মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬
২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ ইরান কীভাবে নেবে?
আমীন আল রশীদ
প্রকাশ: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১:২৩ এএম আপডেট: ০২.০৩.২০২৬ ২:৩৪ এএম |

 খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ  ইরান কীভাবে নেবে?
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে? এর আগে আরও একাধিকবার ইরান-ইসরায়েল তথা ইরান অ্যামেরিকা সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর নানা শঙ্কা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধটা পারমাণবিক যুদ্ধের দিকে গড়ায়নি বা রাশিয়া ও চীনের মতো পরাক্রমশালী দেশগুলো এই যুদ্ধে জড়ায়নি। কিন্তু খামেনিকে হত্যা পুরো দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে কি না; যে খামেনিকে ইরানের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে; একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে-তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও অ্যামেরিকা সত্যিই ইরানের পিঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিলো কি না-সেটি এখন বড় প্রশ্ন। আর সত্যিই যদি এই যুদ্ধে ইরানের পক্ষে রাশিয়া, চীন ও তুর্কিয়ে সমর্থন জানিয়ে তারাও যুদ্ধ ঘোষণা করে, তাহলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো হয়তো সত্যিই কঠিন হবে।
গত বছরের ১০ মে দ্য গার্ডিয়ানের একটি বিশ্লেষণে নজর দেয়া যাক। অৎব বি যবধফরহম ভড়ৎ ধহড়ঃযবৎ ড়িৎষফ ধিৎ – ড়ৎ যধং রঃ ধষৎবধফু ংঃধৎঃবফ শিরোনামে গার্ডিয়ানের কূটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইন্টুরের ওই বিশ্লেষণে বলা হয়: বিশ্ব যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির ৮০তম বার্ষিকী পালন করলো, তখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যেন আরও ঘণীভূত হচ্ছে। যুক্তরাজ্য সরকারের কৌশলগত প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ফিওনা হিলের বরাতে বলা হয়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, আমরা কেবল তা স্বীকার করছি না।
সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ড চ্যাথাম হাউসকে উদ্ধৃত করে ওই বিশ্লেষণে বলা হয়, বিশ্ব সব সময়ই পরিবর্তিত হচ্ছে-এ কথা আমরা শুনে থাকি। কিন্তু এবার সত্যিকারের ভূরাজনৈতিক রূপান্তর ঘটছে। ১৯৮৯-৯০ সালের মতোই তাৎপর্যপূর্ণ, যখন শীতল যুদ্ধ থেকে একমেরু বিশ্বে রূপান্তর হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিবর্তনের লক্ষণ এবং কারণ।
সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের ভাষায়: সবাই স্বস্তির জায়গা থেকে ছিটকে পড়েছে। রাজনৈতিক অরণ্যে যে শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা বিকল্প খোঁজার মরিয়া প্রচেষ্টা। মানুষ নিজেদের অবস্থান ও সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করছে। এটি এক বিশাল ধাক্কা।ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ গাজাকে ছয় মাসের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার কথা বলেছেন। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের ঘোষণাও দিয়েছেন।
শনিবার ভোরে পূর্বঘোষণা ছাড়াই ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। নিশানা হয় একটি বিভিন্ন সরকারি কার্যালয়সহ একটি বালিকা বিদ্যালয়ও। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী প্রাণ হারান।রবিবার তেহরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও। এই হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৩ জুন ইরানের ওপর ইসরায়েলের আকস্মিক বিমান হামলার ঘটনায়ও এই প্রশ্নটি সামনে এসেছিল যে, এই যুদ্ধ কি আদৌ বিশ্বযুদ্ধের দিকে যেতে পারে? ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ—এই দুইয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়, তার পরিণতি আসলে কী হবে? তখন অবশ্য যুদ্ধটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং বিশশ্বযুদ্ধের মতো আরেকটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়নি এই গ্রহবাসীকে। কিন্ত এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার ইসরায়েল ও তার প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ইরানিদের কলিজায় আঘাত করেছে। তারা এমন একজন মানুষকে হত্যা করেছে, যিনি ইরানের কেন্দ্রবিন্দু। খামেনি ইরানিদের কাছে একটি অনুভূতির নাম। সেই অনুভূতিতে চরম আঘাতের জবাব ইরান কীভাবে দেবে এবং সেই জবাবে তার মিত্ররা তার পাশে থাকবে কি না বা থাকলেও তার ধরন কী হবে-এরকম নানা যদি কিন্তুর ওপর নির্ভর করছে বিশ্ব আরেকটি বিভীষিকাময় বিশ্বযুদ্ধের দিকে যাবে কি না এবং শেষ পর্যন্ত কোনো একটি দেশ পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না।
