কুমিল্লার
মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে ধর্ষণের শিকার নারীর নিরাপত্তা
নিশ্চিত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আদেশ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল
করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি)।
রবিবার (২৭ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।
আদালতে
রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মীর এ কে এম নুরুন্নবী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল
কবির।
এর আগে কুমিল্লার মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে এক
নারীকে (২৫) ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় করা মামলার পর পাঁচ জনকে গ্রেফতার
করে পুলিশ।
এদিকে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুন কুমিল্লার
মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে ধর্ষণের শিকার নারীর নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে
ধর্ষণের শিকার নারীর নির্যাতনের ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম থেকে অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত।
এরপর গত ২২ জুলাই
কুমিল্লার মুরাদনগরের একটি গ্রামে বসতঘরের দরজা ভেঙে ধর্ষণের শিকার নারীর
নিরাপত্তা নিশ্চিত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আদেশ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত
প্রতিবেদন দাখিল না করায় কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে তলব করেন হাইকোর্ট। আগামী
১২ আগস্ট তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
