
চারজাতি
প্রতিযোগিতায় আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ড্র করলেই ফাইনালে জায়গা করে নেবে
বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ স্বাগতিক দল হওয়ায় কোন ভুল করতে চাইছে না জামাল
ভূঁইয়ারা। লক্ষ্য এখন একটাই, যে করেই হোক স্বাগতিকদের বিপক্ষে পয়েন্ট নিতে
হবে।
পয়েন্ট অর্জনে তাই রণকৌশলেও পরিবর্তন এনেছেন কোচ মারিও লেমস।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ৩৫ বছর বয়সী কোচ ভিন্ন পরিকল্পনার কথা শোনাতে গিয়ে
বলেছেন, ‘শুরু থেকেই বলে আসছি, প্রতিটি ম্যাচই ভিন্ন। শ্রীলঙ্কা (ম্যাচ)
ভিন্ন রকম, মালদ্বীপ ও সেশেলস ম্যাচও ভিন্ন রকমের। এই ম্যাচের জন্য তাই
ভিন্নভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। শেষ ম্যাচে আমরা এমন একটা অবস্থায় আছি,
ফাইনালে যেতে হলে পয়েন্ট লাগবে। সেই দিকেই দৃষ্টি দিচ্ছি এবং জয়ের জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
গুরুত্ব থাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের রক্ষণ
জমাট করে খেলতে চাইছেন লেমস। যাতে প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ড বক্সে ঢুকে পড়তে না
পারে। শ্রীলঙ্কার আগের ম্যাচ বিশ্লেষণ করে এই কোচ বলেছেন, ‘সেশেলসের
বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি আমি দেখেছি, সমর্থকরা তাদের পাশে ছিল। এমনকি তারা
যখন গোল খেলো এবং ভালো খেলছিল না, তখনও সমর্থকরা উল্লাস করছিল দলকে
অনুপ্রাণিত করার জন্য। তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রক্ষণ জমাট, আরও বেশি
শৃঙ্ক্ষল থাকতে হবে। আমাদের অবশ্যই ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝতে হবে।
শ্রীলঙ্কাকে ঝুঁকি নিতে হবে, জেতার জন্য তারা সেটা নিবেও। তাই আমাদের ভুল
করা যাবে না, নাহলে মাশুল দিতে হবে।’
শ্রীলঙ্কার বসনিয়ার কোচ আমির
আলাজিকও ঘুরে দাঁড়ানোর মন্ত্র জপছেন। তবে ফাইনালে উঠতে হলে বাংলাদেশের
তুলনায় তাদের কাজটা কঠিন। তিন পয়েন্ট পেতেই হবে। আলাজিক তাই পুরো শক্তি
নিয়েই বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে চাইছেন, ‘আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশ ভালো পজিশনে আছে; ফাইনালে উঠতে তাদের ড্র লাগবে। কিন্তু ড্র করতে
হলেও আপনাকে মেলে ধরতে হবে। দেখা যাক কী হয়। আর প্রতিটি ম্যাচ জেতাই লক্ষ্য
হিসেবে থাকে। আমরা নিজেদের মাঠে খেলবো। তাই কৌশলে কিছু পরিবর্তন এনেছি।
আশা করি, ছেলেরা কাল পুরো শক্তি নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামবে।’