ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪
আসনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগে কসবা উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছয় কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দিয়েছে
কর্তৃপক্ষ।
আগামী শনিবার তাদেরকে সশরীরে হাজির হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার
কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার
পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া।
শোকজ পাওয়ারা হলেন- কসবা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম,
সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জুবায়ের মাহমুদ, ফরিদ
আহম্মদ ও নেপাল চন্দ্র দাস এবং স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন।
কসবা
ও আখাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী
হয়েছেন বিএনপির প্রয়াত সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মুশফিকুর
রহমান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জানিয়েছে, সরকারি চাকরি করেও ওই ছয়
কর্মকর্তা বিএনপির পক্ষে নির্বাচনি কাজে অংশ গ্রহণ করছেন বলে জেলা সিভিল
সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামের
প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালক শিবলী নোমানী।
অভিযোগে বলা হয়, তারা একটি
রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রকাশ্যে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়েছেন। অভিযোগের
সঙ্গে প্রচারণার কাজে অংশ নেওয়ার ছবি জুড়ে দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশনের
১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের ২০ (খ) ধারা মোতাবেক সরকারি
কর্মকর্তা/কর্মচারী কোনো রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ ও প্রচার-প্রচারণায় অংশ
গ্রহণ নিষেধ করা হয়।
নির্বাচনি প্রচারকাজে অংশ নেওয়ার বিষয়টি সংসদ
নির্বাচনে রাজনৈতিক দল প্রার্থীর আচরণবিধি পরিপন্থি এবং নির্বাচনি আচরণবিধি
লঙ্ঘনের শামিল।
এমন কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয়
শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা
হবে না, তা আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার
কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
