পত্রিকা আপডেট-১২:৩০ ।। সর্বশেষ খবর আপডেট ২৪ ঘন্টা
 
Publish Date: 30 Nov -0001 00:00:00

ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ: উবির সাবেক উপাচার্যসহ ৮জনের জামিন
Share
ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে করা মামলায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আর আই এম আমিনুর রশীদসহ আটজন জামিন পেয়েছেন। জামিনপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক এম ফরিদ আহমেদ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য রুহুল আমিন আকন্দ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের সাবেক পরিচালক এবং বর্তমানে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক ড. ফজলে আলী, বাংলাদেশ ইসলামিক ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান ড. আরশেদ আলী মাতুব্বর, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (উন্মুক্ত বিদ্যালয়) ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুর রাহীম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (উন্মুক্ত বিদ্যালয়) রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাবেক প্রভাষক মো. কামাল উদ্দিন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো. কুতুব উদ্দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে তাঁরা জামিনের আবেদন করেন। মহানগর হাকিম কামরুন্নাহার রুমি ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় একজন আইনজীবীর জিম্মায় তাঁদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালতে হাজির হননি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এরশাদুল বারী ও সাবেক ডিন প্রফেসর আনছারুজ্জামান। প্রতারণার মাধ্যমে তথ্য বিকৃত করে পাণ্ডুলিপি প্রকাশের অভিযোগে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আর আই এম আমিনুর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গত ৪ মার্চ মামলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা করেন। ওই দিন মহানগর হাকিম কামরুন্নাহার রুমি বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আমিনুর রশীদসহ ১০ জনকে ৫ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারির আদেশ দেন। আরজিতে বলা হয়, বাদী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শওকত আরা হোসেন প্রণীত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি দ্বিতীয় পত্র ২০০০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে আসামিরা পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালনের সময় পরস্পর যোগসাজশে মূল বইয়ে তাঁদের নাম ব্যবহার করে ও পাণ্ডুলিপি বিকৃত করে তা পুনঃ সংস্করণ বের করেন। এ সময় ওই পাণ্ডুলিপি থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দটি বাদ দেওয়া হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অধ্যায়ের স্বাধীনতার ঘোষণাসহ মূল পাণ্ডুলিপির পরিবর্তন ঘটিয়ে ভিন্ন তথ্য সংযোজন করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বইয়ের মূল পাণ্ডুলিপির তথ্য বিকৃতির অভিযোগ আনা হয়।
 
Total Reader : Hit Counter by Digits || The Site Design Mantain & Developed by RiverSoftBD