
মোফাজ্জল করিম ||
প্রাচ্য-প্রতীচ্যের অনেক বড় বড় চিন্তাবিদ আবহমান কাল ধরে মনে করেন দুনিয়াটা দুই ভাগে বিভক্ত : দ্য হ্যাভস্ অ্যান্ড দ্য হ্যাভ নটস্—বিওশালী ও বিত্তহীন। সোজা কথায়, ধনী ও গরিব। কথাটির যথার্থতা প্রমাণের জন্য খুব একটা গবেষণার প্রয়োজন নেই। বস্তুজগতের চারপাশে চোখ মেলে চাইলেই বোঝা যায় কথাটি কত নির্মম সত্য।
আর এই সত্য মেনে নিয়েই যারা সমাজে পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর শ্রেণির মানুষ, তাদের আমরা ফেলে দেই ‘সাধারণ’ মানুষের ক্যাটাগরিতে। তাদের চিন্তা-চেতনা, চাওয়া-পাওয়া, আশা-আকাঙ্ক্ষা তাদের বিপরীত শ্রেণির মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ না হলেও অনেকটাই ভিন্নধর্মী। ওই বিপরীত শ্রেণির মানুষকে আমাদের মতো পদে পদে বৈষম্যপূর্ণ দেশে বোধ হয় বলা যায় ‘অসাধারণ মানুষ’। কিন্তু পাছে তারা গোসসা হন সেই কারণে অসাধারণ মানুষ অভিধাটি এখনো ওই সব ঐশ্বর্য, ক্ষমতা এবং অশ্লীল রকম ধনী (ইংরেজি ফিলিদ রিচ কথাটির সরল বঙ্গানুবাদ) মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় না। তবে হ্যাঁ, কখনো কখনো কিছু কিছু বিষয় সাধারণ-অসাধারণ উভয় শ্রেণির বেলায় সমভাবে প্রযোজ্য। যেমন—দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, করোনাজনিত সমস্যাবলি ইত্যাদি। তবে লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, সমস্যা যতই প্রকট হয়ে দেখা দিক না কেন সাধারণ-অসাধারণ দুই শ্রেণির মানুষের প্রতিক্রিয়া হয় দুই রকম। যেমন—চাল-ডাল-তেলের মূল্যবৃদ্ধিজনিত কারণে সাধারণ মানুষ মরিয়া হয়ে ওঠে ওগুলো ন্যায্য মূল্যে চাহিদামতো না হলেও যতটুকু সম্ভব সংগ্রহ করতে। তা টিসিবির গাড়ির পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়েই হোক, আর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে কিংবা গৃহিণীর মুখ ঝামটা সহ্য করেই হোক। বিত্তশালীদের চিত্ত এসবে খুব একটা বিচলিত হয় না। আবার কোনো কোনো বিষয় জাতীয়ভাবে যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, ওগুলো যদি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রয়োজন না মেটায়, তাহলে সাধারণ মানুষ সেটা নিয়ে বড় একটা গা করে না। কারণ সে জানে বিষয়টি নিয়ে গৃহিণী রা-টিও কাড়বে না, অফিস কামাই দিয়ে ওটার জন্য মিটিং-মিছিলেও শরিক হতে হবে না।
দু’তিন সপ্তাহ ধরে এমনি একটি বিষয় নিয়ে পত্রপত্রিকায় রোজ লেখালেখি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিস্পৃহতা সত্ত্বেও রাজনৈতিক মহল এটা নিয়ে যথারীতি মাঠ গরম করছে। বিষয়টি হচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদান্তে দায়িত্বভার অর্পণ করে খোদা হাফেয বলে চলে যাওয়া এবং তাঁদের উত্তরসূরি নিয়োগ দেওয়া। পুরো প্রক্রিয়াটিই হতে হবে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধান মেনে। মজার ব্যাপার হলো, স্বাধীনতার পর দেশে ছোট-বড় অনেক নির্বাচন হয়েছে এবং হচ্ছে—জাতীয় সংসদ নির্বাচনই তো হয়েছে বেশ কয়েকটি; কিন্তু কোনো নির্বাচনই সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ মেনে হয়নি। বরং যদি বলি, এই অনুচ্ছেদে বিধৃত বিধান লঙ্ঘন করেই দেশের সব নির্বাচন হয়েছে, তা জাতীয় সংসদ নির্বাচনই হোক কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনই হোক। কী রকম? ১১৮ অনুচ্ছেদে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন কমিশন গঠনের একক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ঠিকই, তবে ‘...উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন। ’ অর্থাৎ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে এতদুদ্দেশ্যে প্রণীত আইনানুযায়ী, যে আইন গত ৫০ বছরেও প্রণীত হয়নি। ‘সাধারণ লোক’ এসব খবর রাখে না, তারা ভোট দিতে পারলেই খুশি, কিন্তু ‘অসাধারণ’ মানুষেরা তো অবশ্যই ওয়াকিবহাল মহল। তাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, এমপি হন, মন্ত্রী হন, তাঁরা গত ৫০ বছর কী করে এত বড় একটা সাংবিধানিক ত্রুটি দেখেও চোখ বুজে থাকলেন বোঝা মুশকিল।
