ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে প্রশংসীত সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা
Published : Tuesday, 15 February, 2022 at 12:00 AM, Update: 15.02.2022 12:44:34 AM
অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে প্রশংসীত সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাআবুল কালাম আজাদ ঃ
বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে অনন্য অবদান রাখছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ। সরকারের নেয়া প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তারা। আর সে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার গড়ার অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান হলো কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত  সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠার পর থেকে “কথা নয়-কাজ, কাল নয়-আজ” সহ বেশ কয়েকটি সংকল্প যুক্ত মনোভাব নিয়ে একাডেমিক কার্য্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। সময়ের ব্যবধানে সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এখন দেশসেরা কয়েকটি ইনস্টিটিউটের মধ্যে একটি। বর্তমানে সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ১০টি টেকনোলজি যথাক্রমে ইলেক্ট্রনিক্স, রেফ্রিজারেশন, মেকানিক্যল, কম্পিউটার, সার্ভেয়িং, গার্মেন্টস্ ডিজাইন, অটোমোবাইল, ইলেক্ট্রিক্যাল, টেক্সটাইল, সিভিল টেকনোলজিতে শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে অধ্যয়ন করছে। ৮টি সেমিস্টারের মধ্যে যে কয়টি সেমিস্টার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অধীনে অনুষ্ঠিত হয় সবগুলো পরীক্ষাতে সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের ফলাফল হয় প্রশংসনীয়। এ+ থাকে নিয়মিত। তবে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী করোনায় স্থবির, তখনই ১১জন এ+ সহ চমক লাগানো ফলাফল অর্জন করে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে প্রশংসীত হয়েছে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ ৪.০০ (এ+) এর মধ্যে জিপিএ ৪.০০ (এ+) পাওয়াটা অনেকটাই আকাশ-কুসুম কল্পনার মত। এ বিষয়ে এ+ পাওয়া শিক্ষার্থী মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে কথা বললে সে জানায়, আমি সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদ এবং শিক্ষকমণ্ডলীর আন্তরিকপূর্ণ আচরণ ও মনোরম পরিবেশে পাঠদানের প্রক্রিয়াটাই আজকে আমাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। এ বিষয়ে সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রধান উদ্যোক্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি জানান আলহামদুলিল্লাহ সিসিএন শিক্ষা পরিবারের আজকের এই সফলতা আমাদের দীর্ঘ পরিকল্পনা অংশ, শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের আন্তরিকতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা। তিনি বলেন মহামারী করোনার শুরু থেকে আমরা জুম ক্লাস এবং অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন এবং সকল ধরণের পরীক্ষা যথাসময়ে আদায় করার ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট ছিলাম। পাশাপাশি অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ শতভাগ নিশ্চিত করি। একজন শিক্ষার্থী আমাদের ক্যাম্পাসে ভর্তি হওয়ার পরে আমাদের চেষ্টা থাকে তার লেখাপড়ার গুণগত মান উন্নয়নের। এ ক্ষেত্রে কোন শিক্ষার্থীর সাথে আমাদের কোন আপোষ নাই। আমরা চেষ্টা করছি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজকে দেশের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি রিসার্চ মুলক প্রতিষ্ঠানে রুপায়িত করা।