খামেনি নিহত হওয়ায় ইরানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে তার শহীদ হওয়া এই মহান নেতার বৈধতার প্রমাণ এবং তার আন্তরিক সেবার প্রতি জনগণের স্বীকৃতির নিদর্শন।’ আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘ইরানি জাতির প্রতিশোধের হাত তাদের ছাড়বে না।’
তবে ইরান প্রতিশোধ নিলে ‘আরও কঠোর’ হামলার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ইরান যদি প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এমন হামলা করবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। রবিবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান এই মাত্র বলেছে, তারা আজ খুব জোরালোভাবে আঘাত হানবে, এমনভাবে যা আগে কখনো হয়নি। তাদের এটি করা উচিত না। কারণ যদি তারা করে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে এমন শক্তি প্রয়োগ করবো যা আগে কখনো দেখা যায়নি।’
মনে রাখতে হবে, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। শুধু ইউক্রেন যুদ্ধের ফলেই বিশ্বব্যাপী গম তথা আটাজাতীয় খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এসব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এবার ইরানের আক্রমণের পরপরই তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।
প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের মধ্যে অবস্থিত একটা চ্যানেল বা খাল। এর প্রবেশ এবং প্রস্থানপথ প্রায় ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত। মধ্যবর্তী স্থানে এর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ প্রায় ৪০ কিলোমিটার প্রশস্ত। তবে এই প্রণালির কেন্দ্রীয় অংশ বড় জাহাজের চলাচল করার জন্য যথেষ্ট গভীর।
বিশ্ব তেল রপ্তানির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালী। উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর রপ্তানির বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে সম্পন্ন হয়। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এখান দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তেল পাঠায়। সরু এ সামুদ্রিক পথটি ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) অনুমান, ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতি বছর সমুদ্রপথে পরিবহন করা প্রায় ৬০ হাজার কোটি ডলার মূল্যের জ্বালানি বাণিজ্যের সমতুল্য এটি। সুতরাং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে দেরি হতে পারে এবং এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে তেলের দামের ওপর।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য যেসব দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল আমদানির ওপর নির্ভরশীল, তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা অনেকটা পারমাণবিক অস্ত্র রাখার মতোই। একে প্রতিরোধ ক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। খামেনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইরান হয়তো সেই প্রতিরোধ ক্ষমতারই প্রয়োগ করলো। সেইসাথে এবার আক্রান্ত হওয়ার পরপরই ইরান পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সকল মিত্ররাষ্ট্রে হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলো ব্যাপক বিধ্বংসী না হলেও এগুলো মধ্যে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে যে, আক্রান্ত হলে জবাব দেয়ার মুরদ ইরানের আছে। এইসব হামলার আরেকটি ইঙ্গিত হলো, পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে তেলসমৃদ্ধ আরব দেশগুলোর শাসকরা এরকম পরিস্থিতিতে একযোগে ইরানের ওপর হামলা চালাবে নাকি নিজেদের জনগণ ও সম্পদ রক্ষায় যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করবে, সেটি বড় প্রশ্ন। তাছাড়া ইরানের ওপর ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মার্কিন মিত্র আরব দেশগুলো একযোগে হামলা চালালে তখন ইরানকে রক্ষার নৈতিক দায়িত্ব এসে বর্তাবে রাশিয়া, চীন ও তুর্কিয়ের ওপর। তখন বিশ্বযুদ্ধ ঠেকানো কঠিন হবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেদিকে হয়তো যুদ্ধটা যাবে না। কেননা, এবার বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে পরমাণ অস্ত্রের ব্যবহার ঠেকানো মুশকিল হবে। এর ভয়াবহতা বিশ্ববাসী জানে। অতএব এরকমএকটি আত্মঘাতি যুদ্ধে পরাক্রমশালী দেশগুলো জড়াবে কি না, সেটি বড় প্রশ্ন। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ কী করছে?
