
এসইসিকে শক্তিশালী করার দাবিতে কুমিল্লার বিনিয়োগকারীদের মানববন্ধন
মনির হোসেন
শেয়ারবাজার নিয়ে চক্রান্তকারীদের শাস্তি, নির্ধারিত সময়ে পরিচালকদের শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রায় এসইসিকে আরও র্কাযকর ও শক্তিশালী করার দাবিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলার শাখার ব্যানারে মানববন্ধন করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লা জিলা স্কুল রোড ব্র্যাক ইপিএল হাউজের সামনে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলার শাখার ব্যানারে বিনিয়োগকারীরা এ মানবন্ধন করেছেন। বিনিয়োগকারীরা বলেন,বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ,উদ্যোক্তা পরিচালকদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেয়ার কেনাসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে এসইসিকে আরো বেশি সক্রিয় করার দাবিতে এ মানববন্ধন কর্র্মসূচি পালন করছি। ঢাকাতে আমাদের কেন্দ্র কমিটি মানববন্ধন পালন করছে। তারা বলেন,উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার কেনা নিয়ে চক্রান্ত হচ্ছে। যারা চক্রান্ত করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। আর এসসির সমতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলার শাখার সভাপতি রেজাউল হক আখি বলেন,শেয়ারবাজার নিয়ে কোন নাটক দেখতে চাই না। পরিচালকরা যদি কান্তিকালে হাল না ধরেন আর এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী শেয়ার ক্রয় করতে না পারেন তাহলে তাদেরকে পরিচালক পদ ছেড়ে দিতে হবে। না হয় এ দেশের সকল বিনিয়োগকারী রাজপথে নেমে বড় ধরনের কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে অস্থির আচরণ অব্যাহত থাকায় বাজারবিমুখ বিনিয়োগকারীদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। টানা দরপতনের বৃত্ত থেকে কোনো মতেই বের হতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। ফলে হা হুতাশ দিন দিন বাড়ছে। আবার অধিকাংশরা আতঙ্কে অস্থির হয়ে পড়েছেন।
বিনিয়োগকারী মোঃ শাহাজাহান সরকার ও আবদুল হালিম মোল্লা বলেন, গত২০১০ সালের ডিসেম্বরে দেশের পুঁজিবাজারে যে পতন শুরু হয়েছিল, বছর পার হলেও সে পতন থামার কোনো লণ দেখা যাচ্ছে না। পতনের বৃত্তে সব হারিয়ে বাজারবিমুখ হয়ে পড়েছেন প্রায় ৫ লাখ বিনিয়োগকারী। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দিশেহারা বিনিয়োগকারীর সংখ্যা। তারা বলেন, পুঁজিবাজারের অস্থিরতায় স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অর্র্থনীতি এ নিয়ে এখন সরকারও দুশ্চিন্তায় রয়েছে। বিনিয়োগে স্থবিরতা, সংকুচিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্ব যাত্রা, সরকারের বেপরোয়া ব্যাংক ঋণ গ্রহণ নিয়ে সরকার বিব্রত। তবে শেয়ারবাজার নিয়ে চক্রান্তকারীদের শাস্তি, নির্ধারিত সময়ে পরিচালকদের শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন হলেপুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনয়নের মধ্য দিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল হবে বলে মনে করছেন তারা। এদিকে মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন,্বিনিয়োগকারী জাহাঙ্গীর হোসেন,সাইফুল ইসলাম,খাইরুল,বাশার,মোঃ করিম মিয়া,আবু ইউসুফ,মোহন,সিরাজুল ইসলাম,জি এম ফেরদৌস,আনোয়ার হোসেন,দেলোয়ার হোসেন,আবু সাইঙ্গ,কামরুল খা,হোসেন মনির,নুরে আলম প্রমুখ।




