পত্রিকা আপডেট-১২:৩০ ।। সর্বশেষ খবর আপডেট ২৪ ঘন্টা
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

আমার জীবনে স্পট ফিক্সিং আর নয় -আসিফ
Share
স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে জেল খাটা বহিষ্কৃত পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ আসিফ মনে করেন জীবনের অন্যতম কঠিন এই অধ্যায়টি তার জীবন থেকে শেষ হয়ে গেছে। এখন তাকে নতুন এক মানুষ ও খেলোয়াড়ি জীবন শুরু করতে সাহায্য করতে হবে। স্থানীয় এক সংবাদ চ্যানেলে আসিফ বলেছেন, আমি শাস্তিভোগ করেছি। আমার জীবনে সময় নষ্ট হয়েছে এবং এখন এই অধ্যায় আমার জন্য শেষ হয়ে গেছে। ২০১০ সালে পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফরের সময় আলোচিত স্পট ফিক্সিং অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় লন্ডনের ক্রাউন কোর্ট গত বছর অক্টোবরে আসিফকে ছয় মাসের কারাদন্ড দেয়। সেই শাস্তি ভোগ করে শুক্রবার জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তরুন পেসার আসিফ। একই অভিযোগে তার আরো দুই সতীর্থ সালমান বাট এবং মোহাম্মদ আমেরকেও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। এদের মধ্যে তিনমাসের কারাদন্ড ভোগ শেষে সবার আগে চলতি বছরের প্রথমে জেল থেকে মুক্তি পান মোহাম্মদ আমের। আমের বর্তমানে পাকিস্তানে নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। আসিফ জানিয়েছের তার আইনজীবির সাথে পরামর্শ করেই তিনি ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিবেন। তিনি আরো বলেছেন কোন ধরনের প্রমাণাদি ছাড়াই গত ছয় মাস তিনি যে কারাদন্ড ভোগ করেছেন তার কোন ভিত্তিই নেই। আর এ ধরনের পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেয়া সত্যিই বেশ কঠিন। তিনি বলেছেন, কঠিন পরিস্থিতি সত্তেও আমি নিজেকে ফিট রেখেছিলাম। এই কঠিনতম সময়ে আমাকে সমর্থণ দেবার জন্য আমি আমার ভক্ত এবং পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ। আসিফ বলেছেন কারাদন্ডের শাস্তিটি তাকে দারুনভাবে বিস্মিত ও হতাশ করেছে। তিনি বলেন, আমাকে যখন কোর্ট থেকে এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয় তখন আমি খুবই বিস্মিত হয়েছিলাম। দোষী সাব্যস্ত হওয়াটাও আমাকে হতাশ করেছিল। কারন আমার বিরুদ্ধে কোন ধরনের প্রমান পাওয়া যায়নি। আইসিসির বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিয়েও আমি এখন ভবিষ্যত পরিকল্পনা করব। স্পট ফিক্সিং ঘটনায় জড়িত হবার আগে আসিফ ২৩ টেস্টে ১০৫ উইকেট নিয়ে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছিলেন। কিন্তু আইসিসির দূর্নীতি দমন ট্রাইবুনাল এই ঘটনায় পাকিস্তানী তিন খেলোয়াড়কে পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করেছে। এদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে আমেরের ব্যপারে আইসিসির যে সিদ্ধাস্ত হয়েছে আসিফের েেত্রও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। উভয়ই বহিষ্কারাদেশের মধ্যে আছে এবং এজন্য আগামী তিন বছর তারা কোন ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রমের সাথে জড়িত হতে পারবে না। এই বহিষ্কারাদেশের বিপে তার আইনজীবি সুষ্ঠ একটি সমাধান দিতে পারবে বলে আসিফ আশাবাদী। তিনি বলেন, জেলে থাকাকালীন পুরোটা সময় আমি ক্রিকেটের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার জন্য ফুটবল খেলেছি এবং ব্যায়াম করেছি।
 
Total Reader : Hit Counter by Digits || The Site Design Mantain & Developed by RiverSoftBD