যা হোক, ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত ও একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর বলবৎ হওয়া আমাদের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধানটি দীর্ঘ ৫০ (পঞ্চাশ) বছর পর এই সেদিন যথাযথ মর্যাদা লাভ করল : প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগসংক্রান্ত একটি আইন অবশেষে ২৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এখন থেকে এই আইনানুযায়ীই মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন। নির্দ্বিধায় বলা যায় এর আর ব্যত্যয় হবে না।
কিন্তু তার পরও কথা থেকে যায়। আমাদের সংবিধান বস্তুতপক্ষে রাষ্ট্রপতিকে এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেয়নি। কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বেলায় রাষ্ট্রপতি কারো সঙ্গে পরামর্শ করবেন না। এ ছাড়া ‘অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন’। (সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮, উপ-অনুচ্ছেদ-৩)। তাহলে বাস্তব অবস্থা দাঁড়াল এই : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেসব ব্যক্তির নাম সুপারিশ করবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁদেরকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেবেন। আবার মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রস্তাবিত কোনো নামে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এক ধরনের ‘ভেটো’ দেওয়ার সুযোগও আছে। এককথায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেই নাম চূড়ান্ত করবেন। অন্য কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের এই নিয়োগে কোনো ভূমিকা নেই। কেউ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবেন না নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আর আমার ধারণা, ঝামেলা বাধবে এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে। এরই মধ্যে অনুরূপ ঝামেলা বেধে গিয়েছে ‘সার্চ কমিটি’ গঠন নিয়ে। সার্চ কমিটি বা অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্ব হচ্ছে সারা দেশ থেকে খুঁজে খুঁজে কিছুসংখ্যক যোগ্য, দক্ষ ও সৎ লোকের নামের তালিকা প্রস্তুত করা, যার ভেতর থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগ দেবেন। সার্চ কমিটি এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে তাদের পছন্দসই লোকের নামের তালিকা চেয়েছে। এদিকে বিএনপি এবং অন্য কয়েকটি বিরোধী দল খোদ সার্চ কমিটির সদস্যদের ব্যাপারেই আপত্তি তুলেছে। তারা এই কমিটির চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সরকারি দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা বলছে। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে সার্চ কমিটি যত নিরপেক্ষভাবে, আর যত পাওয়ারফুল ‘টর্চলাইট’ জ্বালিয়ে অথবা বাটি চালান দিয়ে খোঁজাখুঁজির কাজটি করুক না কেন, তাদের প্রচেষ্টা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাবে। অন্তত বিরোধী দলগুলো একটা হ্যান্ডেল তো পাবে উল্টোসিধা সমালোচনা করার। সেই বিবেচনায় সার্চ কমিটি গঠনে আরো বেশি সতর্কতার প্রয়োজন ছিল মনে করি। আর আসল যে কাজটা, অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন গঠন, সেটার ব্যাপারে তো কোনো রকম ঝুঁকি নেওয়াই ঠিক হবে না। অন্যথায় জাতির ভাগ্যে আরেকটি বেহুদা কমিশন জুটে যাবে, যে কমিশনের ট্রেডমার্কই বলুন আর ‘মটোই’ বলুন হবে ‘কানে দিয়েছি তুলো, পিঠে বেঁধেছি কুলো’। আর জাতি তাদের কাণ্ডকারখানা দেখে দুঃখে গান ধরবে : হায় রে কপাল মন্দ, চোখ থাকিতে অন্ধ...।
২.