তেহরানে অ্যাস্ট্রেলিয়ার সাবেক কূটনৈতিক প্যাট্রিক গিবন্স মনে করেন, আগামী এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ অনেক কিছু স্পষ্ট করে দেবে। খামেনির চারপাশে থাকা কট্টরপন্থীরা প্রতিশোধের রাজনীতি চালিয়ে যেতে পারেন এবং ইসরায়েল, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে পারেন। আবার তারা বাস্তবতা মেনে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেও পারেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আসলে ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে ফেলতে চান। এর সঙ্গে ইরানে গণতন্ত্র তথা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়ার দাবিও রয়েছে। ইরান সরকার নিজেই সম্প্রতি বড় ধরনের বিক্ষোভ মোকাবিলা করেছে। সরকারের পতন হয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার অনেকে এমনটাও বলছিলেন। সব মিলিয়ে একদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং স্বয়ং খামেনির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হলো, সেটি ইরানকে সমঝোতার দিকে নিয়ে যাবে নাকি আরও বেশি প্রতিশোধপরাণ করবে, সেটি নির্ভর করবে ইরান তার মিত্রদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছে-তারওপর।
তবে শেষ পর্যন্ত আলোচনা ও সমঝোতার পথ এড়িয়ে যদি উভয়পক্ষই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যেও আরেকটি ইউক্রেইন তৈরি হবে এবং যুদ্ধটা হবে দীর্ঘস্থায়ী-যার ফল ভোগ করতে হবে তেলসমৃদ্ধ ধনী আরব রাষ্ট্রগুলোকেও-যেসব দেশে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি তথা এশিয়ান মানুষ জীবিকা অর্জনের জন্য কাজ করেন। এই যুদ্ধ তখন বাংলাদেশের মতো দুর্বল অর্থনীতির দেশের ওপর সরাসরি আঘাত হানবে-যা মোকাবিলা করার শক্তি ও সামর্থ্য হয়তো বাংলাদেশের নেই।
লেখক: সাংবাদিক ও লেখক।












http://www.comillarkagoj.com/ad/1752266977.jpg
সর্বশেষ সংবাদ
কুমিল্লায় মন্দিরে ও মসজিদের সামনে ককটেল হামলার ঘটনায় মামলা
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ঈদকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার তাগিদ
গীবত বা পরনিন্দা
তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়ে যাবে -ড.মোশাররফ
মেঘনায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
কুমিল্লায় মন্দিরে ককটেল ছুড়ে পালিয়ে যাবার সময় মসজিদের মুসল্লিদের উপর ককটেল নিক্ষেপ, আহত ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে ও মসজিদের সামনে ককটেল হামলার ঘটনায় মামলা
বাংলাদেশে এ মুহূর্তে তেলের কোনো সংকট নেই -মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ঈদকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার তাগিদ
চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল এন্ড কলেজে সংবাদ সম্মেলন
Follow Us
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩, +৮৮ ০১৭১১ ৯৯৭৯৬৯, +৮৮ ০১৯৭৯ ১৫২৪৪৩, ই মেইল: newscomillarkagoj@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০২২