
কুমিল্লায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব: নিহত ১, আহত ৩৫, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি
হুমায়ুন কবির জীবন
গতকাল সন্ধ্যায় কুমিল্লায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ১জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৫জন আহত হয়েছে। এছাড়া নগরির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে গাছ পড়ে ৪টি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, ৫টি অটোবাইক ও ১১টি রিকশা সম্পূর্ণ বিধ্বস্থ হয়েছে। ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়লে নগরীর বিভিন্ন স্থান কয়েক ঘন্টা অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে।
সরজমিনে দেখা যায়, নগরীর থিরাপুকুরপাড় এলাকায় দোকানের দেয়াল ধ্বসে পড়ে আরব আলী (৭০) নামে এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেয়া হয়। সেখান থেকে কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে ও শেষে অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা যান। তার ৩ ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। ওই এলাকায় আরো একজন আহত হয়। তার নাম রুবেল।
অপরদিকে নগরীর টমছমব্রীজ -কোটবাড়িসড়কে সিএনজি স্ট্যান্ডের উপর বিশালাকৃতির একটি বটগাছ উপড়ে পড়ে। এসময় ৪টি সিএনজি সম্পূর্ণ বিধ্বস্থ হয়। সিএনজিতে অবস্থান করা ইয়াছিন, দেলোয়ার, সেলিম ও সুমন আহত হয়। গুরুতর আহত হয় ইয়াছিন ও সুমন। তারা সিএনজি ড্রাইভার বলে জানা যায়। তাদের প্রত্যেককে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। অন্যান্য আহতদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। টমছমব্রীজ-কোটবাড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে। অনেক বাড়ি ঘরে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়।
অপরদিকে কুমিল্লার বরুড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার কাকৈরতলা গ্রামের হোসেন মেম্বারের বাড়ির প্রায় ৬৬টি ঘর এবং ব্যাপারী বাড়ির ১৩টি ঘর কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়। এছাড়াও ঝড়ে শিশু, মহিলাসহ প্রায় ২০জন আহত হয়েছে।




