বিরাট কোহলি আর ভারতের অধিনায়ক নেই। সীমিত ওভারের পর সবচেয়ে সফল ফরমেট টেস্টেও নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটিং সেনসেশন।
অনেকেই মনে করছেন, আসলে ছেড়ে দেননি, তাকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। কোহলির সঙ্গে বোর্ডের দূরত্ব আর নেতৃত্ব নিয়ে নানা নাটকে সেই সন্দেহ আরও ঘণীভূত হয়েছে।
তবে কোহলি নিজে মনে করেন না, নেতা হতে হলে অধিনায়ক হতেই হবে। কখন নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হয়, সেটা জানাও একজন অধিনায়কের বড় গুণ বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন, ‘নেতা হতে গেলে সব সময় যে অধিনায়ক হতে হবে, তার কোনো মানে নেই। যখন এমএস ধোনি সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে দলে ছিলেন, তখন এমন নয় যে তিনি নেতা ছিলেন না। তার থেকে প্রত্যেকটা মুহূর্তে আমরা বিভিন্ন পরামর্শ নিতাম।’
ভারতকে সাত বছর টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে সফলতম অধিনায়কের মুকুট পরা কোহলি বাস্তবতা যেন মেনে নিয়েছেন। তার কথা, ‘জেতা-হারা আমাদের হাতে থাকে না। কিন্তু প্রতি দিন নিজেদের উন্নতি করা, ক্রমাগত উৎকর্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়া, এটা স্বল্প মেয়াদে হয় না। যদি এটাকে নিজের ধর্ম হিসেবে পালন করা যায়, তা হলে খেলোয়াড় জীবনের বাইরেও এটা আপনাকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করবে।’
এর পরপরই কোহলি বলে ওঠেন, ‘কখন সরে যেতে হবে এটা জানাও নেতৃত্বের একটা বড় গুণ। সঠিক সময় বেছে নিতে হবে। ঠিক কোন সময় দলের নির্দেশ দেওয়ার জন্য অন্য এক জনকে প্রয়োজন সেটা বুঝতে হবে। পাশাপাশি, দলের সংস্কৃতি যাতে একইরকম থাকে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। অন্য ভূমিকায় থেকেও দলকে সাহায্য করা যায়।’