ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
কুমিল্লার সুধা মাসী
Published : Wednesday, 4 August, 2021 at 12:00 AM
কুমিল্লার সুধা মাসীআহসানুল কবীর ||
প্রতিটি শহরে প্রতিটি জনপদে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ থাকে যারা জাতি-ধর্ম,বর্ণ,দল-মত নির্বিশেষে সকলের নিকট সমানভাবে নমস্য। তাঁরা থাকেন সকলের শ্রদ্ধাভাজন হয়ে। তেমনি একজন হলেন কুমিল্লার সুধা সেন। যিনি সুধা সেন থেকে আপামর কুমিল্লাবাসীর সুধা মাসিতে পরিণত হয়েছিলেন অপরিসীম শ্রদ্ধা আর ভালবাসায়। নতুন প্রজন্ম তাকে সেভাবে না জানলেও  প্রবীনরা এখনো সুধা মাসীর নাম স্মরণ করেন ভক্তিভরে।
সুধা সেনের জন্ম ১৯১২ সালে কুমিল্লায়। রজনীকান্ত দেব এবং মনোরমা দেবীর ৯ সন্তানের (৫মেয়ে ৪ ছেলে) মধ্যে সুধা সেন সবার বড়। পিতা পেশায় আইনজীবী মাতা সে আমলের মেট্রিকুলেশান। সঙ্গত কারণেই একটি শিার অনুকূল পরিবেশে বড় হয়েছেন সুধা সেন। সে আমলে তাদের বাসাটি ছিলো আরপি সাহার ইলেক্ট্রক সাপ্লাই কর্পোরেশনের পাশের গলিতে। পরে রজনীকান্ত বাবু চলে যান রাণীর দিঘীর পাড়ে। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় সুধা সেনের বিয়ে হয়ে যায় ভিক্টোরিয়া কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক সুধীর সেনের সাথে। সুধীর সেন শান্তি নিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় ছাত্র ছিলেন। ভিক্টোরিয়া কলেজে যোগদানের আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় সাথে যুক্ত করেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ  ঠাকুরের একটি প্রত্যয়ন পত্র। সুধীর চন্দ্র সেনের বাবা সত্যেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাসের ৩২ বিঘা জমি ছিল তালপুকুর পাড় এলাকায়। দেশভাগের পর নানা ছলছাতুরী আর অপকৌশলের মাধ্যমে এই জায়গাটা হাতছাড়া হয়ে যায়। শুধু তাই নয় বানাসুয়া মহেশপুর এলাকাতেও তাঁদের প্রচুর ভূ-সম্পত্তি ছিল। সেগুলোরও কোন হদিস নেই। সুধীর চন্দ্র সেন সম্পর্কে এ প্রজন্মের কজনেই বা জানে। তিনি শান্তি নিকেতনে রবীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্যদের একজন ছিলেন। ১৯২৬ সালে বিশ্বকবি কুমিল্লা এলে কবিকে ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র শিক্ষকদের প থেকে যে সম্বর্ধনাটি প্রদান করা হয়েছিল তার মানপত্রটি সুধীর চন্দ্র সেনের লেখা। অধ্যাপক আবদুল হাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের প্রধান তখন তিনি সুধীর চন্দ্র সেন কে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর শিক্ষকতা করে কুমিল্লার মায়ায় সুধীর সেন কুমিল্লায় ফিরে আসেন। সুধা সেন-সুধীর সেনের জুটিটি ছিল কুমিল্লা শহরের সেরা জুটিগুলির মধ্যে একটি।
