ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
খাদ্য রপ্তানি করে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ-হাসেম খান এমপি
Published : Wednesday, 2 March, 2022 at 12:00 AM
ইসমাইল নয়ন।।
‘খাদ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর জাতি। কৃষি ও কৃষকের দিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে বর্তমান সরকারের।’ গতকাল ১ মার্চ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের   আয়োজনে  এবং মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ব্রাহ্মণপাড়া মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী  বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট আবদুল হাসেম খান এমপি এসব কথা বলেন।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শুভ সূত্রধর এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্ত্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইজমাল হাসান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ জাহের, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সুজন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহমিনা হক পপি।
উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা ট্রেনিং অফিসার কৃষিবিদ চন্দন কুমার পুদ্দার, জেলা ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডাঃ সৈয়দ মোঃ নজরুল ইসলাম, ব্রাহ্মণপাড়া থানা নির্বাহী অফিসার অপ্পেলা রাজু নাহা, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা এনামুল হক, কৃষি কর্মকর্তা, মৎস কর্মকর্তা,  মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী  বিশ্ববিদ্যালয় কলেজেরর প্রতিষ্ঠাতা  মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী,  অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন, ব্রাহ্মণপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল হক, সাহেবাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মনির চৌধুরী, শিদলাই ইউপি চেয়ারম্যান, চান্দলা ইউপি চেয়ারম্যান সহ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী খামারী, দর্শনার্থীগণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এডভোকেট আবুল হাসেম খান বলেন, মানব শরীরে জন্য প্রোটিনের চাহিদা মেটায় আমাদের দেশের কৃষক বিভিন্ন খামার ও উৎপাদনের মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আগামী কিছুদিন পর বাংলাদেশ বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করবে।
প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে গবাদি প্রাণি, সৌখীন পাখী  ও প্রাণিসম্পদপ্রযুক্তি এই তিনটি ক্যাটাগরিতে ৪০ টি স্টলে ৪০ জন খামারী অংশ গ্রহণ করে।  প্রদর্শনী  শেষে প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৩ জন করে মোট ৯ জনকে পুরস্কৃত করা হয় এবং প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক খামারীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়