.
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

কুমিল্লায় এবার কলেজ ছাত্র খুন
Share
স্টাফ রিপোর্টার।। কুমিল্লায় সন্ত্রাসী হামলায় এবার খুন হয়েছে এক কলেজ ছাত্র। আহত হয়েছে ২ জন। নিহত কলেজ ছাত্রের নাম আরমান হোসাইন। সে কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের উচ্চ মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। শনিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে কুমিল্লার মনোহরপুর এলাকায় অবস্থিত সরকারি মহিলা কলেজ রোডে। একটি মোবাইল নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গতকাল বিকাল চার টায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের সামনে এইচ এস সি পরীক্ষার সিট নাম্বার দেখতে যায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থী ইমরান ও তার বন্ধু কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম বর্ষের ছাত্র আরমান হোস্ইান(২১)। সিট নাম্বার দেখে ইমরান ও আরমান কলেজ গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কান্দিরপাড় এলাকার ফল বিক্রেতা চর্থা এলাকার দাগী (২২) একই এলাকার শাকিল (২০) ও বোতল ফয়সাল (২০) সহ ৭/৮ জনের একদল সন্ত্রাসী আরমান ও ইমরানের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় আরমানকে সন্ত্রাসীরা তাদের সাথে যেতে বলে। আরমান তাদের সাথে যেতে অস্বীকার করলে সন্ত্রাসীরা তাকে দেশিয় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে আরমান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তাকে ফেলে পালিয়ে যায়। এ সময় আরমানকে বাঁচাতে তার বন্ধু ইমরান ও হাসান নামের স্থানীয় এক যুবক এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাদের এলোপাথারী মারধর করে। পরে খবর পেয়ে আরমানের বন্ধুরা এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় আরমান ও ইমরানকে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায় হাসপাতালে নেয়ার পথে আরমানের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদশর্ন করে। নিহত কলেজ ছাত্র আরমানের বাড়িনগরীর মোগলটুলী এলাকার শাহসুজা মসজিদের উত্তরপার্শ্বে। তার পিতার নাম মাওলানা হোসাইন আহমেদ। আহত ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র ইমরানের বাড়ি চান্দিনা উপজেলার ইলিয়াট গঞ্জের সাদলপুর গ্রামে। ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নিহত আরমানের বন্ধু ইমরান জানায়, ঘটনার মূল কারণ তিনি জানেন না তবে পূর্ব শত্রতার জের ধরেই এঘটনা ঘটেছে বলে সে জানায়। আহত ইমরান আরো জানায়, আমি পরীক্ষার সিট দেখার জন্য সাড়ে ৪টায় মহিলা কলেজে আসি। সিট দেখার পরে কলেজের সামনে একটি হোটেলে চা-নাস্তা খেয়ে বের হওয়ার সময় ফয়সাল, শাকিল, ঢাগী আমাদের গতিরোধ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। সে আরও জানায়, ছদ্মনাম দাগীর সাথে এক মাস আগে আরমান হোসাইন-এর একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়। সেই ঘটনার জের ধরে এই হত্যার ঘটনা ও হামলা চালানো হয়। নিহত আরমান হোসাইনের বড় ভাই এমরান হোসেন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আমার ভাই আরমান হোসেনের মৃত্যুর খবর পাই। খবর পেয়ে ছুটে আসি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তিনি আরও জানান, মার্চের ১ তারিখে আমার ভাই আরমানের সাথে একটি মোবাইলের বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। আমি ঢাকা থেকে এসে দেখি তার মাথা সেলাই করা। জানতে পারি ছদ্মনাম লাড্ডু ও জহির আমার ভাইকে মেরেছিল। তখন আমার ভাইয়ের বন্ধুরা লাড্ডু ও জহিরকে মারধর করলে তারা কোতয়ালী থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় আমার ভাইকে ৪ নাম্বার আসামী করা হয়। তখন আমার ভাইকে বললাম, তুই বাসায় কেন আসিস না। তখন সে বলে ঢাগীসহ অন্যরা মেরে ফেলবে। তিনি আরও জানান, গতকালের ঘটনায় চর্থার কিছু লোকজন জড়িত রয়েছে। এব্যাপারে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মাহমুদ ও ওসি (তদন্ত) মো: ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। যারা এই খুনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী অতি শীঘ্রই দোষীদের গ্রেফতার করবে। এদিকে খবর পেয়ে আরমানের বাবা হাসপাতালে এসে ছেলের মৃত লাশ দেখে তার আত্মচিৎকারে হাসপাতালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারন হয়। এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।


Mahabub alam

must arrest the criminal and hang those killer



Hossenuzzaman

It is unfortunate for us. How one can kill another. Reasons is only people is going a long far from Islam

 
The Sire Design Mantain & Developed by RiverSoftBD