সুধা সেনের শিা জীবন রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। ফয়জুন্নেসা স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে পরার সময় তিনি বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন। যার অনিবার্য পরিণতি বিদ্যালয় ত্যাগ। তারপর আর বিদ্যালয়ের মুখাপেি হননি। প্রাইভেটে এসএসসি পাস করলেন ঘরে বসে। প্রাইভেটে ইন্টারমিডিয়েটে পরার সময় তাঁর বিয়ে হয়ে গেল। কিন্তু তিনি দমে যাননি। প্রাইভেটে ইন্টার, বিএ এবং এম এ কোর্স সম্পন্ন করলেন। স্বামী সংসার বাচ্চা সামলে ইন্টার থেকে এম এ অবধি সম্পন্ন করা এযেন এক মহাকাব্যিক রূপকথার গল্প। তিনি বাংলায় এম এ করলেও তার ঐচ্ছিক বিষয় ছিল উড়িয়া ভাষা। উড়িয়া ভাষাকে বাংলায় রূপান্তর করে পরীা দেয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি সে বিষয়ে পুরো পরীাটি দিয়েছিলেন উড়িয়া ভাষাতেই। যা দেখে ড.রাধা কৃষ্ণান ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন এবং তাঁকে আরও উচ্চতর ডিগ্রি নেবার আহবান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ততদিনে তিনি জড়িয়ে গেছেন কুমিল্লার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা-ে। ফলে ও পথে আর পা মাড়াননি। থেকে গেলেন তার প্রিয় কুমিল্লাতেই। বাংলা ছাড়াও উড়িয়া এবং ইংরেজি ভাষায় তাঁর দতা ছিল অসাধারণ।
শিাজীবন শেষে তিনি শিক্ষকতাকে বেছে নিলেন জীবনের মহান ব্রত হিসেবে। ইশ্বর পাঠশালা স্কুলের বালিকা বিভাগের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন একটানা ২৫ বছর। শুধু তাই নয় ভিক্টোরিয়া কলেজে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন অসামান্য দতায়। এ প্রসঙ্গে সুধা সেনের ছাত্র ও ভিক্টোরিয়া কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক বলেন ‘সুধা মাসি আমাদের বৈষ্ণব পদাবলী পড়াতেন। কাসরুমে তিনি আমাদের গেয়ে গেয়ে এমনভাবে পদাবলী পড়াতেন যে শ্রেনীইে আমাদের পড়া আত্মস্থ হয়ে যেত। দ্বিতীয়বার আর পড়ার প্রয়োজন হতনা। এমনি ছিল তার পাঠ দান পদ্ধতি।’
মানবসেবা ছিলো তাঁর জীবনের ব্রত। রাজদেবী মাতৃসদন বা শিশু মঙ্গলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। একটানা ত্রিশ বছর তিনি এর অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বলতে গেলে তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠে। তখন প্রতিষ্ঠানটির জন্য সরকারি কোন বরাদ্দ ছিলনা। তিনি শিশু মঙ্গলের তহবিল সংগ্রহের জন্য টাউন হলে দর্শনীর বিনিময়ে নাটক প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। ‘ষোড়ষী’ এবং’ দত্তা’ নামের নাটক দুটিতে তিনি নিজে এবং সূধীর চন্দ্র সেন ও অভিনয় করেছিলেন। পশ্চাৎপদ নারী সমাজের উন্নয়নে গ্রামে গ্রামে নারী শিাকেন্দ্র স্থাপন করে নারী শিা বিস্তারে ব্রতী হন তিনি। রামকৃষ্ণ আশ্রমের নেতৃত্ব দিয়েছেন দীর্ঘ সময়। কুমিল্লার নারীদের উন্নয়নে ‘সারদামনি মহিলা সমিতি’ নামে একটি মহিলা সমিতি গড়ে তুলেন যার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি স্বয়ং। সাধারণ সম্পাদক ছিলেন অমিতা ভদ্র। সংগঠনে উল্লেখযোগ্য যারা ছিলেন তারা হলেন মীরা বর্ধণ, সুরুচি সাহা, উষা রাহা, মায়া ধর, মনিকা সিংহ, শান্তি মজুমদার। এই সমিতির মাধ্যমে তিনি চেষ্টা করেছেন কুমিল্লার অবহেলিত নারী সমাজকে জাগিয়ে তুলতে। স্বীয় ধর্মাচারে নিষ্ঠ হওয়ার