.
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

বাসে উঠলেই ২০ টাকা!
Share
হরতালে রাজধানীর রাস্তা নামা লোকাল বাসগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে চার গুণ হারে ভাড়া আদায় করছে। হরতালে এমনিতেই যাত্রীবাহী বাসের দেখা পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার। তারপরও জ্বালাও-পোড়াও ঝুঁকি নিয়ে যে দু একটি বাস রাস্তায় নামছে তারা হরতালের দোহাই দিলে ন্যুনতম ভাড়া ২০ টাকা হারে আদায় করছে। রোববার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো পরিদর্শন করে এ দৃশ্য দেখা গেছে। গুলিস্তান থেকে ছেড়ে আসা মিরপুরগামী ১ নং বাসে উঠানামা ২০ টাকা হারে ভাড়া আদায় করাকে কেন্দ্র করে সকাল ১২টার সময় ফার্মগেটে বেশ হৈ চৈ চোখে পড়ে। তবে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডার পরেও উঠানামা ২০ টাকা হারে ভাড়া দিয়েই যাত্রীদের বাস থেকে নামতে হয়েছে। এ বাসের যাত্রী বেলাল হোসেন বলেন, বাংলামোটর থেকে খামারবাড়ি যাওয়ার জন্য এ বাসে উঠি। হেলপার বিশ টাকা ভাড়া দাবি করে করে। এতো অল্প দূরত্বে ২০ টাকা ভাড়া অযৌক্তিক বলে জানানোর পরেও সে এ ভাড়াই আমিসহ আরো কয়েকজন যাত্রীর কাছ থেকে আদায় করে নেয়। এ বাসের অপর যাত্রী হাফিজ মোল্লা বলেন,উঠানামা ২০ টাকা বললেও যারা খুব কাছে নেমে যায় তাদের কাছ ২০ টাকা নিলেও যারা মিরপুর যাচ্ছে তাদের কাছ থেকে ঠিক ৩৫ টাকা হারে আদায় করছে তারা। যাত্রাবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা গাবতলীগামী ৮ নং বাসেও এমন অযৌক্তিক ভাড়া আদায়ের দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে। আসাদগেটে এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাসের স্টাফদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।এ বাসের যাত্রী কাঁচামাল ব্যবসায়ী আবুল কাশেম বলেন, হরতালের দোহাই দিয়ে তারা একবাসে ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ যাত্রী তুলেছে। আর ভাড়া আদায় করছে চারগুণ হারে। কেউ দিতে না চাইলে তার উপর চড়াও হচ্ছে। এ বাসেও যাত্রাবাড়ি থেকে গাবতলীর ভাড়া ৫০ টাকা ও ন্যুনতম ভাড়া ২০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বেশি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে গুলিস্তান থেকে আব্দুল্লাহপুরগামী ৩ নং বাসের ড্রাইভার মো. আকাশ বলেন, হরতালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাই। একটু বেশি ভাড়াতো নেবোই। হরতালের সমর্থকরা বাসে আগুন দিলেতো আমিই মরমু, আপনি না। ন্যুনতম ২০ টাকা ভাড়া আদায় সম্পর্কে তিনি বলেন, হরতালে অযৌক্তিক বলে কিছু নেই, সবই যৌক্তিক। আমরা একা এ ভাড়া আদায় করছি না, আজ সবাই এ হারে ভাড়া আদায় করছে।
 
The Sire Design Mantain & Developed by RiverSoftBD