
গত
বছর টি-টোয়েন্টির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন নাঈম শেখ। কিন্তু সাম্প্রতিক
সময়ে ফর্মহীন থাকায় কপাল পুড়েছে তার। গত সপ্তাহে ঘোষিত কেন্ত্রীয় চুক্তি
থেকে বাদ পড়ে গেছেন। তবে বাদ পড়ার জবাবটা যেন দিতে চাইলেন প্রিমিয়ার লিগে।
প্রথম ম্যাচে নেমেই পেয়েছেন সেঞ্চুরি। যা আবার মঙ্গলবার শুরু হওয়া ঢাকা
প্রিমিয়ার লিগের প্রথম সেঞ্চুরিও। খেলেছেন ১১৫ রানের ইনিংস।
মিরপুর শেরে
বাংলা স্টেডিয়ামের প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নেমেছে ঐতিহবাহী
ক্লাব আবাহনী ও রূপগঞ্জ ক্রিকেটার্স। আগে ব্যাট করা আবাহনী শুরুতেই ব্যাটিং
বিপর্যয়ে পড়ে গিয়েছিল। দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন নাঈম শেখ।
সর্বশেষ বিপিএলে চমক দেখানো মুনিম শাহরিয়ারের সঙ্গে আবাহনীর ইনিংসের
গোড়াপত্তন করতে নেমেছিলেন। কিন্তু এক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট
হারিয়ে শুরুতেই বড় চাপে পড়ে যায় তারা। দলীয় ৪৮ রানেই হারায় চার উইকেট! তখন
এক প্রান্ত আগলে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে আবাহনীর স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেছেন
নাঈম। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের পুঁজি পেয়েছে আকাশী-নীল
জার্সিধারীরা।
দলের বিপদে ওপেনিংয়ে নামা নাঈম অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন
সৈকতকে নিয়েই ইনিংস মেরামতের কাজ করেছেন। ৭৭ রানের জুটিতে চাপ সামলে নেন
তারা। এরপর অধিনায়কের বিদায়ের পর শামিম হোসেন পাটোয়ারীকে নিয়ে ৫৮ রানের আরও
একটি জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছেন। এই সময় নাঈম পূরণ করেন
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের পঞ্চম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১৩২ বলে ১০ চার ও ২
ছক্কায় ১১৫ রান করে আউট হয়েছেন নাঈম।
২০১৮ সালে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের
বিপক্ষে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে অভিষেক হয় নাঈম শেখের। ঢাকা লিগের ওই আসরে ১৬
ম্যাচ খেলে তিন সেঞ্চুরিতে তার রান ছিল ৮০৭। পরের বছর বাংলাদেশ ‘এ’ দলের
হয়ে করেছিলেন চতুর্থ সেঞ্চুরি। খেলেছিলেন ১২৬ রানের ইনিংস। মঙ্গলবার পেলেন
পঞ্চম সেঞ্চুরিটি।
এছাড়া ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা
সাইফউদ্দিনও রান পেয়েছেন। ৮ নম্বরে নেমে ৪৩ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেছেন এই
অলরাউন্ডার। মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রানের ইনিংস।