পরেও তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক একজন মানুষ। প্রতিবছর কুমিল্লা অভয় আশ্রমে তিনি এবং প্রয়াত পরিমল দত্তের নেতৃত্বে সর্বজনীন বর্ষবরণ উৎসব পালিত হতো। সে আয়োজনে কোরআন, গীতা, বাইবেল এবং ত্রিপিটক পাঠ হতো। সে অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলো সুধা সেন ও পরিমল দত্তের গান। তাঁর গায়কী ছিলো অসাধারণ। কুমিল্লা শহরে যেকোন বড় আয়োজনে সুধা সেনের গাওয়া কীর্তন, শ্যামাসংগীত কিংবা রবীন্দ্রসঙ্গীত ছাড়া মনে হতো অসম্পূর্ণ। তাঁর কন্ঠ মাধুর্য অনবদ্য। সকলকে অতি সহজে আপন করে নেবার অসাধারণ মতা তাঁর সহজাত বৈশিষ্ট্য। তাইতো দেখি সুধা সেনের বাড়িতে সে আমলের বিখ্যাত সব ব্যাক্তিদের আগমন ঘটতো নিয়মিত। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে বহু ভাষাবিদ সুনীতি চট্ট্যপোধ্যয়, সুচেতা কৃপলীনি, ফুলরেণু গুহ, নির্মল কুমার বসু, শচীন দেব বর্মণ, সঞ্জয় ভট্বাচার্য, অজয় ভট্বাচার্য, প্রবোধ সন্যাল, হেমপ্রভা মজুমদার, দাগু বর্ধণ, পুতুল বর্ধণ, সুশীল মজুমদার, হিমাংশু দত্ত, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কেনা এশেছেন সুধা সেনের বাসায়। তাঁদের প্রত্যকের সাথে তাঁর মধুর সম্পর্ক। তিনি যেখানেই যাননা কেন তার সহকর্মীদের কথা কখনো ভুলতেননা তিনি। একবার হিমালয়ের পাদদেশে বৈদ্যনাথের মন্দিরে  গেলেন তীর্থ  ভ্রমণে। আসার সময় সাথে করে নিয়ে আসলেন তাঁর প্রিয় অনেকগুলো শ্বেতপদ্ম। এর সুগন্ধি শুকনো পাপড়িগুলো কুমিল্লা শহরে তাঁর সঙ্গী সাথীদের বিলিয়ে দিলেন। সত্য উদঘাটনে তিনি ছিলেন দৃঢ় চিত্ত। তাইতো আমরা দেখি ১৯৩৯ সনে কুমিল্লার বিদগ্ধ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের উদ্যোগে সাহিত্য পরিষদ কুমিল্লার ব্যানারে এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু গোল বাধলো উদ্বোধনী সঙ্গীত নিয়ে। প্রস্তাব এলো উদ্বোধনী সঙ্গীত হিসাবে গীত হবে রবীন্দ্রনাথ এর ‘জনগণমন অধিনায়ক’ এই গানটি। কিন্তু একাংশের বিরোধীতা এলো এই বলে যে এটি রাজা  পঞ্চম জর্জের স্তুতি গাঁথা। দমলেননা সুধা সেন। তিনি সমস্যা নিরসনে খোদ রবি ঠাকুরকে চিঠি লিখে ফেললেন। তাঁর নিজের লিখনিতেই তিনি বলেছেন ‘অধ্যাপক সেন যখন কবির ঘনিষ্ঠ সান্যিধ্যে ছিলেন তখনো আমার বিবাহ হয়নি-কাজেই কবির সঙ্গে আমার প্রত্য পরিচয় ছিলোনা। আমি তখন বধু মাত্র। হয়তো রবীন্দ্র ভক্তদের পরাভব দেখে আমি স্বামীকে না জানিয়েই স্বয়ং কবির কাছে একটি চিঠি লিখলাম বয়সোচিত চপলতায়। ‘জনগণমন’ গানটি সম্পর্কে এখানকার সমালোচনার কথা জানিয়ে এই গান কি উপলে তিনি রচনা করেছিলেন তা তাঁর কাছে জানতে চাইলাম’। কবি তাঁকে নিরাশ করেননি। ১৯৩৯ এর ২৯ মার্চ তারিখে ফিরতি পত্রে তিনি সুধা সেনকে এই প্রশ্নের উত্তর দেন। অবসান ঘটে সকল প্রশ্নের। যদিও এখনও কিছু প্রতিক্রিয়াশীল এটি নিয়ে জল ঘোলা করার চেষ্টা করেন। সুধা সেন কে লেখা কবির পত্র হতে পারে এর মোম জবাব। সংসার ধর্ম,মানবসেবা, সমাজসেবা, সামাজিকও ধর্মীয় সংগঠনে সময় দেয়া, সঙ্গীত চর্চা,শিক্ষকতা এতকিছুর মধ্যেও তিনি নিয়মিত লেখালেখি করতেন। সুধা সেনের জীবদ্দশায় তাঁর লেখা চারটি বই প্রকাশ হয় কলকাতা থেকে। তন্মধ্যে তিনটির নাম জানা গেছে। সেগুলে হলো ভারতআত্মা শ্রীকৃষ্ণ, মহাপ্রভু গৌরসুন্দর, ধ্যানস্তব্ধ হিমালয়। শেষেক্তটি একটি অসাধারণ ভ্রমণ কাহিনী। এছাড়াও তার অপ্রকাশিত আরো অসংখ্য লেখা রয়ে গেছে অযত্নে অবহেলায়।