ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ পর্যবেক্ষণ করবেন হাইকোর্ট
Published : Wednesday, 21 April, 2021 at 12:00 AM
দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সরবরাহের বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখবেন হাইকোর্ট। করোনা পরিস্থিতিতে সংকট হতে পারে তাই সীমিত সময়ের জন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অক্সিজেন বন্ধ রেখে শুধু হাসপাতালগুলোতে সরবরাহের নির্দেশনা চেয়ে একটি রিটের অনুমতি নিতে গেলে এ কথা বলেন হাইকোর্ট।
আদালত বলেন, সরকার যেহেতু অক্সিজেন সরবরাহের সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ও অক্সিজেনের সংকট নেই বলে জানিয়েছে, তাই আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। মানুষের জীবন বাঁচানো সবার আগে। প্রয়োজন হলে আদালত অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।
মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ কথা বলেন।
এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী।
এদিন আদালতে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান করোনায় অক্সিজেন সংকট হতে পারে দাবি করে হাসপাতালে রোগীদের জন্যে অক্সিজেন সরবরাহ পর্যাপ্ত করার বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, সীমিত সময়ের জন্য দেশের শিল্প-কারখানায় অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে শুধু হাসপাতাল ও মেডিকেলগুলোতে রোগীদের জন্য অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশনায় রিটের অনুমতি চাই।
ইশরাত হাসান আরও বলেন, ভারতে করোনাকালে শিল্প-কারখানায় অক্সিজেন সাপ্লাই বন্ধ করে শুধুমাত্র হাসপাতাল ও মেডিকেল সেন্টারে সাপ্লাই দিচ্ছে। একইসঙ্গে অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ও হাসপাতালগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদনও জানান তিনি।
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতকে জানান, সরকার হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। দেশে অক্সিজেনের সংকট নেই। কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাসের সাপ্লাই রয়েছে।
তখন আদালত আইনজীবী ইসরাত হাসানের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার যেহেতু অক্সিজেন সরবরাহের সর্বাত্মক চেষ্টা করছে ও অক্সিজেনের সংকট নেই বলে জানিয়েছে, তাই আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। প্রয়োজন হলে আদালত অবশ্যই বিষয়টি দেখবে।
আইনজীবী ইসরাত হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি জনস্বার্থে অক্সিজেনের সংকট দূর করার নির্দেশনা চেয়ে আদালতে রিটের অনুমতি নিতে কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। কোর্ট আমার বক্তব্য শুনলেন। রাষ্ট্র পক্ষের বক্তব্য শুনলেন। প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে রিট করব।