
কুমিল্লা নগরীতে মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার যাত্রী নিহত ফরিদ মুন্সী (৫৫) ও পেয়ারা বেগম (৪৫) দম্পতির একমাত্র মেয়েকে আঁখিকেও বাঁচানো গেল না। ডাক্তার ও স্বজনদের প্রাণান্তকর চেষ্টার পর সোমবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার জেঠা আবু তাহের মুন্সি।
তিনি আরও জানান, ডাক্তাররা আখিকে বাঁচানোর আশা আগেই ছেড়ে দিয়েছিলেন। তার পরও আমরা চেষ্টা করেছি। আখি দেবিদ্বার উপজেলা সদরের একটি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। আঁখির মরদেহ বাড়িতে আনা হচ্ছে। তাকে তার বাবা মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
এর আগে গত বুধবার সকাল ভাগনে রাকিবুলের (২৪) সিএনজিতে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার গজারিয়া গ্রামের ফরিদ মুন্সী চিকিৎসার জন্য স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। নগরীর শাসনগাছা রেলক্রসিংয়ে তাদের বহনকারী অটোরিকশায় মালবাহী ট্রেনের ধাক্কা লাগে। এতে ফরিদ মুন্সী ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম মারা যান। আহত তার মেয়ে আখি ও ভাগিনাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আঁখির অবস্থা সংকটাপন্ন হলে ৩ দিন আগে ঢামেকে নেয়া হয়। সোমবার সকালে সেখানে আঁখির মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সিএনজি চালক রাকিবুল।