ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
456
ভুয়া সনদপত্রে কাজী ইব্রাহিম!
Published : Wednesday, 21 October, 2020 at 12:00 AM, Update: 21.10.2020 1:01:50 AM
ভুয়া সনদপত্রে কাজী ইব্রাহিম!মাসুদ আলম।।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ভুয়া সনদপত্রে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। তার আলিম ও দাওরা পাসের কোন সার্টিফিকেটই সঠিক নয়। মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অর্থের বিনিময়ে জালিয়াতি করা সার্টিফিকেট দাখিল করে আইন মন্ত্রণালয় থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) লাইসেন্স বানিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইব্রাহিম খলিল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোরপাই গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। অভিযুক্ত ইব্রাহিম বুড়িচং উপজেলার ৭ং মোকাম ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে রয়েছে। ভুয়া সার্টিফিকেটধারী ইব্রাহিম বর্তমানে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নিয়োগে দাখিলকৃত আলিম ও দাওরা পাসের সার্টিফিকেট তদন্ত করে দেখা যায়, ১৯৯৯ সালে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার কমলপুর জোলাই দারুল উলূম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে আলিম এবং ২০১৮ সালে কুমিল্লার বদরপুর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দাওরা পাসের সার্টিফিকেটসহ সকল সনদপত্র ভুয়া।
কারণ কাজী ইব্রাহিম যে মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করেছেন সেই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হালিম জানান, জোলাই দারুল উলূম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৯৯৯ সালে মো. ইব্রাহিম খলিল নামে কোন ছাত্রের তথ্য তাদের কাছে নেই। আলিম পরীক্ষার ১৯৯৯ সালের টেবুলেশন শীট যাচাই করে ইব্রাহিম খলিল, পিতা- কাজী আলী আহমেদ, রোল- ১৪৮৪৫০, রেজিঃ ০১৭৫০৯/১৯৭৯ এই ধরনের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। 
যদিও নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) পদে নিয়োগের জন্য মাদ্রাসাবোর্ড থেকে আমিল পাসে সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক বলে জানান উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার।
আলিম পরীক্ষার সার্টিফিকেট নেই বলে অভিযুক্ত কাজী ইব্রাহিম খলিল স্বীকার করে জানান, তিনি আলিম পরীক্ষা দেন নাই। তবে দাওরা পাসের সার্টিফিকেট সঠিক। মন্ত্রালয় কাগজপত্র দেখে তাকে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন।
সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে মোকাম ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) পদটি শূন্য হয়। পরবর্তীতে বুড়িচং সাব-রেজিস্ট্রার অফিস উক্ত পদে কাজী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু তৎকালীন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভুয়া একটি প্যানেল তৈরি করেন। ওই প্যানেলে ভুয়া সনদধারী কাজী ইব্রাহীম খলিল ও তার ভাগিনা হাবিবুর রহমান এবং ভুয়া অন্য আরেকজনকে দিয়ে তিনজনের এই প্যানেলের কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের যোগসাজশে ওই প্যানেল থেকে ভুয়া সনদধারী ইব্রাহীম খলিলকে কাজী পদে নিয়োগ প্রদান সহায়তা করেন। প্রকৃতপক্ষে ইব্রাহীম খলিল আলিমের সার্টিফিকেট নেই। নিয়োগে প্রদানকৃত সনদপত্র ও প্রত্যয়ন পত্রের মধ্যে যাবতীয় ভুয়া কপি দাখিল করেছিলেন।
এই বিষয়ে বুড়িচং উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার রিয়াজুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিকাহ রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। কাজী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আমরা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে যাচাই করি। তবে কাজী নিয়োগে মাদ্রাসার ছাত্র এবং বাধ্যতামূলক আলিম পাস হতে হয়। অভিযুক্ত ইব্রাহিম হয়তো কোনভাবে জালিয়াতি করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের নিয়োগ নিয়েছেন। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেন জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়।
ভুয়া সনদপত্রে কাজী নিয়োগের বিষয়ে কথা বলতে কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ারুল হক চৌধুরী জানান, স্থানীয় এমপি প্যানেল নির্বাচন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠান। সেখান থেকেই নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজী নিয়োগ অনুমোদন হয়। জালিয়াতির কোনো অভিযোগ আসলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবো।
 
 





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};