
পেসারদের
নিয়েই টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। টস জিতে
তাসকিন-এবাদতের হাতে তাই বল তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম সেশনে উইকেটের
ঘাস, আদ্রতা কিংবা নতুন বলের সুবিধা নিতে পারেননি তারা। পরের দুই সেশনে ৪
উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারসাম্য রেখেছে টাইগাররা। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমদিন শেষে
৭৬.৫ ওভারে তুলেছে ২৩৩ রান।
টাইগারদর হেড কোচ ডমিঙ্গো, পেস বোলিং কোচ
ডোনাল্ড, অধিনায়ক মুমিনুল কিংবা প্রোটিয়া অধিনায়ক ডিন এলগার ব্যাটিং উইকেট
হওয়ার আভাস দিয়েছিলেন। তারপরও বাংলাদেশের শুরুতে বোলিং করার ‘রক্ষনাত্মক’
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সম্ভবত পেটের অসুখের কারণে ওপেনার তামিম ইকবাল একাদশে না
থাকায়। তরুণ ব্যাটার মাহমুদুল জয় এবং সাদমানকে প্রোটিয়া পেস আক্রমণের সামনে
ছুড়ে দিতে চাননি ক্যাপ্টেন।
শুরুতে ব্যাট করে অখুশি নন জানানো এলগার
ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ভালো শুরু এনে দেন। আধঘণ্টার মতো দেরিতে শুরু
হওয়া ম্যাচে তারা ওপেনিং জুটিতে ১১৩ রান যোগ করেন। প্রথম সেশনের ২৫ ওভারে
তারা তোলেন ৯৫ রান। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে খালেদ আহমেদ উইকেটের পেছনে
এলগারকে ক্যাচে পরিণত করেন। তিনি ফিরে যাওয়ার আগে করেন ১০১ বলে ১১ চারে ৬৭
রান।