.
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

দারোগাকে ঘুষ না দেয়ায় মিথ্যা প্রতিবেদন পত্রিকা হকারকে কান মলা
Share
চান্দিনা থানার এস.আই হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি এবং ঘটনাস্থলে না গিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বেলাশ্বর কচুয়ারপাড় গ্রামের মৃত গণি মিয়ার ছেলে মো. মোখলেছুর রহমান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত ওই অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুমিল্লার একটি দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় হকার পত্রিকা বিক্রির সময় হকারকে কান মলা দেয় ওই দারোগা। মোখলেছুর রহমানের লিখিত অভিযোগে বলা হয়, এস.আই হিলাল বাগুর গ্রামের জনৈক ফজিলতুন্নেছার কালো টাকায় প্রভাবিত হয়ে গত ২ মার্চ কোন মামলা-মোকদ্দমা না থাকার পরও এস.আই হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ মো. মোখলেছুর রহমান এর বাড়িতে যান এবং মামলার হুমকি দিয়ে মামলা থেকে বাঁচতে চাইলে এক লক্ষ টাকা দিতে হবে বলে ঘুষ দাবি করেন। মো. মোখলেছুর রহমান অভিযোগে উল্লেখ করেন, তিনি ঘুষের টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় গত ৭ মার্চ এস.আই হিলাল ও 'ানীয় প্রভাবশালী নেতা মো. আবদুর রহিম এর যোগসাজেশে ফজিলতেরন্নেছা তার বিরুদ্ধে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মামলা তদন্তের জন্য চান্দিনা থানায় পাঠালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চান্দিনা থানার এস.আই হিলাল মামলা সম্পর্কে তাকে কোন নোটিশ প্রদান করেননি এবং তিনি ঘটনা'লেও যাননি। কোন তদন্ত ছাড়াই বিজ্ঞ আদালতের ধার্য্য করা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তিনি। নোটিশ গুম করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে গত ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এস.আই হিলাল মোখলেছুর রহমানকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। গত ২৩ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করেন। অভিযোগের পর সরেজমিনে গেলে 'ানীয়রা জানান, পুলিশ টাকার লোভে নিরীহ মোখলেছুর রহমানকে হয়রানি করছে। তারা পুলিশের ঘৃণ্য ভূমিকার প্রতিবাদ জানিয়ে এস.আই হিলালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এদিকে চান্দিনা থানার এই পুলিশ অফিসারের অসদাচরণে ক্ষুব্দ বেলাশহর ও কচুয়ারপাড় গ্রামের বাসিন্দারা। ওই এলাকার 'ানীয় জনপ্রতিনিধিদের সালে আলাপকালে তারা জানান, মোখলেছুর রহমান একজন নিরীহ কৃষক। কিছু কুচক্রি মহল হিংসাত্মক মনোভাব ও জায়গা দখলের লোভে মোখলেছুর রহমানকে মামলা-হামলায় জড়িয়েছে। এছাড়া আদালতে মামলা দায়ের করার পর মামলাটি তদন্তের জন্য চান্দিনা থানায় আসার পর পুলিশের যোগস্বাজসে দারোগা হিলালকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। নিয়মানুযায়ী আদালত থেকে মামলাটি তদন্তের জন্য থানার আসার পর তদন্ত কর্মকর্তা উভয় পক্ষকে নোটিশের মাধ্যমে থানায় ডেকে আনা বা সরেজমিনে গিয়ে 'ানীয় স্বাক্ষীগণের উপি'তিতে মামলার সত্যতা যাচাইয়ের কথা থাকলেও ওই তদন্ত কর্মকর্তা কর্মকর্তা হিলাল মামলার কোন তদন্ত না করেই বাদী পক্ষের কালো টাকার বিনিময়ে মিথ্যা ও মনগড়া প্রতিবেদন আদালতে পাঠান। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এস.আই হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে শুনেছি। এস.পি মহোদয় আমাকে ডাকলে আমি জবাব দেব।
 
The Sire Design Mantain & Developed by RiverSoftBD