পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয় দেড়বছরেও পূর্ণাঙ্গতা পায়নি
Share
পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয় দেড় বছরেও পূর্ণাঙ্গতা পায়নি। লোকবল, ল্যাবরেটরি সংকট ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখতে পারছে না এই কার্যালয়টি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা কুমিল্লা পরিবেশ অফিস সম্পর্কে কিছুই জানেন না। পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ে চালু হয়েছে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি। নগরীর হাউজিং এস্টেট এর ২ নম্বর সেক্টরের জি ব্লকের ১নং প্লটের একটি ভাড়াবাড়িতে শুরু হয় এই কার্যালয়ের কাজ। কুমিল্লা জেলা সদরের সরকারি-বেসরকারি অনেক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ১৬টি উপজেলার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক জনপ্রতিনিধি সরকারি-কর্মকর্তারা কুমিল্লা পরিবেশ অফিস সম্পর্কে কিছুই জানেন না। কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রথম সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন সরদার শরীফুল ইসলাম। তিনি গতবছরের ৪ অক্টোবর বদলি হয়ে গেছেন। তাঁর পদে একই তারিখে যোগদান করেছেন শওকত আরা কলি। সহকারী পরিচালক শওকত আরা কলি জানান, এই কার্যালয়ে একজন উপ পরিচালকসহ মোট ১৪জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ আছে। তার মধ্যে উপপরিচালকের পদটি শুরু থেকেই শূন্য। ১৪টি পদের মধ্যে বর্তমানে সহকারী পরিচালকসহ মাত্র ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। বাকি ৮টি পদই দীর্ঘদিন থেকে শূন্য। এছাড়া এই কার্যালয়ের অধীনে একটি ল্যাবরেটরি থাকার কথা রয়েছে। যা এখনো চালু হয়নি। পরিবেশ অধিদপ্তর ৪টি ক্যাটাগরিতে ছাড়পত্র ইস্যু করে। দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস- আদালত, মিল-কারখানা, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকম স্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গ্রহণ করা আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক। আইন লংঘনের দায়ে জরিমানাসহ কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। কুমিল্লা জেলা পরিবেশ কার্যালয় ৪টির মধ্যে মাত্র ২টি ক্যাটাগরিতে ছাড়পত্র ইস্যু করতে পারে। বাকি ২টির ক্ষমতা বিভাগীয় কার্যালয় এবং প্রধান কার্যালয়ের এখতিয়ার। এই ৪টি ছাড়পত্র হলো- সবুজ, কমলা-ক, কমলা-খ এবং লাল। তার মধ্যে প্রথম ২টি ইস্যুর ক্ষমতা কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের রয়েছে। কুমিল্লা সহকারী পরিচালক শওকত আরা কলি জানান, গত ৭ মাসে তিনি ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারায় ১টি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। নাঙ্গলকোট উপজেলার ২টি ইটভাটা ড্রামচিমনী ভেঙ্গে দিয়েছেন। নগরীর আশ্রাফপুরে ২টি পুকুর অবৈধভাবে ভরাটের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমতি পেয়েছেন। ইতোমধ্যে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি জানান, পুকুর-জলাশয় ভরাটকারী ভূমিদস্যুদের বিরদ্ধে মামলার পূর্বানুমতি নেয়ার কারণে তারা আইনকে পরোয়া করছে না। তিনি বলেন, পুকুর জলাশয় ভরাট বিরোধী আইনটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অর্ন্তভুক্ত করা জরুরি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভূমি দস্যুরা পুকুর-জলাশয় ভরাট করে সেখানে স্থাপনা তৈরি করছে। এতে করার কিছুই থাকছে না।


আপনার মতামত দিন
 আপনার নাম :
 ঠিকানা :
ই-মেইল :
আপনার কমেন্ট :
 
শিরোনাম
  • সুশিক্ষিতরাই পারবে সোনার বাংলা গড়তে-মুজিবুল হক
  • ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ কুমিল্লার ৯ উপজেলার মানুষ
  • টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে কুমিল্লার ৫ উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি
  • দাউদকান্দিতে ফেনসিডিল গাঁজাসহ ৪ যুবক গ্রেফতার
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কারাগারে থাকা শিক্ষার্থীকে পাশ নম্বর দেয়ায় তদন্ত কমিটি
  • মেঘনায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত
  • ভালো শিক্ষক না হলে ভালো শিক্ষার্থী হয় না- জেলা প্রশাসক
  • চ্যানেল আইতে ইসলামী অনুষ্ঠানে আজ অংশ নেবেন মাওলানা মো: ইব্রাহিম
  • নাঙ্গলকোটে দু’গ্র“পে সংঘর্ষ আহত ৪০
  • বুড়িচংয়ে মাদকসেবীর জরিমানা
  • কুমিল্লায় উপকূল ট্রাভেলসের অনলাইন টিকিটিং উদ্বোধন
  • ৪২ বছরেও বিদ্যুৎ পায়নি গ্রাম কাগাতুয়ার মানুষ
  • দেবিদ্বারে জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ : অধিকাংশ সরকারি দফতর আক্রান্ত
  • ডাক্তারদের ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশন সেমিনার
  • সর্বশেষ সংবাদ

    অনলাইন জরিপ
     
    • আজকের প্রশ্ন?
    •  
      বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায়ের মধ্য দিয়ে জাতি ৪২ বছরের কলঙ্কমোচন শুরু হলো। বাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও দ্রুত করা উচিত বলে আপনি মনে করেন কি ?
      āĻšā§āϝāĻžāρ āύāĻž

      পুরোনো ফলাফল
    আর্কাইভ
    < May 2013 >
    রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহ শুক্রশনি
       








    ১০
    ১১
    ১২
    ১৩
    ১৪
    ১৫

    ১৭
    ১৮
    ১৯
    ২০
    ২১
    ২২
    ২৩
    ২৪
    ২৫

    ২৭
    ২৮
    ২৯
    ৩০
    ৩১