সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে হয়রানি না করার জন্য এলাকাবাসীর বৈঠক:গ্রেফতার আতংকে দুই উপজেলার গ্রামবাসী
রনবীর ঘোষ কিংকর, চান্দিনা
জসিম কে? কে হত্যা করলো জসিমকে? কেন হত্যা করা হলো তাকে? এসব অজানা প্রশ্ন এখন কুমিল্লার চান্দিনা ও দেবিদ্বার উপজেলা জুড়ে। গত ১৪ এপ্রিল শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন ছয়ঘড়িয়া নামক স্থান থেকে দেবিদ্বার উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে জসিমের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করার পর থেকে দেবিদ্বার থানা পুলিশ খুনির কোন সুর্নিদিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই অযথা পুলিশি হয়রানী শুরু করে দেবিদ্বার উপজেলার দাড়িয়াপুর ও চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, গোবিন্দপুর, কলাগাঁওসহ আশ-পাশের গ্রাম গুলোতে। ঘটনাটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটায় এখন দুই উপজেলার গ্রামবাসীর হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। গ্রেফতার আতংকে কয়েক গ্রামের অনেক পুরুষ এখন রাতে বাড়িতে ঘুমাতে পারছে না। সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হয়না কেউ। সম্প্রতি পুলিশের হয়রানীর স্বীকার হয়েছে এলাকার কয়েকজন নিরীহ লোক। পুলিশ সুনির্দ্দিষ্ট কোন প্রমাণ ছাড়াই কেন নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানী করছে এমন প্রশ্ন এখন দুই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে। কিন্তু কেন এতো অযথা হয়রানি সাধারণ মানুুষের উপর? সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুুজে বের করতে আহবান জানান এলাকার রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, স্থানীয় গম্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
দুই উপজেলার সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানী রোধ করার লক্ষ্যে গতকাল শনিবার সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হান্নান হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছলেহ উদ্দিন মোছলেম, চান্দিনা কেরনখাল ইউপি চেয়ারম্যান হারুন-অর রশিদ ভূইয়াসহ উভয় উপজেলার শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ওই সভায় নিহতের পরিবার জানায়, সুনির্দিষ্ট ভাবে কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি। তবে এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা রয়েছে বলে নিহতের পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। যেহেতু নিহতের পরিবার থেকে সুনির্দিষ্ট কাউকে অভিযোগ করা হয়নি, সেহেতু পুলিশ সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক প্রকৃত আসামীকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করতে চান্দিনা ও দেবিদ্বার থানাকে অবহিত করা হবে বলে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান। উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল শুক্রবার রাতে কোন এক সময় জসিমকে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করে।




