ই-পেপার ভিডিও ছবি বিজ্ঞাপন কুমিল্লার ইতিহাস ও ঐতিহ্য যোগাযোগ কুমিল্লার কাগজ পরিবার
Count
65
ব্রাহ্মণপাড়া ‘অ্যানথ্রাক্সে’ চার গরুর মৃত্যু, সর্বশান্ত খামারি
Published : Monday, 19 October, 2020 at 12:00 AM
ইসমাইল নয়ন ॥ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ গ্রামের একটি খামারের ৪টি উন্নত জাতের গাভী মারা গেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই গরু চারটি মারা যায়। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার ধারণা- গরুগুলো অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত ছিলো। ৬ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের উন্ন প্রজাতির ৪টি গাভী হারিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন খামারি বাচ্চু মিয়া।
খামার মালিক বাচ্চু মিয়া জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আমরা শনিবার সন্ধ্যায় খামার ঘরে গরু বেধে ঘাস ও খর দিয়ে। বসত ঘরে চলে যাই। পরে রাত প্রায় নয়টার সময় আবারো গরু গুলোকে দেখতে খামার ঘরে আসি। এসময় খামার ঘরে এসে দেখতে পাই আমার দুইটা গরু অসুস্থ্য হয়ে পরে আছে। আমি তাৎক্ষণিক আমার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও ছেলে আরিফকে নিয়ে গরু দুটিকে উঠানোর জন্য চেষ্টা করি। এদিকে সময়ের সাথে সাথে গরু গুলোর অবস্থাও অবনতির দিকে যাচ্ছে। একে একে আমার খামারে থাকা ৪টি গরু অসুস্থ্য হয়ে পরে। এ অবস্থায় আমি একজন স্থানীয় পশু চিকিৎসককে খবর দিলে চিকিৎসক এসে গরু গুলোকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যায়। এতে কোন লাভ হয়নি। রাত ৩টা থেকে আমার গরু গুলো একে একে মারা যেতে শুরু করে। সকাল পর্যন্ত আমার ৪টি গরুই মারা যায়। এই বিষয়টি আমরা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাকে জানালে প্রথমে তিনি তার একজন প্রতিনিধি চিকিৎসক পাঠান। পরে তিনি নিজেই আমাদের বাড়িতে আসেন এবং তিনি গরু গুলোকে দেখে জানান, আমাদের খামারের গরু গুলো “অ্যানথ্রাক্স” রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, আমাদের সম্বল শেষ হয়ে গেছে। এই গরু গুলোই আমাদের সম্বল ছিলো। আমাদের আয়ের একমাত্র মাধ্যম ছিলো।
বাচ্চু মিয়ার ছেলে আরিফুর ইসলাম বলেন, আমরা প্রথমে দুইটি উন্নত জাতের গরু দিয়ে খামার শুরু করি। পরে পর্যাক্রমে বেড়ে ৪টি গরু হয়। ভবিৎষতে এই গরু গুলার মাধ্যমে আমাদের একটি বড় খামার করার আশা ছিলো। এখন আমাদের সকল আশা শেষ হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শুভ সূত্রধর বলেন, উপজেলার সাহেবাবাদ গ্রামের বাচ্চু মিয়ার খামারের ৪টি গরু মারা যাওয়ার বিষয়ে আমরা খবর পেয়ে ওই খামারে গিয়ে মৃত গরু গুলো দেখেছি এবং তাদের সাথে কথা বলেছি। মৃত গরু গুলো দেখে মনে হয়েছে এই গরু গুলো অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। গরু গুলো মধ্যে অ্যানথ্রাক্স রোগের সকল লক্ষণ ছিলো। অ্যানথ্রাক্স রোগে গরু আক্রান্ত হয়ে ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে মারা যাওয়ার সম্ভবনা থাকে এবং এ কারনেই গরু গুলো মারা গেছে। তাবে খামার মালিকরা বিষয়টি বুঝতে পারেনি বিধায় গরু গুলো মারা গেছে। প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ অথবা উপজেলা প্রাণিসম্পদক কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে গরু গুলোকে চিকিৎসা দিলে হয়তো গরু গুলা বাঁচানো যেত। ক্ষতিগ্রস্থ খামার মালিককে সরকারি ভাবে সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা হয়েছে, আশা করি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের অর্থিক সহযোগিতা করা হবে।







© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
কুমিল্লার কাগজ ২০০৪ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আবুল কাশেম হৃদয় (আবুল কাশেম হৃদয়)
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন, কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ।
ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ই মেইল: [email protected], [email protected],  Developed by i2soft
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আবুল কাশেম হৃদয়
নির্বাহী সম্পাদক: হুমায়ূন কবীর জীবন
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ১২২ অধ্যক্ষ আবদুর রউফ ভবন
কুমিল্লা টাউন হল গেইটের বিপরিতে, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০। বাংলাদেশ। বাংলাদেশ। ফোন +৮৮ ০৮১ ৬৭১১৯, +৮৮০ ১৭১১ ১৫২ ৪৪৩
ইমেইল : [email protected] Developed by i2soft
document.write(unescape("%3Cscript src=%27http://s10.histats.com/js15.js%27 type=%27text/javascript%27%3E%3C/script%3E")); try {Histats.start(1,3445398,4,306,118,60,"00010101"); Histats.track_hits();} catch(err){};