শৃঙ্খলা
ভঙ্গের অভিযোগে হাজী ইয়াছিনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি'র
নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর একটি রেষ্টুরেন্টে এ সংবাদ
সম্মেলন করেন তারা। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিল্লা সিটি
কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র ও ২০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো.
হারুনুর রশিদ।
এ সময় তিনি বলেন, আজ ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি
দিবস। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংগঠিত সিপাহী বিপ্লাবের দিনটি বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও দেশের মানুষের কাছে গুরত্বপূর্ণ। এ দিবসকে
কেন্দ্রে করে বিএনপি ইতিমধ্যে ১০ দিনে কর্মসূচী ঘোষণা করেছে। কুমিল্লা জেলা
ও মহানগর বিএনপি উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ে
বিকাল ৪ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক
সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা
বিভাগ) মো: মোস্তাক মিয়া, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ
ওয়াসিম, মহানগর বিএপির সভাপতি উদবাদুল বারী আবু'র উপস্থিতিতে জেলা, মহানগর
বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিত ছিলেন।
দলীয় কার্যালয়ের
১০০ গজের মধ্যে টাউন হল মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর
রশীদ ইয়াছিন, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা সভাপতি মোঃ রেজাউল কাইয়ুম, সাধারণ
সম্পাদক রায়হান আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, জেলা বিএনপির সাবেক
যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব চৌধুরী গংদের নেতৃত্বে একই শহরে একই সময়ে জাতীয়
বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন না করে, ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান
নেয় ও বক্তব্য প্রদান করেন।
এতে করে আমরা বিএনপি মাঠ পর্যায়ের
নেতা-কর্মীরা দ্বিধাবিভক্ত ও ঐক্যবদ্ধ বিএনপি প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ। যা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত ঐক্যবদ্ধ বিএনপির
প্রকাশ্য গ্রুপিং এর অংশ ও শৃংখলা ভঙ্গের শামীল। আমরা তাদের বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।
এ সংবাদ সম্মেলনে সদর দক্ষিণ থানা
বিএনপির আহ্বায়ক আবু হানিফ, বিএনপি নেতা, নাগরিক কমিটি, কুমিল্লার সদস্য
সচিব মো. আবুল বাশার, বিএনপি নেতা আ. মতিন, দেলোয়ার প্রমুখ।