কুমিল্লার সুধা মাসীনিজের জীবদ্দশাতেই স্বামীর ভিটামাটি  হাতড়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা পৈতৃক নিবাসও হাতছাড়া হয়েছে আগেই। কিন্তু সেদিকে ফিরেও তাকাননি তিনি। ১৯৫৯সনে স্বামীর মৃত্যুর পর দুই সন্তান সুপ্রিয় সেন এবং সুনন্দা সেন কে নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসায় শেষ জীবন অতিবাহিত করেছেন। কিন্তু এতে তার বিন্দুমাত্র আপে ছিলোনা। যারা তাঁকে চিনেন তারা জানেন সম্পদের প্রতি কখনও তাঁর আকর্ষণ ছিলোনা। মানবসেবা,জ্ঞান আহরণ, লব্ধজ্ঞান বিতরণ এটিই ছিল তাঁর জীবনের ব্রত। আড়ম্বর পরিহার করতেন সচেতন ভাবে। আটপৌড়ে সুতীশাড়ী পরে সর্বদা চলা ফেরা করতেন। কুমিল্লা শহরে কেউ বিপদগ্রস্ত হয়েছে শুনলেই ছুটে যেতেন তার সহযোগিতায়। সংস্কারের বেড়াজাল তাঁকে ছুঁতে পারেনি কখনো। কারণ তিনি ধর্মের প্রকৃত মর্ম আত্মস্থ করেছিলেন। ধর্মনিষ্ঠ হয়েও প্রগতির ঝান্ডা উড্ডীন করেছেন নির্ভীক চিত্তে। আধ্যাত্মিকতা আর আধুনিকতার এক অপূর্ব মিশেল ঘটেছে সুধা সেনের জীবনে। যে জীবনের আলোকছটায় আলোকিত হয়েছেন শত-সহস্ত্র মানুষ।
১৯৮৩ সনের ২৬ ডিসেম্বর কুমিল্লাবাসীকে শোকস্তব্ধ করে আপামর জনতার সুধা মাসি  দেহ ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর তাঁকে প্রথমে তাঁর প্রিয় কর্মস্থল ইশ্বর পাঠশালা স্কুলের মহেশাঙ্গণ প্রাঙ্গণে আনা হয়।সকলের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঠাকুরপাড়া মহাশ্মশানে তাঁর পরলৌকিক কার্যাদি সম্পন্ন হয়। অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক জানান সুধা সেনের অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী তার ব্যবহৃত খাটটি রামকৃষ্ণ আশ্রমকে দান করা হয়। যে মহীয়সী নারী নিজের পুরো জীবনকে কুমিল্লাবাসীর কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর স্মৃতি রার্থে কুমিল্লায় কোন পদপে গ্রহণ করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই।তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ইশ্বর পাঠশালা কতৃপ এ বিষয়ে পদপে নিতে পারেন। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সুধা সেনের নামে একটি সড়কের নামকরণের কথা ভাবতে পারেন। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা যদি আমাদের অতীতকে স্মরণ না করি তাহলে অনাগত আগামীও আমাদেরকে বিস্মৃতির আস্তাকুঁড়ে নিপে করবে।
তথ্য সুত্রঃ
১। কুমিল্লা জেলার ইতিহাস -আ.ক.ম যাকারিয়া প্রকাশকাল  ১৯৮৪
২। কথপোকথন -
ক। সুনন্দা কবীর
খ। অধ্যাপক শান্তি রঞ্জন ভৌমিক
গ। অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
ঘ। প্রদীপ  সিংহ রায়
লেখক পরিচিতিঃলেখক গবেষক
মতামতঃ ০১৭১১৩৯৩৮৫৭
ahkabir71@gmail.com