ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
তিন পেনাল্টি আর ৬ গোলের ম্যাচে জিতলো না কেউ!
Published : Friday, 25 February, 2022 at 12:00 AM
প্রিমিয়ার লিগে সাইফ স্পোর্টিং ও চট্টগ্রাম আবাহনীর ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। তার পরেও তিন পেনাল্টি আর ৬ গোলের ম্যাচটিতে জিততে পারেনি কেউ। পিটার থ্যাঙ্কগডের হ্যাটট্রিকে দুই দলের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ৩-৩ সমতায়। এমন ম্যাচে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বিতর্ক রেফারিংও। বিরতিতে সাইফের আর্জেন্টাইন কোচ ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানিকে রেফারির কাছে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে!
অবশ্য ড্র হওয়াতে টানা দুই হারের পর পয়েন্ট পেয়েছে সাইফ স্পোর্টিং। পাঁচ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা ষষ্ঠ স্থানে আছে। তৃতীয় ড্র করা চট্টগ্রাম আবাহনীর পয়েন্ট ৯। তাদের অবস্থান চার।
মুন্সিগঞ্জের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচ ঘড়ির ৫ মিনিটে এগিয়ে যায় সাইফ। আসরোর গফুরভের লং পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকা দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জায়গা করে নেন সাজ্জাদ। এরপর বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন এই মিডফিল্ডার।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ‘বিতর্কিত’ পেনাল্টিতে সমতায় ফেরে চট্টগ্রাম আবাহনী। বক্সে শোয়েব মিয়ার ক্রস আবিদ মিয়ার হাতে লাগায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি মিজানুর রহমান। যদিও ভিডিও রিপ্লেতে আবিদের হাতে বল লাগার স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে সাইফের কোচ, খেলোয়াড়রা প্রতিবাদ জানিয়েও কোনও প্রতিকার পাননি।
মেজাজ হারিয়ে সাইফ কোচ আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি ম্যাচ কমিশনারের টেবিলে চাপড়ও মেরেছেন! ক্রুসিয়ানি এতই ক্ষুব্ধ ছিলেন যে, বিরতির বাঁশি বাজার পর পর রেফারির সঙ্গে কথা বলতে মাঠের মাঝামাঝিও চলে গেছেন।
এই উত্তেজনা বিরতির পরেও কমেনি! এমন পরিস্থিতি সঙ্গী করেই ৫৮ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় সাইফ। বক্সে গফুরভকে চট্টগ্রাম আবাহনীর নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার কেহিন্দে ইসা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় তারা। এমেকা ওগবাগ নিখুঁত স্পট কিকে দলকে ফের এগিয়ে নিয়েছেন।
রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৬৬ মিনিটে সমতায় ফিরে চট্টগ্রাম আবাহনী। সোহেল রানার থ্রু থেকে বল জালে জড়িয়েছেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড পিটার।
৭৮ মিনিটে বক্সে কৌশিক বড়ুয়ার হাতে বল লাগলে আবার পেনাল্টি পায় সাইফ। বলের লাইনে ঝাঁপ দিলেও ওগবাগের শট আটকাতে পারেননি চট্টগ্রাম আবাহনী গোলকিপার আজাদ হোসেন। এই পরিস্থিতিতে জয়ের আশাই করছিল তারা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে হতাশ হতে হয় তাদের। শওকত রাসেলের ক্রসে ইসার সাইড ভলি ফিরিয়েছিলেন মিতুল, কিন্তু পিটারের হেড তার গ্লাভস ছুঁয়ে জালে জড়ায়। হ্যাটট্রিক পূরণ হতেই আনন্দ ছুঁয়ে যায় এই নাইজেরিয়ানের। তাতে যে হারও এড়ানো গেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর।