্ন চাঁদার হার নির্ধারিত থাকবে। তবে প্রবাসী কর্মীরা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে চাঁদা জমা দিতে পারবেন। সুবিধাভোগীরা বছরে ন্যূনতম বার্ষিক জমা নিশ্চিত করবেন। অন্যথায় তার হিসাব সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যাবে এবং পরবর্তী সময়ে বিলম্ব ফিসহ বকেয়া চাঁদা দেওয়ার মাধ্যমে হিসাব সচল করতে হবে। সুবিধাভোগীরা আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে চাঁদা হিসেবে বাড়তি অর্থ (সর্বনিম্ন ধাপের অতিরিক্ত যে কোনো অঙ্ক) জমা করতে পারবেন। পেনশনের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা অর্থাৎ ৬০ বছর পূর্তিতে পেনশন তহবিলে পুঞ্জীভূত লভ্যাংশসহ জমার বিপরীতে নির্ধারিত হারে পেনশন দেওয়া হবে। পেনশনধারীরা আজীবন অর্থাৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পেনশনসুবিধা ভোগ করবেন। নিবন্ধিত চাঁদা জমাকারী পেনশনে থাকাকালীন ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে জমাকারীর নমিনি বাকি সময়কালের (মূল জমাকারীর বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন। পেনশন কর্মসূচিতে জমা করা অর্থ কোনো পর্যায়ে এককালীন উত্তোলনের সুযোগ থাকবে না। তবে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জমা করা অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে উত্তোলন করা যাবে, যা সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার আগে নিবন্ধিত চাঁদা দানকারী মারা গেলে জমা করা অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেওয়া হবে। পেনশনের জন্য নির্ধারিত চাঁদা বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করে কর রেয়াতের জন্য বিবেচিত হবে এবং মাসিক পেনশন বাবদ প্রাপ্ত অর্থ আয়করমুক্ত থাকবে। এ ব্যবস্থা স্থানান্তরযোগ্য ও সহজগম্য অর্থাৎ কর্মী চাকরি পরিবর্তন বা স্থান পরিবর্তন করলেও তার অবসর হিসাবের স্থিতি, চাঁদা প্রদান ও অবসরসুবিধা অব্যাহত থাকবে। নিম্ন আয়সীমার নিচের নাগরিকদের ক্ষেত্রে পেনশন কর্মসূচিতে মাসিক চাঁদার একটি অংশ সরকার অনুদান হিসেবে দিতে পারে। পেনশন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ব্যয় সরকার নির্বাহ করবে। পেনশন কর্তৃপক্ষ তহবিলে জমা করা টাকা নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বিনিয়োগ করবে (সর্বোচ্চ আর্থিক রিটার্ন নিশ্চিতকরণে)। এই সুবিধা পেতে হলে কমপক্ষে ১০ বছর ধরে মাসিক চালিয়ে নিতে হবে। তবে এই পেনশনে নাম অন্তর্ভুক্ত করানো বাধ্যতামূলক করা হবে না।
বাংলাদেশের পেনশন ব্যবস্থা একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হলেও তা অত্যন্ত সংকীর্ণ, বৈষম্যপূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ। এটা সংকীর্ণ এই কারণে যে, এই ব্যবস্থায় কেবল সরকারি কর্মচারী ও স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাই অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে পেনশন কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশের পেনশন ব্যবস্থার লক্ষ্যও তা-ই। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে জনসংখ্যা, অর্থনীতি, শ্রমবাজার ও মানুষের জীবন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশের পেনশন ব্যবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফলে এই পদ্ধতি বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতের সঙ্গে বেশ অসংগতিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ যারা তাদের কর্মজীবনে দেশের অর্থনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, তাদের শেষ জীবনের আর্থিক নিরাপত্তা বিধান বা সহায়তা প্রদান যদি পেনশন ব্যবস্থার লক্ষ্য হয়, তবে সেই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের পেনশন ব্যবস্থা সামান্যই সক্ষম। ৬০ বছর বয়সে অবসর নেওয়ার পর পেনশন হিসেবে এককালীন অর্থ পাওয়াসহ প্রত্যেক নাগরিক তার নিজের কন্ট্রিবিউশন অনুযায়ী আজীবন মাসিক পেনশন সুবিধা পাবেন। আর সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্তির পর কেউ মারা গেলে তার পরিবারের সদস্যরা সুবিধা পাবেন। পেনশন তহবিলে নাগরিকদের চাঁদা হিসেবে জমা দেওয়া তহবিল সরকার ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগের পাশাপাশি সরকারের লাভজনক অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা হবে। এতে সরকারের ব্যাংক ঋণনির্ভরতা কমবে। বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার পাশাপাশি তহবিলে সরকারের কন্ট্রিবিউশনও থাকবে। তবে সরকারের অবদান কত শতাংশ এখনো নির্ধারণ হয়নি। দেশজুড়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা