আরসিবির কাছে রাজস্থানের হার
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এবি ডি ভিলিয়ার্স ও তিলকারতে দিলশানের আক্রমণাÍক ব্যাটিংয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে ৪৬ রানে হারিয়েছে। সাত খেলায় এটি ব্যাঙ্গালোরের চতুর্থ জয় অন্য দিকে আট খেলায় রাজস্থানের চতুর্থ হার। জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দিলশান ও ডি ভিলিয়ার্সের অপরাজিত অর্ধশতকের সুবাদে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান করে ব্যাঙ্গালোর।
জবাব দিতে নেমে অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়ের অর্ধশতকের পরও ৭ উইকেটে ১৪৩ রানেই শেষ হয় যায় রাজস্থানের ইনিংস। রান তাড়া করতে নেমে অজিঙ্কিয়া রাহানের (১৩) সঙ্গে দ্রাবিড়ের ৫৬ রানের সুবাদে শুরুটা ভালোই হয় রাজস্থানের। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ওয়াইজ শাহর (১০) সঙ্গে দ্রাবিড়ের ২৪ রানের জুটি ভাঙ্গার পর রাজস্থান অস্বস্তিĄতে পড়ে। দলীয় ৮০ রানে শাহর বিদায়ের পর ২১ রানের মধ্যে সাজঘরের পথ ধরেন শ্রীবাটস গোস্বামী (১), দ্রাবিড় (৫৮) ও ব্রাড হজ (১০)। দ্রাবিড়ের ৪২ বলের ইনিংসটি ৮টি চারে সাজানো।
এর পর স্টুয়ার্ট বিনির অপরাজিত ২০ রানের ইনিংসে শুধুমাত্র পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে রাজস্থান। ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে কেপি আপ্পানা ব্যাঙ্গালোরের সেরা বোলার। এর আগে দিলশানের আক্রমণাÍক ব্যাটিংয়ের পরও বিরাট কোহলি (১৬), মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৫) ও ক্রিস গেইলের (৪) দ্রুত বিদায়ে ব্যাঙ্গালোরের শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি।
৬৭ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে গেইলের বিদায়ের পর মাঠে নামেন ডি ভিলিয়ার্স। সে সময় ব্যাঙ্গালোরের হাতে ছিল ৫০ বল। চতুর্থ উইকেটে দিলশানের সঙ্গে ডি ভিলিয়ার্সের ১৩২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি সুবাদে দুশ রানের কাছাকাছি স্কোর গড়ে ব্যাঙ্গালোর। ২৩ বলে ৩টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন ডি ভিলিয়ার্স।
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান দিলশানের ব্যাট থেকে আসে হার না মানা ৭৬ রান। তার ৫৮ বলের ইনিংসটি ১০টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো। রাজস্থানের পে ব্রাড হগ ৩৯ রানে নেন ২ উইকেট।




