হারারে টেস্টে প্রথম সেশনের চেয়ে দ্বিতীয় সেশনটা অপেক্ষাকৃত ভালো কাটলো বাংলাদেশের। প্রথম সেশনে ২৩ ওভারে ৭০ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় সেশনে ২৬ ওভারে রান তুলেছে ৯৭। উইকেট খুইয়েছে আরও তিনটি।
দ্বিতীয় সেশনে টানা দুই ওভারে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম আর সাকিব আল হাসান আউট হন। পরে হাফসেঞ্চুরিয়ান মুমিনুলও সাজঘরে ফিরেছেন। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর লিটন দাস হাল ধরেছেন এরপর।
ষষ্ঠ উইকেটে এখন পর্যন্ত তারা মাত্র ৩৫ রান যোগ করলেও কাটিয়ে দিয়েছেন ১৩ ওভার। বাংলাদেশও তাই বিপদ অনেকটা সামলে উঠেছে। ৬ উইকেটে ১৬৭ রান নিয়ে চা-বিরতিতে গেছে সফরকারিরা। মাহমুদউল্লাহ ১৪ আর লিটন ২৬ রানে অপরাজিত আছেন।
হারারের অনেকটাই অপরিচিত উইকেটে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। কিন্তু প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়েতে টেস্ট খেলতে যাওয়া সাইফ-শান্তরা যেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না।
ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই ব্লেসিং মুজারবানির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোকা বনেন সাইফ। ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন, ব্যাটটা যেন একটু দেরিতে আসে। আর ততক্ষণে বল স্ট্যাম্পে আঘাত হানে সহজেই। টেস্ট ক্যারিয়ারের আট নম্বর ইনিংসে তৃতীয় শূন্যের দেখা পান সাইফ।
নাজমুল হোসেন শান্তও আরও একবার যেন বুঝিয়ে দিয়েছেন, নতুন বলে তিনি বেশ বেমানান। মুজারবানিরই এক ডেলিভারি ডিফেন্ড করতে গিয়ে তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ হন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান, মাত্র ২ রান করে।