
বাংলাদেশের
প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসরে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্স। দুইবারের শিরোপাজয়ী দলটি এবার তৃতীয় শিরোপাকে পাখির চোখ করে
এগোচ্ছে। পঞ্চপাণ্ডবের কোনো ক্রিকেটারকে দলে না রেখে চমক সৃষ্টি করেছে
কুমিল্লা। এই দলে রয়েছেন ফাফ ডু প্লেসি, মঈন আলী, সুনীল নারাইনদের মতো
ক্রিকেটাররা। ড্রাফটের আগেই টি-টোয়েন্টির অভিজ্ঞ এই তিন ক্রিকেটারকে দলে
ভিড়িয়েছে কুমিল্লা। ডু প্লেসি এবারই প্রথম খেলবেন বিপিএলে।
এই তিন
বিদেশির সঙ্গে কুমিল্লার দলে আছে মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, মুমিনুল
হকের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। আছেন পারভেজ হোসেন, মাহমুদুল হাসান ও ইমরুল
কায়েসের মত ক্রিকেটার। এছাড়া কুমিল্লার স্কোয়াডের শক্তি বাড়াতে আছেন শহিদুল
ইসলাম, তানভীর ইসলাম, আরিফুল হক, নাহিদুল ইসলাম, সুমন খান, মাহিদুল ইসলাম
অঙ্কন, আবু হায়দার রনি ও মেহেদী হাসান।
বিদেশিদের মধ্যে ডু প্লেসি, মঈন ও
নারাইন ছাড়াও আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওশান থমাস। ড্রাফটের পর দক্ষিণ
আফ্রিকান ব্যাটার ক্যামেরন ডেলপোর্ট এবং আফগান অলরাউন্ডার করিম জানাতকে
দলভুক্ত করা হয়। প্লেয়ার্স ড্রাফটে কুমিল্লা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪ কোটি ২৭
লাখ টাকা খরচ করেছে।
বিপিএলে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন দলটির মূল শক্তি
বিদেশিরাই। ডু প্লেসি ও মঈন, দুজনই খেলেছেন সর্বশেষ আইপিএলের শিরোপাজয়ী দল
চেন্নাই সুপার কিংসে। ফাইনালে ৮৯ রানের তাণ্ডব চালিয়েছেন প্রোটিয়া এই
মারকুটে ব্যাটসম্যান। এছাড়া মঈন আলীকে পিঞ্চ হিটার হিসেবেও খেলাতে পারে
কুমিল্লা। দ্রুত রানের দরকার হলে যেকোনো জায়গায়ই নামানো হতে পারে এই
বাঁহাতিকে। সঙ্গে দুর্দান্ত অফ স্পিন তো আছেই মঈন আলীর।
দল নিয়ে
সন্তুষ্ট কুমিল্লার কোচ সালাউদ্দিন। বিদেশিদের পাশাপাশি স্থানীয়
ক্রিকেটারদের কাছেও প্রত্যাশা করছেন তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, 'স্থানীয়
ক্রিকেটাররাই বড় ভূমিকা পালন করবে। কারণ, দলে ৮ জনই দেশি। তারা পারফর্ম না
করলে বিদেশিরা ম্যাচ জেতাতে পারবে না। যেহেতু স্থানীয়রা বেশি সুযোগ পাবে,
তাদের পারফর্ম করা খুব বেশি জরুরি। বিদেশি খেলোয়াড়দের কাছে তো প্রত্যাশা
আছেই। তবে স্থানীয়রা পারফর্ম না করলে দল ভুগবে।'