
আগামী
পরশু থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। সারাবিশ্ব জুড়েই চলছে ফুটবল
উন্মাদনা। এরই মধ্যে তুরস্কের আনতালিয়ায় শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ আরচ্যারি
স্টেজ-৩। বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে দশ ইভেন্টের মধ্যে মাত্র পাঁচ ইভেন্টে
অংশগ্রহণ করবে। ইতোমধ্যে তিন জন পুরুষ রিকার্ভ, এক নারী রিকার্ভ ও এক
কম্পাউন্ড পুরুষ আরচ্যার তুরস্কে পৌঁছেছেন।
এই বিশ্বকাপে আরও কয়েকজন
আরচ্যার যাওয়ার কথা ছিল এবং অন্য ইভেন্টেও বাংলাদেশের এন্ট্রি ছিল। অন্য
আরচ্যারদের না যাওয়া প্রসঙ্গে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ
বলেন, ‘কয়েকজন আরচ্যার আজ ভিসা পেয়েছেন। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।
তাদের পক্ষে আর খেলা সম্ভব নয়।’
তুরস্কের এই বিশ্বকাপে দল পাঠানো নিয়ে
ফেডারেশন খানিকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। এতে সরকারি আদেশের অনুমতি, ভিসা
আবেদনে খানিকটা বিলম্ব হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে কয়েকজন খেলোয়াড় যেতে পারেননি।
টোকিও
এবং প্যারিস অলিম্পিকে বাংলাদেশের দুই আরচ্যার রোমান সানা এবং সাগর ইসলাম
সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। অলিম্পিকে আরচ্যারিতে পদক জয়ের স্বপ্ন
বাংলাদেশের। এজন্য বিশ্বকাপে নিয়মিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। যদিও আরচ্যারিতে
বছরে একাধিক বিশ্বকাপ হয় এবং প্রতি বিশ্বকাপে পূর্ণাঙ্গ দল প্রেরণ বেশ
ব্যয়বহুলও। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক তুরস্ক বিশ্বকাপে দল
প্রেরণে আগ্রহী ছিলেন না। তবে কমিটির অন্য সবাই আসন্ন এশিয়ান গেমসের আগে
প্রস্তুতি এবং বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতা তুলে ধরার পর
প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। সিদ্ধান্তহীনতার ফলেই ভিসা প্রাপ্তিতে বিলম্ব
বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর।
কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক জার্মান নাগরিক। জার্মান
পাসপোর্ট থাকায় তার তুরস্কের ভিসার প্রয়োজন হয় না। রিকার্ভ পুরুষ আরচ্যার
মিশা প্রধান, আব্দুর রহমান আলিফ, রাম কৃষ্ণ সাহা, মহিলা রিকার্ভ আরচ্যার
নাসরিন আক্তার, কম্পাউন্ড পুরুষ আরচ্যার হিমু বাছাড়ের অফিসিয়াল পাসপোর্ট
থাকায় তারা দ্রুত যেতে পারছেন। ম্যানেজার সাইদুজ্জামান তুহিন আজ রওনা
হয়েছেন। পুষ্পিতা জামান, কুলসুম আক্তার মনি, ঐশ্বর্য রহমানের মতো আরচ্যাররা
এই বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না।
