.
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

বুড়িচং ও লাকসামে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ:আহত অর্ধ শতাধিক
Share
স্টাফ রিপোর্টার।। বিএনপির ডাকা তৃতীয় দিনের হরতাল কুমিল্লায় ঢিলেঢালাভাবে পালিত হলেও বুড়িচং ও লাকসাম উপজেলায় হরতালের সমর্থনে বিএনপির মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজার থেকে একজনকে আটক করেছে। সকালে বুড়িচং সদরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হলে পুলিশের একটি দল মিছিলটিকে বাধা দেয় এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজারে বিএনপির পিকেটিং চলাকালে পুলিশ বাধা প্রদান ও লাঠি চার্জ করলে হরতাল সমর্থীত নেতা ও কর্মী এবং পুলিশের মধ্যে সংর্ঘষ বাধেঁ। পুলিশের ব্যাপক লাঠি চার্জে হরতালকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। গত কাল সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুড়িচং উপজেলার কুমিল্লা মীরপুর সড়কের ভরাসার বাজারে ষোলনল ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৩য় দিনের হরতাল পালন করতে নেতা কর্মীরা পিকেটিং করে । পিকেটিং চলাকালে বুড়িচং থানার এস আই নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পিকেটিংকারীদের কে বাধা প্রদান করেন এবং ব্যাপক লাঠি চার্জ করলে থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান শিশু, ষোলনল ছাত্রদলের আহবায়ক জি এইচ যোবায়ের ,যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন। পুলিশ ষোলনল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সালেহ আহমেদকে তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করেছে। এছাড়া বুড়িচং উপজেলা সদর, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজার, কাবিলা বাজার ,কালাকচুয়া, কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কের ময়নামতি সাবের বাজার, কংশনগড় বাজার, জাফরগঞ্জ, কুমিল্লা বাগড়া সড়কের ফকির বাজার, কালীকাপুর, শংকুচাইল বাজার এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। অপরদিকে জেলার লাকসাম উপজেলায় পৌর বিএনপি সভাপতি হুমায়ুন পারভেজর নেতৃত্বে সকাল ১০টায় হরতালের পক্ষে একটি মিছিল বের করলে পুলিশ মিছিলে লাঠিচার্জ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বিএনপির প্রায় ১৪ নেতাকর্মী আহত হয়। আহত প্রত্যেককে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদিকে কুমিল্লা মহাসড়কে ট্রাক, টেম্পু, সিএনজি অটোরিক্সা ও চলাচল করছে। তবে সংখ্যায় অনেক কম। শহরের দোকান পাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ব্যাংক-বীমায় আর্থিক লেন দেন হয়নি। জেলার নগরের ৩টি বাস টার্মিনাল আশ্রাফপুর, গোয়ালপট্টি ও শাসনগাছা থেকে দুরপাল্লার কোনো যানবাহন ছেড়ে যায়নি। এদিকে কুমিল্লা মহানগরে গতকাল মঙ্গলবারের তৃতীয় দিনের হরতাল কিছুটা ঢিলে ঢালাভাবে চলছিল। দলীয় নেতাকর্মী সমর্থক ও পিকেটারদের ভীর ছিল শুধুই কান্দিরপাড়, বাদুরতলা, টমছমব্রীজ, চকবাজার, পূবালী চত্ত্বরে। দুপুর ৩ টার পর পূবালী চত্ত্বরের সমাবেশ শেষ হলে যখন নেতাকর্মীরা চলে যায় তখন অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মত হয়ে যায় গোটা মহানগর। ৩ টার পর কুমিল্লা নগরের আর কোথায়ও হরতালের অস্তিত্ব ছিল না। স্বাভাবিক ভাবে যান চলাচল করে। রিক্সা, অটোবাইক, সিএনজি, মোটর সাইকেল চলাচল করলেও দুরপাল্লা যানবাহন চলাচল খুব একটা দেখা যায়নি। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিএনজি ও অটোবাইকদের দখলে ছিল। দুরপাল্লা যাত্রীবাহী বাসহ অন্যান্য যানবাহন চোখে পড়েনি। দুএকটি মাইক্রোবাস, মোটর সাইকেল চলাচল করলেও পিকেটিংয়ের কারণে তা থমকে পড়ে।
 
The Sire Design Mantain & Developed by RiverSoftBD