
রবিবার
মুন্সীগঞ্জে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ২-১ গোলে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি
ক্লাব। চলতি লিগে সপ্তম রাউন্ড পর্যন্ত অপরাজিত থাকল শেখ জামাল। এই ম্যাচের
আগ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেও জামালের কাছে হেরে লিগে প্রথম হারের স্বাদ পেল
চট্টগ্রাম আবাহনী ।
সাত ম্যাচে চার জয় ও তিন ড্রতে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এলো শেখ জামাল।
সমান
ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে চট্টগ্রাম আবাহনী। এক ম্যাচ কম খেলে
১৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আবাহনী লিমিটেড। আজ সাইফের বিপক্ষে জিতলেই দ্বিতীয়
স্থানে উঠে যাবে আকাশি-নীলরা। সাত ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে
বসুন্ধরা কিংস।
ম্যাচের নবম মিনিটে আরিফুলের দারুণ দক্ষতায় গোল হজম থেকে
রক্ষা পায় শেখ জামাল। আবাহনীর সোহেল রানার বাড়ানো বল জামালের বক্সে
নিয়ন্ত্রণে নেন আরিফুর। পোস্ট ছেড়ে বের হয়ে আসেন জামাল গোলরক্ষক নাইম;
কিন্তু তালগোল পাকিয়ে আরিফুরের থেকে বল ছিনিয়ে নিতে পারেননি তিনি। গোলমুখে
থাকা পিটার থ্যাংকগডের উদ্দেশ্যে ক্রস বাড়ান আরিফুর; কিন্তু থ্যাংকগডের শট
ব্লক করে দেন জামাল ডিফেন্ডার আরিফুল। ১১ মিনিটে গোললাইন সেভ দিয়ে
চট্টগ্রাম আবাহনীকে বাঁচান কামরুল। রায়হান হাসানের লম্বা থ্রো সোলেমান
সিল্লাহর ব্যাক হেড দূরের পোস্টে গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন এই ডিফেন্ডার।
২৯
মিনিটে চোখ-ধাঁধানো গোলে শেখ জামালকে এগিয়ে নেন সোলেমান কিং। প্রায় ৩০ গজ
দূর থেকে দূরপাল্লার শটে পোস্টের ওপরের দিকে লক্ষ্যভেদ করেন গাম্বিয়ান এই
ফরোয়ার্ড। ৬৪ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন পিটার থাংকগড। রুবেল মিয়ার
মাপা ক্রসে বক্সের ভেতরে ফাঁকায় থাকা থ্যাংকগডের হেড জাল খুঁজে পায়নি। ৬৮
মিনিটে সোলেমান কিংয়ের গোলে ব্যবধান বাড়ায় শেখ জামাল। ৮৩ মিনিটে চট্টগ্রাম
আবাহনীর হয়ে এক গোল শোধ দেন পিটার থ্যাংকগড। চলতি লিগে এটি তার অষ্টম গোল।
বাকি সময়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি চট্টগ্রাম আবাহনী।