পুরোদমে চালু হওয়ার পর থেকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্তদেরও এই পেনশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গভাবে দেশজুড়ে বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীরা অবসরে যাওয়ার পর আমৃত্যু তারা আর্থিক সুবিধা পান প্রতি মাসে। সেই চাকরিজীবী মারা গেলে তার স্ত্রী এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তাকেও আমৃত্যু পেনশন দেওয়া হয়। কিন্তু বেসরকারি খাতে কর্মরতদের জন্য অবসর জীবনে ও তাদের সন্তানদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সুবিধা নেই। সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতৃ-পিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্য লাভের অধিকারের কথা সংবিধানে বলা রয়েছে। এই আইনের আওতায় অর্থ বিভাগের অধীনে একটি ‘সর্বজনীন পেনশন অথরিটি’ গঠন করা হবে। পুরোপুরি আইটিভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান সারাদেশের মানুষের পেনশন ব্যবস্থাপনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কৌশলপত্রটি চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেনশনব্যবস্থা ঘোষণা করবে। দেশের আপামর জনগণের জন্য বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী একটি সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা প্রবর্তনের যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তার আলোকে এ কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার আলোকে প্রণীত কৌশলপত্রটির ওপর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন। সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে অর্থ বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের আপামর জনগণের জন্য বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী একটি সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তার আলোকে এ কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। কৌশলপত্রে অর্থ বিভাগ প্রধান তিনটি লক্ষ্য সংবলিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রবর্তনের প্রধান লক্ষ্যগুলো হলো বৃদ্ধ বয়সে কর্মরত জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মানকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে রাখা; নিম্নআয়ের মানুষের সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এনে তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা; এবং ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে একীভূত করে সেটিকে বিনিয়োগে রূপান্তর করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার মাধ্যমে মূলধন সঞ্চয়কে উৎসাহিত করা। বর্তমানে পেনশনের আওতা অনেক বৃদ্ধি করে সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য সব স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরিকেও পেনশনযোগ্য করা হয়েছে। এভাবে পেনশনের ক্ষেত্রে একটি সমতার নীতি অনুসৃত হচ্ছে। অতীতে তা ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহের বহু কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুয়িটি স্কিমের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তারা অবসর গ্রহণকালে এককালীন যা পেয়েছেন, অনেক ব্যাংকে বা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে সে অর্থে কায়ক্লেশে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বর্তমান ব্যাংকসহ সর্বত্র সুদের হার হ্রাস করায় তারা বর্তমান বাজারে নানামুখী অসুবিধার সম্মুখীন। তাই পেনশন বা অবসর-সুবিধার ক্ষেত্রে কিছু মানবিকতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ইতিপূর্বে এককালীন সুবিধা নিয়ে যারা অবসরে আছেন, জীবিতকালে তাদের একটি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করছি। তাদের জীবিতকালে ‘চিকিৎসা ভাতা’ এবং ‘উৎসব ভাতা’ দেওয়ার বিধান করা যেতে পারে। পেনশন ব্যবস্থা রাজস্বভিত্তিক। তাই পেনশন ব্যবস্থার সম্প্রসারণের কথা বললে অনেকে মনে করেন যে তা জাতীয় বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ ফেলবে। কিন্তু পেনশনের আওতা সম্প্রসারণ করলে বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ আবশ্যিক নয়। মৌলিকভাবে পেনশন একটি ইনস্যুরেন্সব্যবস্থা, যা বেতনভোগী কর্মজীবীদের কন্ট্রিবিউশনের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কোনো কোনো দেশে কর্মচারীদের পাশাপাশি মালিক ও রাষ্ট্রও আংশিকভাবে ট্রিবিউন করে, যা মূল তহবিলের সঙ্গে সংযুক্ত হয়।
সৈয়দ ফারুক হোসেন : ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়