এতক্ষণ নির্বাচন কমিশন নিয়ে যে কথাগুলো বলার চেষ্টা করলাম তাকে শুধু ‘অসাধারণ’ মানুষদের তাত্ত্বিক আলোচনা বা এক ধরনের কালোয়াতি বলে কারো কাছে মনে হতে পারে। হয়তো পরিবেশন-ত্রুটিতে সে রকমই দাঁড়িয়ে গেছে ব্যাপারটা। কিন্তু যে মেসেজটা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে তা কিন্তু মোটামুটি লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার। একটি দক্ষ, সাহসী, সৎ ও সর্বোপরি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন যে এই মুহূর্তে সময়ের দাবি তা বোধ হয় কেউ অস্বীকার করবেন না। বিদায়ি কমিশনের আমলে জাতি অদক্ষতা, অন্তর্দ্বন্দ্ব, নিষ্ক্রিয়তা, ঔদাসীন্য ইত্যাদি কত প্রকার ও কী কী তা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেছে। এমনকি দিনের ভোট মধ্যরাতে লোকচক্ষুর অন্তরালে অনুষ্ঠিত হওয়ায় বাংলাদেশ ‘নিশীথ ভোটের দেশ’ খেতাবও নাকি পেয়েছে। এত দিন বইয়ে পুস্তকে শুধু নরওয়ের নাম লেখা হতো নিশীথ সূর্যের দেশ হিসেবে। এখন বাঘের বাচ্চা বাংলাদেশ দেখিয়ে দিয়েছে কী করে গভীর রাতে ভোটগ্রহণের মতো একটি জটিল কাজও প্রশাসন প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার গংদের সাহায্য-সহায়তা নিয়ে সুচারুরূপে সম্পন্ন করা যায়। পৃথিবীর আর কোনো দেশ অদ্যাবধি যা করতে পারেনি আমরা তা করে দেখিয়েছি। তবে হ্যাঁ, নির্বাচন কমিশনের আমাদের বড় কর্তা ও তাঁর সুযোগ্য সহকর্মীদের অপতৎপরতা ও পলিসি অব ডু নাথিং ছাড়া এই দুরূহ কাজটি করে বিশ্বরেকর্ড গড়া কিছুতেই সম্ভব হতো না। দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠলেও আমাদের ‘হু কেয়ারস’ ব্র্যান্ডের বড় কর্তা তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে এগুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন। আমার চাকরি জীবনের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থাকতে এ ধরনের বীরপুরুষদের লোকে ‘বেড্ডই’ (ব্যাটাই) বা ‘বেডা একখান’ বলতে শুনতাম। তা স্যারের উপাধি যাই হোক না কেন, আমাদের আর ‘বেড্ডই’ বা ‘বেডা একখানা’ মার্কা লোকের দরকার নেই। আমরা চাই এক শ পারসেন্ট হালাল সাবানের মতো এক শ পারসেন্ট নিরপেক্ষ, সাহসী ও আইন প্রয়োগে অকুতোভয় কতিপয় মানুষ, যাঁরা কাজ করবেন কারো মুখের দিকে তাকিয়ে বা কারো অঙ্গুলি ইশারায় নয়, নিজের বিবেকের দিকে তাকিয়ে। জাতির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, সব নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ বা কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মতো হোক। কোনো মারামারি, ধাওয়াধাওয়ি, গোলাগুলি নয়, আগাগোড়া একটি নিষ্কলুষ আনন্দমুখর পরিবেশের ভোটাভুটি। এখন তো সামান্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও শতাধিক লাশ পড়ছে। আর কাউয়ায় কাউয়ার মাংস খায় না এই বহু প্রাচীন প্রবচনকে মিথ্যা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা তাদেরই বিদ্রোহী ভাইকে কোতল করছে। (অ্যান্ড ভাইস ভার্সা)। সাধারণ মানুষ (মনার বাপ, মনার মা) এগুলো চায় না। তারা ভোটের দিন ঘরে কাঁথামুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে কাটাতে চায় না, ভোট দিতে যেতে চায়। কারণ ওই একটি দিন যেদিন এই ‘সাধারণ’ মানুষগুলোর মুহূর্তের জন্য হলেও ‘অসাধারণ’ মানুষদের সঙ্গে একই পাল্লায় ওজন হয়। কী অপূর্ব সিস্টেম! মনার বাপের ভোটের যে দাম, তার চৌদ্দ পুরুষের মনিব খাঁ সাহেবের পুতের ভোটেরও একই দাম। নির্বাচনী বুথের বাইরে প্রার্থীদের লোকেরা খাঁ সাহেবকে যতটুকু ‘ত্যালায়’ মনার বাপকেও ওই কয়েক মিনিটের জন্য সমান তেল দেয়। মনার বাপের মতো ‘সাধারণ’ মানুষেরা তাই ওই একটি দিনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকে। ওই একটি দিন সে চাল-ডাল-তেলের দামের বেয়াড়া রকমের উল্লম্ফন, ঘাতক বাস-ট্রাক-লঞ্চের করাল থাবা এমনকি উঠতি গুণ্ডা করোনাভাইরাসের চেঙ্গিস খাঁ মার্কা আচরণ ভুলে থাকতে চায়। ওই একদিন সে রীতিমতো বাদশাহ নামদার। আর মনার মা ‘হার ম্যাজেস্টি’। হোক না কয়েক লহমার জন্য। তবু তো সবার কী খাতির, কী ইজ্জত!
৩.
এই সাধারণ মানুষগুলো উৎসবের কাঙাল। কাঙাল তারা একটু মান-ইজ্জতের। আমাদের ‘অসাধারণ’ হুজুররা চাইলেই পারেন ভোটাভুটিটাকে উৎসবমুখর করতে, ভয়ভীতিহীন-দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশে ‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো’ এই আকাঙ্ক্ষাটাকে বাস্তবে রূপদান করতে। এটা যাঁরা নিশ্চিত করতে পারবেন তেমন লোকদের শুধু খুঁজে বের করলেই চলবে না, তাঁদের নিরপেক্ষভাবে, সাহসের সঙ্গে কাজ করতে দিতে হবে। তাহলেই সোনার দেশে স্বপ্নের গণতন্ত্র একদিন প্রতিষ্ঠিত হবে। অন্যথায় সবই পণ্ডশ্রম।
লেখক : সাবেক সচিব, কবি