
ঢাকা
প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) এবারের মৌসুমে তারকাসমৃদ্ধ দল
গড়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। তবে তামিম ইকবালের সঙ্গে মুস্তাফিজুর
রহমান, মুমিনুল হক, ইয়াসির আলি রাব্বি, মোহাম্মদ মিঠুন, রুবেল হোসেন, শেখ
মেহেদী হাসান, এনামুল হক বিজয়, নাসির হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলামদের
দলে নিলেও জাতীয় দলের ব্যস্তাতার জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে লিগ পর্বে
পাননি কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। নাসির, বিজয়, মেহেদীসহ যে কয়েকজনকে
পেয়েছেন, তাদের ফিটনেসে অসন্তুষ্ট কোচ।
আজ (রোববার) মিরপুরে
সংবাদমাধ্যমকে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমার
দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় আনফিট। এনার্জি তিন-চার ম্যাচের জন্যই ছিল। এরপর আর
ছিল না। মৌসুম শুরুর আগে খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হবে। মৌসুম
শুরুর পর ফিটনেস নিয়ে কাজ করা কঠিন। কারণ পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বাজে
ফিল্ডিং সাইড ছিলাম আমরা। ওইটা মেক আপ করা কঠিন হবে।’
সঙ্গে যোগ করেন
সালাউদ্দিন, ‘আমি আমার দলকে বার্তা দিয়েছি। সামনের বছর যদি খেলতে হয় তাহলে
ফিটনেস নিয়ে খেলতে হবে। নয়তো খেলার সুযোগ নেই। আশা করছি তারা যেন আগামীবার
খেলার আগে ফিটনেসটা ঠিক করে আসে। তাহলে নিজের জন্য ভালো হবে। দলের জন্য
ভালো হবে।’
তারকায় ঠাঁসা দল গড়লেও ডিপিএলে ভালো অবস্থানে নেই প্রাইম
ব্যাংক। লিগ পর্ব শেষে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে থেকে সুপার লিগে
উঠেছে তারা। শীর্ষে থাকা শেখ জামালের থেকে পিছিয়ে ৬ পয়েন্টে। শিরোপার স্বাদ
অনেকেতাই ফিকে হয়ে গেছে।
দলের এমন পারফরম্যান্সে খেলোয়াড়দের ফিটনেসকেই
দুষছেন সালাউদ্দিন, ‘আপনি যত ম্যাচের শেষ দিকে গিয়ে ভুল করবেন তত আপনি
ম্যাচের জন্য আনফিট। নরম্যালি এইটা আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে বেশি
হয়। আমি বলবো যে, ফিটনেস ভালো হলে আপনি কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না। এটা
পুরোটা নির্ভর করে ফিটনেসের উপর। সেটা আপনি মানসিক ফিটনেস বলেন আর শারীরিক
ফিটনেস বলেন না কেন। দুইটার সঙ্গে রিলেটেড। যারা ভুল করে শেষ দিকে তারা এই
কারণেই করে।’