ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
গ্রামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাক
Published : Monday, 15 February, 2021 at 12:00 AM
গ্রামে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাক২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ল্যগুলোর একটি ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা। আওয়ামী লীগ তাদের অঙ্গীকার রা করেছে। টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ এখন মতায়। এই সময়ে গৃহীত নানামুখী পদেেপর কারণে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে এসেছে। সরকারি-বেসরকারি প্রায় সব অফিস ও সেবা সংস্থা ডিজিটাইজেশনের আওতায় চলে এসেছে। ই-কমার্সের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। মানুষ ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী কিনতে পারছে। কোনো বিল পরিশোধের জন্য এখন আর ব্যাংক বা অফিসে ঘুরতে হয় না। শিতি জনসংখ্যার একটি বড় অংশই আজ ইন্টারনেটসহ তথ্য-প্রযুক্তির উন্নততর সুবিধাগুলো খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারছে। ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে লাখ লাখ তরুণ তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছে। তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারছে। আসছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাও। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে ইন্টারনেটের চাহিদা। বাড়ছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা। কিন্তু এই বৃদ্ধি এখনো মূলত শহরকেন্দ্রিক। শহর ও গ্রামের এই বৈষম্য দূর করতেও সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। তারই একটি হচ্ছে দেশের সব ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ট ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দেওয়া। আইসিটি বিভাগের অধীন এস্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেকটিভিটি (ইডিসি) প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই গ্রামাঞ্চলের শিতি তরুণরা ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম হবে। তা ছাড়া এর আওতায় আসবে শিাপ্রতিষ্ঠান, ভূমি অফিস, অন্যান্য সরকারি অফিসসহ বিভিন্ন গ্রোথ সেন্টার।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি) সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষও যাতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের জীবন সমৃদ্ধ করার সুযোগ পায়, সেই ল্েযই নেওয়া হয়েছে এই প্রকল্প। গ্রামাঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ল্েয সরকার সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবে। এর ফলে আউটসোর্সিংসহ নানা অর্থনৈতিক কর্মকা-ে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে গ্রামের মানুষ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক জানিয়েছেন, ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় প্রায় সব ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড সংযোগ এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে। এই উদ্যোগে ১০ কোটি মানুষকে কানেকটিভিটির আওতায় আনা হবে। এতে আউটসোর্সিংসহ অন্যান্য কাজে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং জিডিপি প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে যাবে। জানা গেছে, গ্রাহক পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় চুক্তি করা হবে। এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন থেকে গ্রাম পর্যন্ত সংযোগ ও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী জুলাই মাস নাগাদ গ্রাম পর্যায়ে এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করা যাবে।
আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য তথ্য-প্রযুক্তিকে এগিয়ে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী বেকার তরুণদের জন্য দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট হয়ে উঠুক ভাগ্য বদলের হাতিয়ার।