.
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

মুরাদনগরের মোচাগড়া স্কুলে ভোট আজ
Share
মুরাদনগর উপজেলার মোচাগড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন জমে উঠেছে। আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মোচাগড়া, ছিলমপুর, ভবানীপুর, শোলাপুকুরিয়া ও বাখরনগর গ্রামে চলছে উৎসবের আমেজ। সকাল-সন্ধ্যায় বাজারের বিভিন্ন দোকান পাটে প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। প্রার্থীরা রাতের ঘুম হারাম করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দোয়া ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। তবে ভোটাররা নির্বাচন কমিশনের নিকট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করছেন। অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এরা হলেন, আবুল বাশার (ব্যালট নং ০১), ওয়াদুধ মিয়া (ব্যালট নং ০২), সাবেক সদস্য হাজী ছাদেক হোসেন (ব্যালট নং ০৩), বর্তমান সদস্য মির্জা আবুল হাশেম (ব্যালট নং ০৪), সাইফুজ্জামান খন্দকার স্বপন (ব্যালট নং ০৫), সিরাজুল ইসলাম (ব্যালট নং ০৬) ও শাহজাহান মিয়া (ব্যালট নং ০৭)। তবে ৭জন প্রার্থীই কোম্পানীগঞ্জ ও মোচাগড়া বাজারের ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। নির্বাচনে ৫৫২ জন ভোটার তাদের কাঙ্খিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। নির্বাচনের দিন তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সফিউল আলম তালুকদার জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ ব্যাপক প্রস্তুতি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রার্থী ও ভোটারদের সংশয়ের কারণ নেই, কোন প্রকার অনিয়মের প্রশ্নই উঠে না। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির জানান, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যে কোন প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে আসুক, এতে আমার কোন আপত্তি নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহআলম মিয়া জানান, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বিদ্যালয়ের জন্য দরদ থাকা প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণে তারা নিয়োজিত থাকলে বিদ্যালয়ের বহুমুখী উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। অভিভাবক প্রার্থী আবুল বাশার জানান, জয় পরাজয় বড় কথা নয়, ভোটাররা যোগ্য ব্যক্তি মনে করলে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। ওয়াদুধ মিয়া জানান, বেশ কয়েকবার ভোটারদের নিকট গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছি, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। হাজী ছাদেক হোসেন জানান, বিগত দিনে কমিটিতে থাকাকালে বিদ্যালয়ের অনেকাংশে পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। ভোটাররা যদি মনে করে আবারো আমার প্রয়োজন, তাহলেই আমাকে ভোট দিবে। মির্জা আবুল হাশেম জানান, বর্তমান কমিটিতে থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ের কি উন্নয়ন হয়েছে, ভোটাররা তা জানে, আমার মনে হয় বিদ্যালয়ের ক্ষতি হোক এমন কোন কাজ আমি কখনো করিনি। সাইফুজ্জামান খন্দকার স্বপন জানান, নির্বাচিত হলে ছাত্রীদের নিরাপত্তাসহ বিদ্যালয়টিকে ইভটিজিং মুক্ত করব ইনশাল্লাহ। সিরাজুল ইসলাম জানান, নির্বাচন করার কখনো ইচ্ছা ছিল না, তারপরও ভোটারদের অনুরোধে প্রার্থী হয়েছি, দেখিনা মানুষ মূল্যায়ন করে কিনা। শাহজাহান মিয়া জানান, কিছু প্রার্থী ভোটারদের মাঝে টাকা ছিটিয়ে নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে।
 
The Sire Design Mantain & Developed by RiverSoftBD